বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছের তালিকা

বাংলাদেশে স্বাদু পানির মৎস্য প্রজাতিসমূহের বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা শুরু হয় ১৮২২ সালে। ২০০৫ সালে এ. কে. আতাউর রহমান বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছকে ৫৫টি পরিবারের অধীনে ১৫৪ গণের ২৬৫টি প্রজাতিকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন যার ভেতরে কয়েক প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও ছিলো।আরো পড়ুন

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা

এশিয় একশিঙ্গি গণ্ডার বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকার গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশে রয়েছে হাজারো প্রাণীর বাস। আমরা কী জানি আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের এই বন্যপ্রাণীরা কেমন আছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা ওয়েবে পাওয়া যাবে এরকম ইচ্ছা ছিলো আমার অনেক দিনের। এখানে এরকম একটি তালিকা দেয়া হলো। দেয়ার একটিই উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে আর একটি বন্যপ্রাণীও যাতে বিলুপ্ত না হয়। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের সাপের তালিকা হচ্ছে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতি

বাংলাদেশের সাপের তালিকা হচ্ছে সরীসৃপ শ্রেণির স্কুয়ামাটা বর্গের ৭টি পরিবারের ৪৬টি গণে অন্তর্ভুক্ত মোট ৯৪টি প্রজাতির একটি মধ্যম পর্যায়ের তালিকা। বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতিকে দেশবাসি সাপ বলে চেনে। বাংলাদেশে Reptilia শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতির যেগুলোকে দেশবাসি সাপ বলে ডাকে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো সরীসৃপ ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এসব প্রাণী হত্যা, শিকার, পাচার, বিক্রি ইত্যাদি করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশের ৯৪টি প্রজাতির সাপের পরিবারসহ নামের তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো: আরো পড়ুন

বাংলাদেশের গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুইয়ের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারের মোট ৩২টি প্রজাতিকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে চেনে। বাংলাদেশের Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারে মোট এরক মের মোট ৩২টি প্রজাতি রয়েছে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের ব্যাঙ বা ব্যাঙের তালিকা হচ্ছে ৬টি পরিবারে অন্তর্ভুক্ত ৪০ প্রজাতির ব্যাঙ

বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকা হচ্ছে ৬টি পরিবারে অন্তর্ভুক্ত ৪০ প্রজাতির ব্যাঙের নামের তালিকা। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura এবং Apoda বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে মোট ৪১টি প্রজাতি অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। IUCN-বাংলাদেশ ২০০০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৮টি প্রজাতির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বর্তমানে অন্তত ২৫টি প্রজাতি ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের সরীসৃপ হচ্ছে কচ্ছপ ও সাপসহ অন্যান্য প্রজাতির বিস্তারিত আলোচনা

সরীসৃপ বা Reptilia (L. reptum = creep) শ্রেণীর মধ্যে টিকটিকি, সাপ, কচ্ছপ, কাছিম, কুমির, এলিগেটর, tuataras অন্তর্ভুক্ত। সরীসৃপ প্রাণীদের বেশি বৈচিত্র্যতার কারণে বুকে ভর করে চলা প্রাণী এদের কোনাে সংক্ষিপ্ত গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন (Goin and Goin, 1971)। এরা উভচর প্রাণী থেকে আবির্ভূত হয়েছে এবং পরিশেষে পাখী ও স্তন্যপায়ী প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়েছে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের উভচর জলজ ও স্থলজ উভয় পরিবেশে বসবাসকারী ৪১ প্রজাতির প্রাণী

বাংলাদেশের উভচর (ইংরেজি: Amphibians of Bangladesh) হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে জলজ ও স্থলজ উভয় পরিবেশে বসবাসকারী ৪১ প্রজাতির প্রাণী। এই ৪১টি প্রজাতির প্রাণীকে Anura এবং Apoda বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশে প্রাপ্ত ১৯৯ প্রজাতির উভচর ও সরীসৃপের তালিকা

বাংলাদেশে উভচর ও সরীসৃপ প্রজাতি হচ্ছে ব্যাঙ, বিভিন্ন ধরনের কচ্ছপ, টিকিটিকি গিরগিটি, বিভিন্ন ধরনের সাপ ও কুমির মিলিয়ে হয় মোট ১৯৯টি প্রজাতি। রোদ্দুরে ডট কম গবেষক, লেখক ও ছাত্রছাত্রীদের প্রজাতিগুলোকে রক্ষা এবং কাজের সুবিধার জন্য এরকম একটি তালিকা প্রকাশ করছে। বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে … Read more

বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদ বা ভেষজ উদ্ভিদের ৭০০ প্রজাতির একটি পরিপূর্ণ তালিকা

বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদ বা ভেষজ উদ্ভিদের একটি পরিপূর্ণ তালিকায় প্রায় ৭০০টিরও বেশি প্রজাতির ঔষধি উদ্ভিদের নাম রয়েছে। এসব ঔষধি উদ্ভিদ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। মানুষ আদিকাল হতে তাদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে আসছে। ভেষজ উদ্ভিদের ব্যবহার সারা বিশ্বে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরো পড়ুন

A full Checklist of the Medicinal Plants of Bangladesh

People are using medicinal plants to treat their different diseases since ancient times. The use of herbal plants is increasing day by day. People are preparing cosmetics including medicines from plants. Bangladesh is no exception to commercial interests on this issues. More than 80 percent of Bangladeshi people live in rural areas. Read More

error: Content is protected !!