ছোট কাঠগোলাপ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের সাদাটে-হলদে রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট বৃক্ষ

ভূমিকা: ছোট কাঠগোলাপ, গুরু-চম্পা, চম্পা, গুলাচীন (বৈজ্ঞানিক নাম: Plumeria alba, ইংরেজি নাম: Pagoda Tree, White Frangipani, Noseay Tree) হচ্ছে এ্যাসপারাগাসি পরিবারের প্লুমেরিয়া গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ। সাদাটে-হলদে রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। বর্নণা: কাঠগোলাপ ছোট বৃক্ষ। এর পত্র সরল, বৃহৎ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠে রোমশ, পুষ্পবৃন্ত অনূর্ধ্ব ৫.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ২৫-৩০ X ৬৮ সেমি, রৈখিক-আয়তাকার, … Read more

প্লুমেরিয়া হলো এ্যাসপারাগাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম

প্লুমেরিয়া হলো এ্যাসপারাগাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। বাংলাদেশে এই গণের ৩টি প্রজাতি পাওয়া যায় ছোট কাঠগোলাপ, সিঙ্গাপুরি কাঠগোলাপ, পাতি কাঠগোলাপ। বিবরণ: তরুক্ষীরবাহী গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। কাণ্ড সাধারণত প্রশস্ত মজ্জা বিশিষ্ট ফাঁপা, কর্কবৎ। পত্র একান্তর বা সর্পিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাখার শীর্ষে গুচ্ছিত, কক্ষে গ্রন্থিল, সবৃন্তক বা অর্ধ-বৃন্তক। সাইম কাক্ষিক বা প্রান্তীয়, দ্ব্যাগ্র শাখাবিন্যাস, সমভূমঞ্জরী বা থায়ারসিফর্ম। আরো পড়ুন

রজনীগন্ধা বাগানভিত্তিক সহজলভ্য সুগন্ধি ও ভেষজ গুণে ভরা বাণিজ্যিক ফুল

রজনীগন্ধা

ভূমিকা: রজনীগন্ধা (বৈজ্ঞানিক নাম: Polianthes tuberosa, ইংরেজি নাম: টিউব রোজ) Polianthes গণের একটি প্রজাতি। গণটি ভূনিম্নস্থ কন্দাল অংশ সমন্বিত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। নিম্নের পাতা উত্তম বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, শীর্ষের পাতা খর্ব । পুষ্পবিন্যাস সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত শীর্ষীয় মঞ্জরী। পুষ্পপুট ধুতুরাকার, স্থায়ী। পুংকেশর ৬ টি, অন্তর্ভূত। গর্ভাশয় ৩-প্রকোষ্ঠীয়, গর্ভমুণ্ড ৩। ফল ও বীজ কুঞ্চিত। আরো পড়ুন

সবচেয়ে সুগন্ধিযুক্ত মন মাতানো দৃষ্টিনন্দন প্রাণ জুড়ানো আলংকারিক দশটি ফুল

একেক ঋতুতে বিচিত্র ফুল (Flower) ফোটে। ফুল তার রং, গন্ধ, আকৃতির কারনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মানুষের কাছে। ফুল থেকে উদ্ভিদের ফল হয় আর সেই ফল থেকে নতুন উদ্ভিদ। কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা শীর্ষে অথবা পাতার কক্ষে ফুল জন্মায়। ফুল হলও একটি উদ্ভিদের সবচেয়ে দৃষ্টি নন্দন অংশ। সমস্ত সপুষ্পক উদ্ভিদেরই ফুল ফোটে এবং এরা উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। ফুলের মিষ্টি গন্ধ মানুষের মনযোগ আকর্ষন করে। জুঁই, বেলি, গন্ধরাজসহ বিভিন্ন সুগন্ধি ফুল আছে যা আমরা সুগন্ধির জন্য শখ করে লাগিয়ে থাকি। আরো পড়ুন

লোনাপানির কুমির বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন প্রজাতি

ভুমিকা: লোনা পানির কুমির ক্রোকডাইলুস গণে মাংসাশী শিকারি প্রজাতি। এদের লেজ পেশীবহুল। এটি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন। বর্ণনা: লবনাক্ত পানির কুমির Crocodylus porosus পৃথিবীর জীবন্ত সরীসৃপদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কুমিরের দৈর্ঘ্য ৫-৭ মিটার, এর ওজন ৪০০-১০০০ কেজি। স্ত্রী কুমির অনেক ছোট, দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩ মিটার। দেহ অস্থিযুক্ত প্লেট দ্বারা আবৃত থাকে; প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের শীর্ষ কালো, কিছু অংশ ধূসর রঙের এবং flanks কালো দাগ থাকে এবং উদর ক্রীম হলুদ থেকে সাদা রঙের লেজ পার্শ্বীয় ভাবে চাপা, শীর্ষে করাতের ন্যায় দাঁত থাকে এবং ধূরর রঙের। আরো পড়ুন

স্বাদুপানির কুমির বা মিঠা পানির কুমির বাংলাদেশে সংরক্ষিত প্রজাতি

ভুমিকা: স্বাদুপানির কুমির ক্রোকডাইলুস গণে মাংসাশী শিকারি প্রজাতি। এদের লেজ পেশীবহুল। এটি বাংলাদেশে বিলুপ্ত। বর্ণনা: এই কুমিরের তুন্ড প্রশস্ত, মাথার সম্মুখভাগ অবতল, চোখের সামনে কোনো খাজ থাকে না; প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের দৈর্ঘ্য ৩-৫ মিটার। দেহ ধূসর থেকে বাদামী রঙের বা উপরিভাগ গাঢ় জলপাই রঙের, সাধারণত কোনো গাঢ় ব্যান্ড থাকে না, দেহের অঙ্কীয়ভাগ সাদা বা হলদে সাদা, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কুমির হালকা তামাটে বা বাদামী রঙের এবং গাঢ় আড়াআড়ি ব্যান্ড থাকে এবং দেহ ও লেজে কালো দাগ থাকে। আরো পড়ুন

ক্রোকডাইলুস ক্রোকডাইলিডি পরিবারের সরীসৃপের একটি গণের নাম

ভুমিকা: ক্রোকডাইলুস গণে প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই গণের কুমির প্রজাতিটি অন্তর্গত। এই গণে ১৩টি প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় দুটি প্রজাতি একটি মিঠা পানির কুমির অন্যটি নোনা পানির কুমির। আরো পড়ুন

ক্রোকডাইলিডি সরীসৃপের কুমির বর্গের একটি পরিবারের নাম

ভুমিকা: ক্রোকডাইলিডি পরিবারে প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই পরিবারের কুমির প্রজাতিটি অন্তর্গত। এই পরিবারে ১৫টি প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় দুটি প্রজাতি একটি মিঠা পানির কুমির অন্যটি নোনা পানির কুমির। আরো পড়ুন

ক্রোকোডিলিয়া হচ্ছে আধাজলজ মাংসাশী সরীসৃপের বর্গ

ক্রোকোডিলিয়া হচ্ছে সরীসৃপের একটি বর্গের নাম। এই বর্গের প্রাণীরা মাংসাশী শিকারি হয়। এদের লেজ পেশীবহুল। এই বর্গের ৩টি পরিবার আছে যথা এলিগেটর, ঘড়িয়াল এবং কুমির। ক্রোকোডিলিয়া বর্গের অন্তর্ভুক্ত সদস্যগুলো হলো এলিগেটর, কাইমেন, ঘড়িয়াল এবং কুমির। এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে উঠা-নামা করে। গৌণ তালু সম্পূর্ণ গঠিত এবং হৃৎপিন্ড চারকোণা বিশিষ্ট। আরো পড়ুন

পপের লাল ফিতে সবুজ বোরা বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাপ

ভুমিকা: পপের লাল ফিতে সবুজ বোরা Viperidae পরিবারের Trimeresurus গণের সবুজ বর্ণের আঁইশযুক্ত সরীসৃপ প্রাণী। বর্ণনা: লাল ফিতে সবুজ বোরা এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ সেমি তবে দৈর্ঘ্য ১ মিটার বা ১ মিটারের বেশি হতে পারে। দেহের পৃষ্ঠীয়ভাগ সবুজ, আঁইশের মধ্যবর্তী ত্বক নীলাভ। অঙ্কীয়ভাগ ঈষৎ থেকে সাদাটে, দুই উজ্জ্বল রঙযুক্ত দ্বারা পৃথক, কমলা বা বাদামী এবং অঙ্কীয়পার্শ্বীয় দাগ-এর উপরের অংশ সাদা যা সাপের দেহের বহি:আঁইশ সম্পূর্ণ অংশ এবং ২য় সারি আঁইশের অংশ বিশেষ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!