মার্কসবাদী যুদ্ধতত্ত্ব যুদ্ধের কারণকে আপাত-আধা-অর্থনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করে

যুদ্ধ

যুদ্ধের মার্কসবাদী তত্ত্বটি (ইংরেজি: The Marxist theory of war) যুদ্ধের কারণকে আপাত-আধা-অর্থনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করে। এই তত্ত্ব বলে যে সমস্ত আধুনিক যুদ্ধ বড় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মধ্যে সম্পদ এবং বাজারের জন্য প্রতিযোগিতার কারণে ঘটেছিল; এবং এই মার্কসবাদী তত্ত্ব আরো দাবি করে যে এই যুদ্ধগুলি মুক্তবাজার এবং শ্রেণিব্যবস্থার একটি প্রাকৃতিক ফলাফল। আরো পড়ুন

বাঙালির যুদ্ধচিন্তা হচ্ছে বঙ্গ অঞ্চলের জনগণের নিজ সম্পদ রক্ষার সাধারণ লড়াই

বাঙালির যুদ্ধ সংক্রান্ত চিন্তা হচ্ছে বঙ্গ অঞ্চলের জনগণের নিজ সম্পদ রক্ষার সাধারণ লড়াই এবং এই লড়াইয়ের সংগে লেখক-বুদ্ধিজীবীদের যোগ সামান্যই ঘটেছে। বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। … Read more

রাজনৈতিক যুদ্ধ তৎপরতা হচ্ছে প্রতিপক্ষকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক উপায়ের ব্যবহার

রাজনৈতিক বিগ্রহ বা বৈরীমূলক রাজনৈতিক তৎপরতা (ইংরেজি: Political Warfare) হচ্ছে শত্রুতাপরায়ণ ইচ্ছার উপর ভিত্তি করে প্রতিপক্ষকে কারো নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী কিছু করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক উপায়ের ব্যবহার। রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত শব্দটি অন্য একটি রাষ্ট্রের সরকার, সামরিক এবং / বা সাধারণ জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে আরো পড়ুন

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হচ্ছে ইউরোপে ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী বিশ্বযুদ্ধ

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালীন ব্যবহৃত অস্ত্র

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা বিশ্ব যুদ্ধ প্রথম বা মহাযুদ্ধ বা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ (প্রায়শই ইংরেজিতে: First World War বা সংক্ষিপ্তরূপে WWI বা WW1), হচ্ছে ইউরোপে সংঘটিত একটি বিশ্বযুদ্ধ যা ২৮ জুলাই ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এই মহাযুদ্ধ ৬ কোটি ইউরোপীয়সহ ৭ কোটিরও বেশি সামরিক কর্মীকে একত্রিত করেছিল যা এটিকে তৎকালীন সময়ে ইতিহাসের বৃহত্তম যুদ্ধ হিসাবে পরিণত করেছিল। আরো পড়ুন

অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ

অ্যান্টার্কটিকা (ইংরেজি: Antarctica) বা কুমেরু হচ্ছে পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ। এখানে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে। অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত এবং অ্যান্টার্কটিক চক্রের প্রায় পুরো দক্ষিণে অবস্থিত। এই মহাদেশ দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে। অ্যান্টার্কটিকার আকার ১৪,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার বা ৫,৫০০,০০০ বর্গমাইল এবং এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রায় দ্বিগুণ আকারের। এই মহাদেশে প্রতি … Read more

অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর দক্ষিণ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ (ইংরেজি: Continent of Australia) অস্ট্রেলিয়ার মহাদেশীয় প্লেটের স্থলভূমিব্যাপী গঠিত পৃথিবীর দক্ষিণ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত। কখনও কখনও এটিকে অস্ট্রেলিয়া রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার জন্য সাহুল, অস্ট্রেলিনিয়া বা মেগনেসিয়া নামে পরিভাষাগত প্রসঙ্গে পরিচয় করানো হয়। এই মহাদেশের মধ্যে রয়েছে মূল ভূখণ্ড অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া এবং নিউ গিনি দ্বীপ; নিউ গিনি আবার পাপুয়া নিউ গিনি এবং দুটি ইন্দোনেশিয়ান প্রদেশ সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। আরো পড়ুন

দক্ষিণ আমেরিকা পশ্চিম গোলার্ধ, উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ

দক্ষিণ আমেরিকা

দক্ষিণ আমেরিকা (ইংরেজি: South America) পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত পৃথিবীর একটি মহাদেশ। উত্তর গোলার্ধের তুলনামূলকভাবে ছোট অংশসহ এই মহাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। আমেরিকার স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ ভাষী অঞ্চলে এটিকে কীভাবে দেখা হয় তার ভিত্তিতে, এটি উভয় আমেরিকার উপমহাদেশ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। বিশেষত ব্রাজিলের উত্থানের ফলশ্রুতিতে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনশীলতার কারণে অন্যান্য অঞ্চলের পরিবর্তে দক্ষিণ আমেরিকা … Read more

উত্তর আমেরিকা সম্পূর্ণরূপে উত্তর গোলার্ধ এবং প্রায় অংশই পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত একটি মহাদেশ

উত্তর আমেরিকা

উত্তর আমেরিকা (ইংরেজি: North America) সম্পূর্ণরূপে উত্তর গোলার্ধে এবং প্রায় সবটুকুই পশ্চিম গোলার্ধের মধ্যে অবস্থিত পৃথিবীর একটি মহাদেশ। এটিকে কেউ কেউ আমেরিকার উত্তর উপমহাদেশ হিসাবেও বিবেচনা করে। এর উত্তরে সুমেরু মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিমে এবং দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত। আরো পড়ুন

আফ্রিকা উত্তর-দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত আকারে ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ

আফ্রিকা মহাদেশ

আফ্রিকা (ইংরেজি: Africa) উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত আকারে ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। আফ্রিকা মহাদেশ আয়তনে ইউরােপের তিন গুণ, কিন্তু এর জনসংখ্যা ইউরােপের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ কম। স্মরণ করা যেতে পারে যে, আফ্রিকা ঔপনিবেশিকতার জোয়ালে বাঁধা পড়ার আগে এর জনসংখ্যা ইউরােপের চেয়ে বেশি ছিলো। আরো পড়ুন

এশিয়া পূর্ব এবং উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত পৃথিবীর একটি মহাদেশ

এশিয়া

এশিয়া (ইংরেজি: Asia) পৃথিবীর বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ, প্রধানত পূর্ব এবং উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যাপ্ত এশিয়া মহাদেশের জনসংখ্যা ২০১৭ সালে ছিলো প্রায় ৪৪৬ কোটি ২৭লক্ষ, অর্থাৎ পৃথিবীর মােট জনসংখ্যার ষাট শতাংশ। ১৯৮০ সালে এশিয়ার মোট জনসংখ্যা ছিলো ২৬৩ কোটি। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!