উপনিবেশবাদ বিরোধী কৃষক ছাত্র আন্দোলন ও আবদুল হক শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত

আবদুল হকের ১০০তম জন্মবার্ষিকী

“উপনিবেশবাদ বিরোধী কৃষক-ছাত্র আন্দোলন ও কমরেড আবদুল হক” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের নেত্রকোনায়। জাতীয় গনতান্ত্রিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ ও জাতীয় ছাত্রদল নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে কমরেড আবদুল হকের ১০০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই বিশেষ আলোচনা আরো পড়ুন

কমরেড আবদুল হক ছিলেন মার্কসবাদী-লেনিনবাদী সাম্যবাদী বিপ্লবী

কমরেড আবদুল হক

মহান বিপ্লবী কমরেড আবদুল হক এর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) ময়মনসিংহ জেলার আলোচনা সভা ২৫ ডিসেম্বর-২০২০ তারিখে বিকাল ৪ ঘটিকায় ময়মনসিংহের মাসকান্দা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ময়মনসিংহ জেলা মটরযান ওয়ার্কসপ মেকানিক্স ইউনিয়নের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আরো পড়ুন

আনু মুহাম্মদ আত্মশুদ্ধিব্রত পালনকারী ক্ষুদে বুর্জোয়া চিন্তায় আচ্ছন্ন প্রগতিশীল লেখক

আনু মুহাম্মদ (জন্ম: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৬) হচ্ছেন অর্থনীতির অধ্যাপক, একসময় মার্কসবাদপুঁজিবাদ বিশ্লেষণ করে কিছু লেখা লিখেছিলেন। বর্তমানে পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলনের সাথে জড়িত। তাঁর লেখার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের ও বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফুটিয়ে তোলেন। আরো পড়ুন

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল-এর সংগ্রামের বিকলাঙ্গ রূপ

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল বা সংক্ষেপে জামুকা হচ্ছে কমরেড বদরুদ্দীন উমরের সভাপতিত্বে পরিচালিত কয়েকটি সংগঠনের সমাহার। সংগঠনটি তার ঘোষণায় আশু কর্মসূচি এবং সরকার ও সংবিধান উল্লেখ করেছে যাতে ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে। তাঁদের মতে এই ১৮ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে সেই জনগণ দ্বারা যারা “শাসক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সারা দেশে সব রকম কার্যকর পদ্ধতিতে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিচালনা করে চলবে এবং এই সংগ্রামের শীর্ষ পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করবে।”[১] আরো পড়ুন

রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে জাতীয় সনদের প্রস্তাব গণসংহতি আন্দোলনের

বিদ্যমান পরিস্থিতি ও জাতীয় সংকট থেকে উত্তরণে দিকনির্দেশনা সম্বলিত ‘রাজনৈতিক সংকট-সংঘাত উত্তরণে নতুন জাতীয় সনদ’ ঘোষণা করেছে গণসংহতি আন্দোলন। ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বৃহস্পতিবার দুপুরে গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এই সনদ ঘোষণা করা হয় এবং আশা প্রকাশ করা হয় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য তৈরি সম্ভব হবে। বাম গণতান্ত্রিক জোট থেকে … Read more

সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালু করতে হবে: গণসংহতি আন্দোলন

গণসংহতি আন্দোলন সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালু করার দাবি জানিয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বৃহস্পতিবার দুপুরে গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে রাজনৈতিক সংকট সংঘাত উত্তরণে জাতীয় সনদ প্রস্তাব নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করা হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতি ও জাতীয় সংকট থেকে উত্তরণে দিকনির্দেশনা সম্বলিত ‘সংঘাত-সংকট সমাধানে নতুন জাতীয় সনদ’ ঘোষণা করেন গণসংহতি আন্দোলনের … Read more

শিবদাস ঘোষ ছিলেন মার্কসবাদ লেনিনবাদ বিকৃতিকারী এক সংশোধনবাদী সংগঠক

শিবদাস ঘোষ

শিবদাস ঘোষ (১৯২৩—৫ আগস্ট, ১৯৭৬) বিশ শতকের বাংলার বামপন্থী সংশোধনবাদী ধারার রাজনৈতিক নেতা এবং সোস্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অফ ইন্ডিয়া এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের সহজ ব্যাখ্যা টিকা ভাষ্য বিশ্লেষণ প্রদানের কারণে তিনি তার সংগঠন ও কর্মীদের বাইরেও বেশ কিছু মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। আরও পড়ুন

গোত্রভিত্তিক বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের ধারাবাহিক কাজের মূল্যায়ন

সংশোধনবাদ, সুবিধাবাদমতান্ধতাবাদের পারস্পরিক কলহে বিভিন্ন সময়ে টিকে থাকে এবং ভাঙনের কবলে পড়ে বাসদ বা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের অভ্যন্তরে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা বিরাজ করায় কখনোই কোনো কার্যকরী দৃশ্যমান ঐক্য গড়ে উঠেনি। বাসদ তার যাত্রা আরম্ভের শুরু থেকেই ছিল মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদবিরোধী একটি সংগঠন।[১] ফলে এই সংগঠনটি কখনোই পার্টি হিসেবে নিজেকে গঠনের প্রক্রিয়ায় না গিয়ে গোত্রপনার ভাববাদী বিলাসে মত্ত থেকেছে।আরও পড়ুন

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী বাসদ এবং কমিউনিস্টদের জন্য তার ঐতিহাসিক শিক্ষা

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে বাসদ, গঠিত হয় ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর মহান রুশ বিপ্লব দিবসে। শুরুর দিন থেকেই এই সংগঠনটি নিজেদেরকে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। তারপর প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলল। বাসদের ব্যবচ্ছেদ করার সময় এসেছে এবং এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমাদের ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি মূল্যায়ন দাঁড় করানো প্রয়োজন আরো পড়ুন

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০ বা ফোরটুয়েন্টি ধারায় আরো পড়ুন

error: Content is protected !!