সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী শ্রেণিসংগ্রামের লড়াইয়ের পথের পথিকদের আলোকবর্তিকা

সিরাজুল ইসলাম

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (জন্ম: ২৩ জুন, ১৯৩৬) , আমাদের SIC স্যার, ছিলেন আমাদের কালের শ্রেণিসংগ্রামের লড়াইয়ের পথের পথিকদের এক অগ্রগামী আলোকবর্তিকা। তিনি ২০০১ সালের ৩০ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা জীবন থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক, আরো পড়ুন

হাসান ফকরী বাংলাদেশের একজন কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক

হাসান ফকরী

হাসান ফকরী (জন্ম: ৭ অক্টোবর, ১৯৫২) বাংলাদেশের একজন সাম্যবাদী কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। হাসান ফকরীকে আমাদের মতো অনেকেই শ্রদ্ধা করেন। আমার এখন তাকে মাঝে মাঝে মনে পড়ে। তার কথা মনে হলে কিছু কমিউনিস্টের মুখের ছায়া চোখের দিগন্তে ভেসে ওঠে যারা জনগণের জন্য অবিশ্রাম লড়াই করছেন। আরো পড়ুন

মাহমুদুল আমীন খাঁন ছিলেন মার্কসবাদ লেনিনবাদ মাওবাদের লড়াকু সৈনিক

মাহমুদুল আমীন খাঁন

মাহমুদুল আমীন খাঁন (৯ জানুয়ারি ১৯৪৭-২২ জুন ২০১৯) ছিলেন শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, মাওবাদী বিপ্লবী, মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আদর্শে বিশ্বাসী এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এই আদর্শের প্রতি আস্থাশীল। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছিলেন নয়াগণতা‌ন্ত্রিক গণ‌মোর্চার জাতীয় ক‌মিটির সদস্য ও‌ ময়মন‌সিংহ জেলা শাখার সহ-আহ্বায়ক। আরো পড়ুন

আনু মুহাম্মদ আত্মশুদ্ধিব্রত পালনকারী ক্ষুদে বুর্জোয়া চিন্তায় আচ্ছন্ন প্রগতিশীল লেখক

আনু মুহাম্মদ (জন্ম: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৬) হচ্ছেন অর্থনীতির অধ্যাপক, একসময় মার্কসবাদপুঁজিবাদ বিশ্লেষণ করে কিছু লেখা লিখেছিলেন। বর্তমানে পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলনের সাথে জড়িত। তাঁর লেখার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের ও বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফুটিয়ে তোলেন। আরো পড়ুন

জনজীবনের রূপকার শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী

জয়নুল আবেদীন (২৯ ডিসেম্বর, ১৯১৪ – ২৮ মে, ১৯৭৬) ছিলেন বাংলাদেশের জনজীবনের রূপকার এক বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনি ‘শিল্পাচার্য’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে-দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি। ১৯৬৯ সালে গ্রাম বাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন আরো পড়ুন

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশে বিরাজিত লুটপাটের অর্থনীতির লাঠিয়াল

হুমায়ূন আহমেদ

১৯৭১ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পাঁচ প্রতিক্রিয়াশীল জনপ্রিয় লেখকের একজন হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২)। হিমু, মিসির আলীর মতো দায়িত্ব ও কাণ্ডজ্ঞানহীন চরিত্র সৃষ্টি করে তিনি লক্ষ লক্ষ তারুণ্যকে পথভ্রষ্ট করেছিলেন। বাংলাদেশের এক বিশাল সংখ্যার তারুণ্যকে অরাজনৈতিক, দায়িত্বহীন, কাণ্ডজ্ঞানহীন, অবৈজ্ঞানিক, যৌনতাগ্রস্ত, হতাশাগ্রস্ত, অবসাদগ্রস্ত, উন্নাসিক, আত্মভোলা, নিস্ক্রিয়, ব্যধিগ্রস্ত, কর্মবিমুখ ও প্রতিক্রিয়াশীল করতে হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে গত চার দশকে। আরো পড়ুন

সংকীর্ণতাবাদী তসলিমা নাসরিন এবং বাংলাদেশের মুক্তমনাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা

জনগণের শোষণ

তসলিমা নাসরিন ও অন্যান্য সংকীর্ণতাবাদী মুক্তমনারা হচ্ছেন চরম প্রতিক্রিয়াশীল জনগণ গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শত্রু। তারা জনগণের বিপক্ষে থেকে স্নায়ুযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও পুঁজিবাদের সেবাদাসী হিসেবে কাজ করেছেন। জনগণের পশ্চাৎপদ চিন্তার অবস্থান বুঝে এবং তাদেরকে শ্রেণিসংগ্রাম ও বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত না করেই তারা বুলিবাগীশ হিসেবে নিজেদের হাজির করেছেন। আরো পড়ুন

সাম্যবাদী নেতা ভাষাসংগ্রামী আবদুল মতিন জীবন ও যুদ্ধে ছিলেন জনগণের প্রেরণা

কমরেড আবদুল মতিন (৩ ডিসেম্বর, ১৯২৬ – ৮ অক্টোবর, ২০১৪) যিনি ভাষা মতিন নামে সমধিক পরিচিত, ছিলেন শ্রেণিসংগ্রামের রাজনীতির মানুষ। পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির সভাপতি শহীদ কমরেড সিরাজ সিকদার আবদুল মতিনকে বলেছিলেন চে পন্থি। চে যোদ্ধা ছিলেন, রাজনীতিবিদও ছিলেন, ভাষা মতিনও সেরকমই ছিলেন। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!