দাগিলেজা সবুজ বোরা বাংলাদেশের বিপন্ন এবং পৃথিবীতে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত সাপ

ভুমিকা: দাগিলেজা সবুজ বোরা Viperidae পরিবারের Trimeresurus গণের সবুজ বর্ণের আঁইশযুক্ত সরীসৃপ প্রাণী। বর্ণনা: পুরুষ সবুজ বোরা সাপের দৈর্ঘ্য ৫৭.৫ সেমি, লেজের দৈর্ঘ্য ১২ সেমি; স্ত্রী সাপের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ সেমি; লেজের দৈর্ঘ্য ১৬ সেমি (Smith, 1943; Leviton, et al., 2003)। সদ্য পরিস্ফুটিত সাপের দৈর্ঘ্য ২৩-২৬ সেমি (Whitaker and Captain, 2004)। আরো পড়ুন

ট্রিমারেসুরুস ভাইপারিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম

ভূমিকা: ট্রিমারেসুরুস ভাইপারিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে এই গণে মোট ৩২টি প্রজাতি। আরো পড়ুন

সাদাঠোটি সবুজ বোরা সাপ এশিয়ার পাহাড়ি বিষধর সাপ

ভুমিকা: সাদাঠোটি সবুজ বোরা সাপ Viperidae পরিবারের Trimeresurus গণের সবুজ বর্ণের আঁইশযুক্ত সরীসৃপ প্রাণী। বর্ণনা: সাদাঠোটি সবুজ বোরা সাপের দেহ মোটাসোটা, মাথার উপরিভাগে ত্রিকোণাকৃতির চ্যাপ্টা আঁইশ থাকে; তুন্ড। গোলাকার লেজ ছোট, কোনো কিছু আঁকড়ে ধরতে পারে। এদের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য প্রায় ১ মিটার; প্রসবের সময় দৈর্ঘ্য ১২-১৮ সেমি। মাথার শীর্ষ ও দেহ সবুজ রঙের । আরো পড়ুন

পাহাড়ি বোরা এশিয়ার বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অপ্রতুল সাপ

ভুমিকা: পাহাড়ী বোড়া Ovophis গণের অন্তর্ভুক্ত। এই গণের সরীসৃপ দেখতে পিউপিল উলম্ব ও উপবৃত্তাকার, লোরিয়াল পিট উপস্থিত, মাথা ত্রিকোণাকার, প্রথম উপরের ল্যাবিয়াল সঁচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পৃথক থাকে। দেহের মধ্যভাগে আঁইশের সংখ্যা, অঙ্কীয় আঁইশের সংখ্যা ১৯০-এর চেয়ে কম (Leviton et al., 2003)। আরো পড়ুন

ইয়েমেন সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত আফ্রিকার দেশ

ইয়েমেন

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েল একটি শিল্প-কৃষিসমৃদ্ধ দেশ। এর মোট ৪০ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ আরব। তেল আবিব দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেরুসালেমকে সে বেআইনীভাবে তার রাজধানী ঘোষণা করেছে। আরো পড়ুন

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কৃষি প্রধান দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রত্যন্ত দক্ষিণে অবস্থিত। এটি আয়তন (১২ লক্ষাধিক বর্গকিলোমিটার) ও জনসংখ্যা (৩ কোটি) উভয়তই একটি বৃহৎ পুঁজিবাদী দেশ। দেশের রাজধানী প্রিটোরিয়ার জনসংখ্যা ৬ লক্ষ। প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশের ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রটি গঠিত। আরো পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী শিল্পন্নোত দেশ

অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথের অধিকাংশই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ ও উপউষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত। আয়তনের দিক থেকে দেশটি কানাডার প্রায় সমান হলেও এর জনসংখ্যা কানাডার চেয়ে কম। শিল্পোৎপাদনের পরিমাণ হিসাবে পুঁজিবাদী বিশ্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির দশটি দেশের অন্যতম। আরো পড়ুন

কানাডা পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শোষণমূলক লুটেরা গণবিরোধী প্রজাতন্ত্র

কানাডা ও অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথর অন্তর্ভুক্ত। হাজার হাজার কিলোমিটারের ব্যবধান সত্ত্বেও উত্তর গোলার্ধের কানাডা এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ ইতিহাস, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির দিক থেকে বহুলাংশে অভিন্ন। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া এই উভয় দেশই প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং বহিরাগত ইউরোপীয়রাই এগুলির উন্নতি ও জনসংখ্যা গঠন করেছে। আজও দেশদুটি ব্রিটেনের প্রাক্তন উপনিবেশ নিয়ে গঠিত কমনওয়েলথের সদস্য। আরো পড়ুন

জাপান এশিয়ার উন্নত পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী শোষণমূলক গণনিপিড়ক রাষ্ট্র

জাপান প্রাচ্যের উন্নততর পুঁজিবাদী দেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনীতি বহু বছর পিছিয়ে পড়ে এবং পুঁজিবাদী বিশ্বের উৎপাদনে তার অংশভাগ প্রায় চার গুণ হ্রাস পায়। অতঃপর জাপানের অর্থনীতিতে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয় এবং শিল্পোৎপাদনের হারে সে সকল পুঁজিবাদী দেশকে অতিক্রম করে যায়। ১৯৬৯ সালে মোট জাতীয় উৎপাদের পরিমাণের দিক থেকে সে পুঁজিবাদী বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এবং শুধু পশ্চিম জার্মানিকেই নয়, সুইডেন, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইতালিকেও হটিয়ে দেয়। আরো পড়ুন

গ্রিস দক্ষিণপূর্ব ইউরোপে অবস্থিত পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী গণনিপীড়ক শোষণমূলক রাষ্ট্র

বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণে ও অদূরবর্তী দ্বীপগুলিতে অবস্থিত গ্রীস আয়তনের (প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার বর্গকিলোমিটার) দিক থেকে পর্তুগালের চেয়ে বৃহত্তর হলেও জনসংখ্যা (৯০ লক্ষ) ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মানের হিসাবে এর চেয়ে নিম্নপর্যায়ে অবস্থিত। গ্রীস মাক্ষিক, কয়লা, লিগনাইট, অ্যাজবেসটস, নিকেল, টিন, দস্তা, ক্রোমিয়াম, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ আকরিকের সমৃদ্ধ খনির অধিকারী। উষ্ণ ভূমধ্যসাগরধৌত দেশের উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু, কৃষির নিবিড় চাষভিত্তিক শাখা উন্নয়নের বিশেষ অনুকূল। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!