দেশি জাগরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: দেশি জাগরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macaranga indica) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। দেশি জাগরা -এর বর্ণনা : মাঝারি আকারের বৃক্ষ, প্রায় ২০ মিটার উঁচু, ছোট শাখা রোমশ বিহীন, শক্ত বা তরুণ অংশ মরচে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পত্র ডিম্বাকৃতি গোলাকার, ১০-৩০ × ৭- প্রত ২২ সেমি, উপপত্র ১৩ × ৫ … Read more

ভল্লা পাতা জাগরা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: ভল্লা পাতা জাগরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macaranga denticulata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। ভল্লা পাতা জাগরা-এর বর্ণনা : এটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ। এদের শীর্ষদেশ বিস্তৃত, কান্ড বাঁশির ছেদার ন্যায় খাঁজ কাটা, তরুণ বিটপ, পত্র ও মঞ্জরী ক্ষুদ্রঘন কোমল মরচে রোমাবৃত, বাকল ভস্মতুল্য ধূসর, মসৃণ। পত্র ভল্লাকার, আশুপাতী, … Read more

বড় লতা ঢেকিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ফার্ন

ভূমিকা: বড় লতা ঢেকিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lygodium giganteum) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। বড় লতা ঢেকিয়া- এর বর্ণনা: একটি পাকানো ফার্ন। গ্রন্থিকন্দ স্বল্প-লতানো। পাতা ২.৫-৪.৫ সেমি লম্বা, ৩০-৫০ সেমি চওড়া, পত্রকঅক্ষ আড়াআড়ি ১.৫-২.৫ মিমি, পৃষ্ঠীয় তল রোমশ, পত্রকের প্রতি অর্ধেক ১৮-২০ সেমি লম্বা, ১৫-২০ সেমি চওড়া, ত্রিকোণাকার, ত্রি-পক্ষল। প্রধান পত্রকঅক্ষ … Read more

বাঁকানো লতা ঢেকিয়া এশিয়ার ভেষজ লতা

ভূমিকা: বাঁকানো লতা ঢেকিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lygodium flexuosum) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ লতা। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। বাঁকানো লতা ঢেকিয়া-এর বর্ণনা: গ্রন্থিকন্দ স্বল্প-লতানো এবং মূল অথবা রোম দ্বারা ঘনভাবে আবৃত। পত্রদন্ড দুইটি খুব কাছাকাছি, গ্রন্থিকন্দের শীর্ষ গাঢ় বাদামী হতে প্রায় কালো রোম দ্বারা আবৃত। তরুণ পাতা এক অথবা দুইবার দ্ব্যগ্র শাখান্বিত, প্রতিটি শাখা একটি … Read more

লতা পানি লং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ

ভূমিকা: লতা পানি লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia prostrata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। লতা পানি লং-এর বর্ণনা : লতা পানি লং মসৃণ থেকে অর্ধমসৃণ, বর্ষজীবী শাখান্বিত বীরুৎ। ০.১-০.৬ মিটার লম্বা। কান্ড অধিকাংশক্ষেত্রে লালচে আভাবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, ১.০-১.৫ × ০.৮-২.০ সেমি, উপবৃত্তাকার থেকে সরু উপবৃত্তাকার, তীক্ষ্ণাগ্র, মসৃণ এবং শিরা বরাবর … Read more

ধান লং এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বীরুৎ

ভূমিকা: ধান লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia perennis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। ধান লং-এর বর্ণনা: এই প্রজাতি দেখতে খাড়া বা অশাখ বর্ষজীবী বীরুৎ। উচ্চতায় ১ মিটার পর্যন্ত উচু, কচি অংশ অর্ধ মসৃণ থেকে কিঞ্চিৎ অণুরোমাবৃত। পাতা সরল, ২.৫ থেকে ১০.২ সেমি দৈর্ঘ্য ও ০.৩-১.৭ সেমি প্রস্থ, সরু উপবৃত্তাকার থেকে ভল্লাকার, … Read more

পানি লং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: পানি লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia hyssopifolia) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। পানি লং-এর বর্ণনা: এটি শাখান্বিত খাড়া বীরুৎ প্রজাতি। এই প্রজাতির পাদদেশ কাষ্ঠল, লম্বা শাখাসহ ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কখনও ছোট আকারের গুল্ম এবং অনুসর্পী, কান্ড কোণীয় এবং সরু পাখনাবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, ১.০-৮.৫ ০ ০.২-২.৭ সেমি, রৈখিকাকার … Read more

সাদা পানি ঘাস বর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ

ভূমিকা: সাদা পানি ঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Lindernia antipoda) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। সাদা পানি ঘাস-এর বিবরণ: সাদা পানি ঘাস একটি বহুবর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ। যার কাণ্ড খাড়া বা অবনমিত এবং সাধারণত নীচে শিকড়ের গ্রন্থি থাকে। ২০-৩০ সেমি লম্বা, গোড়ায় শাখা-প্রশাখাযুক্ত, লোমহীন। পাতাগুলি উপবৃত্তাকার থেকে উল্টানো-বর্ণাকৃতির বা ডিম্বাকার, ১-২.৫ সেমি … Read more

মাইট্যা কেশরী একটি ভেষজ উদ্ভিদ

মাইট্যা কেশরী

ভূমিকা: মাইট্যা কেশরী (বৈজ্ঞানিক নাম: Limnophila repens) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। মাইট্যা কেশরী-এর বিবরণ: মাইট্যা কেশরী একটি ভেষজ উদ্ভিদ, যা ৪৫ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কান্ড, ফুলের ডাঁটা, পুষ্প মঞ্জুরি লোমশ বা খুব কমই লোমহীন। কান্ড খাড়া, মূলত লতানো, সরল বা শাখাযুক্ত। পাতা বিপরীত, কান্ডহীন, সরু উপবৃত্তাকার, রৈখিক-ভল্লোকাকার, অথবা … Read more

কোরুদ পাম জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ

ভূমিকা: কোরুদ (বৈজ্ঞানিক নাম: Licuala peltata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ পাম জাতীয় উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। কোরুদ-এর বিবরণ: কোরুদ একটি চিরহরিৎ তাল গাছের মতো দেখতে। যা সাধারণত একক কান্ডযুক্ত। যদিও মাঝে মাঝে গোড়া থেকে একাধিক কান্ড গজাতে পারে। এর সরু গুঁড়ি আছে। যার উচ্চতা ১.৫ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, ব্যাসে … Read more

error: Content is protected !!