ঘড়িয়াল বাংলাদেশসহ পৃথিবীর মহাবিপন্ন সরীসৃপ

ঘড়িয়াল (বৈজ্ঞানিক নাম: Gavialis gangeticus ইংরেজি নাম: Gharial বা Gavial) ক্রোকোডিলিয়া বর্গের সরীসৃপের একটি প্রজাতি। বাংলাদেশের সরীসৃপগুলোর যে তালিকা রয়েছে তাতে ঘড়িয়াল এক অনন্য বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রানি। ঘড়িয়াল সম্পর্কে আমার সংগৃহীত তথ্যগুলো আপনাদের জ্ঞাতার্থে পেশ করছি। আমরা কী বাংলাদেশে মহাবিপন্ন এই প্রানিটিকে ফিরিয়ে আনতে পারি না। আরো পড়ুন

গামার গাছ বাংলাদেশ ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের বৃক্ষ

গামার গাছ-এর পরিচিতি: গামার (বোটানিক্যাল নাম Gmelina arborea ) মাঝারি আকারের পত্রহরিৎ বৃক্ষ। ২০-২৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা বিপরীত। ওভেট, একোমিনেট। ৬-১০টি শাখা শিরাযুক্ত। পানের মতো আকৃতির পাতলা। পত্রবোঁটা ২-১২ সেমি লম্বা। বাকল সাদা বা উজ্জ্বল-ধূসর। বসন্ত কালে পাতাহীন ডালে ডালে দেখা যায় গাঢ় হলুদ বরণ ফুল। ফুলের অনেক মিষ্টি গন্ধ, ফুল ৩ থেকে … Read more

কামদেব বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন বৃক্ষ

কামদেব-এর বিবরণ: কামদেব মাঝারি থেকে বড় আকৃতির চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ৪৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি বা কাণ্ড সরল, সোজা, সিলিন্ডাকৃতি এবং বাকল অমসৃণ, বাদামি বা কালো বর্ণের ও বহিরাবরণ লম্বালম্বি খাঁজযুক্ত। বাকল থেকে হলুদাভ কষ পাওয়া যায় যা এরোমেটিক গামে পরিণত হয়। এর ডালপালাগুলো চার-কোণা বিশিষ্ট। এই বৃক্ষের পাতা পুরু, লম্বায় ৬-১২ সেন্টিমিটার, কিনারা … Read more

কন্যারি বাংলাদেশ, ভারত মায়ানমারের বিপন্ন বৃক্ষ

পরিচিতি: কন্যারি ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ৭-৯ মিটার পর্যন্ত হয়। গাছের গুঁড়ি কান্ড সরল সোজা এবং বাকল মসৃণ ও ধূসর বর্ণের। এদের পাতা আয়তাকার, লম্বায় ১০-২৫ সেন্টিমিটার, কিনারা মসৃণ ও আগা সূচালো। পাতার শিরাবিন্যাস স্পষ্টরূপে প্রতীয়মান।  মার্চ-এপ্রিল মাসে পাতার কক্ষে একক বড় আকারের গন্ধরাজ ফুলের মতো সুগন্ধিযুক্ত সাদা বর্ণের ফুল ফোটে। শুকিয়ে যাওয়ার … Read more

দেশি জীবন দক্ষিণ এশিয়ার উপকারি গাছ

পরিচিতি: দেশি জীবন ছোট আকারের চিরসবুজ গাছ। এরা ৮-১০ মিটার পর্যন্ত বড় হয়। এই গাছের বাকল পাতলা। পাতা একান্তর ও সরল। কাঠ নরম ও জ্বালানি উপযোগি। পাখির মাধ্যমে বীজ ছড়ায়। একটি বিস্তৃত সংস্কৃতির অঞ্চলে এটি ভেষজ ঔষধ হিসাবে এই গাছের বিভিন্ন ব্যবহার আছে। পাতা ও ছাল কফ, গলার ক্ষত, হাঁপানি, ব্রংকাইটিস, গনোরিয়া, হলুদ জ্বর, দাঁতব্যথা, … Read more

নোয়ালতা বাংলাদেশে সংরক্ষণ নির্ভর এবং এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার ঔষধি লতা

নোয়ালতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Derris scandens) হচ্ছে বাংলাদেশের মহাবিপন্ন প্রজাতির ফাবাসি পরিবারের একটি সপুষ্পক ভেষজ লতা জাতীয় উদ্ভিদ। এটি পেশি এবং হাড়ের ব্যথার চিকিত্সার জন্য থাইল্যান্ডে ঐতিহ্যগত ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

Derris scandens is critically endengered plant of Bangladesh.

A critically endangered species, Noa Creeper plant (locally called: নোয়ালতা scientific name: Derris scandens) has been founded in the Sonatonpur village, harinakunda, Jhinaidaha, Bangladesh. The local name of the plant is Noalata. No other places of the country have seen this creeper plant. The approximate age of the creeper is 200-250 years. This medicinal plant … Read more

জিঞ্জিরাম নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মেঘালয়ের আন্তঃসীমান্ত নদী

জিঞ্জিরাম নদী (ইংরেজি: Jinjiram River) বাংলাদেশ এবং ভারতের মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুর জেলা এবং ভারতের মেঘালয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১০৭ মিটার এবং গভীরতা ৭ মিটার। আরো পড়ুন

সুরমা নদী বাংলাদেশ ও আসামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

সুরমা নদী (ইংরেজি: Surma River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৪৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১১ মিটার, প্রকৃতি সর্পিলাকার। নদীটি বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার জকিগঞ্জ, কানাইহাট, বিয়ানীবাজার, গোপালগঞ্জ, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ, ছাতক, কোম্পানিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর, জামালগঞ্জ ও ধরমপাশা উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহমান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক সুরমা … Read more

ধলা নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

ধলা নদী (ইংরেজি: Dhala River): ধলা নদীটি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের এবং বাংলাদেশের সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১৫৮ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক ধলা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৩৫। … Read more

error: Content is protected !!