লাল বাকলী সজনে: পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও চাষাবাদ পদ্ধতি

জংলি সজনে (Moringa concanensis) —যা অনেকের কাছে জংলি সজনা বা লাল বাকালি সজনে নামেও পরিচিত—মোরিঙ্গেসি (Moringaceae) পরিবারের মোরিঙ্গা গণের একটি অসাধারণ বৃক্ষ। এটি সাধারণত ছোট আকৃতির হয়ে থাকে। এই গাছটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর ফুল ও ফল ধরার জন্য কোনো নির্দিষ্ট মৌসুমের প্রয়োজন হয় না; বরং সারা বছরই এটি ফুল ও ফলে সুশোভিত থাকে। … Read more

তুঁত পৃথিবীর নাতিশীতোষ্ণ এবং উষ্ণমণ্ডলের দেশসমূহের বৃক্ষ

[otw_shortcode_info_box border_type=”bordered” border_color_class=”otw-red-border” border_style=”bordered” shadow=”shadow-inner” rounded_corners=”rounded-10″]বৈজ্ঞানিক নাম: Morus alba L., Sp. Pl. 2: 986 (1753). সমনাম: Morus indica L. (1753), Morus atropurpurea Roxb. (1832), Morus morettiana Jacq. ex Burr. (1873). ইংরেজি নাম: Mulberry, White Mulberry. স্থানীয় নাম: তুঁত, তুত। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Rosales পরিবার: Moraceae গণ: Morus … Read more

গঙ্গা নদী বাংলাদেশ ভারতের অন্যতম আন্তঃসীমান্ত নদী

গঙ্গা বা পদ্মা নামের বহুল পরিচিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ নদী বাংলাদেশের অন্যতম আন্তঃসীমান্ত নদী হিসেবে পরিচিত। নদীটি ভারত ও বাংলাদেশের প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নদী হিসেবে খ্যাত। মুখ্যত এই নদীর অববাহিকাতেই এ অঞ্চলের আদি সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিল। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ২৫২৫ কিলোমিটার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক গঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর … Read more

তরমুজ বা খরমুজা উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ দেশসমূহের বাণিজ্যিক ফল

ভূমিকা: তরমুজ বা তরমুজা বা খরমুজ বা খরমুজা (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrullus lanatus) হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের সিট্রালাস গণের একটি বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। বিবরণ: এদের কান্ড কোণাকার, অতিরোমশ। আকর্ষ অণুরোমশ ২-খন্ডিত। এদের পাতা ডিম্বাকার, তাম্বুলাকার, ৮-২০ x ৫-১৫ সেমি, ত্রিকোণাকার, অমসৃণ, গভীর ভাবে ৩ খন্ডিত, খন্ড পক্ষবৎ খন্ডিত, ডিম্বাকার, দীর্ঘায়ত, ভল্লাকার বা রৈখিক, শীর্ষ খন্ড … Read more

ইন্দ্রায়ন বা মাকাল ফল হচ্ছে আফ্রিকা ও এশিয়ার লতানো উদ্ভিদ

ভূমিকা: ইন্দ্রায়ন বা মাকাল ফল (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrullus colocynthis) হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের সিট্রালাস গণের একটি বহুবর্ষজীবী আরোহী সপুষ্পক বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম: Citrullus colocynthis (L.) Schrad. Linnaea 12: 414 (1838). সমনাম: Cucumis colocynthis L. (1753), Colocynthis vulgaris Schrad. (1950). ইংরেজি নাম: Bitter Apple, Wild Watermelon, Colocynth. স্থানীয় নাম: ইন্দ্রায়ন, মাকাল। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস … Read more

সিট্রালাস হচ্ছে কিউকারবিটাসি বা শসা লাউ পরিবারের একটি গণের নাম

সিট্রালাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Citrullus) হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের একটি গণের নাম। এরা বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। এদের পাতা গোলাকার বা ত্রিকোণাকার পুষ্প সহবাসী বা ভিন্নবাসী। এদের বৃতিনল ঘন্টাকার, ৫ খন্ডিত, দলমন্ডল ৫ ভাগে বিভক্ত … আরো পড়ুন

মালা আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়ার কিউকারবিটাসি পরিবারের লতানো উদ্ভিদ

ভূমিকা: মালা হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের সায়াপোনিয়া গণের একটি বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। বিবরণ: মালা লতার কান্ড সরু, প্রলম্বিত। আকর্ষ দ্বিখন্ডিত। পত্র গভীরভাবে করতালাকারে ৫ খন্ডিত, ৮-১২ সেমি লম্বা এবং অনুরুপ পরিমাপ বিশিষ্ট চওড়া। উপরের পৃষ্ঠ অমসৃণ, নীচের পৃষ্ঠ মসৃণ, প্রান্ত দপ্তর বা তরঙ্গিত বা অর্ধ সভঙ্গ, বৃন্ত ৩-৬ সেমি লম্বা। উদ্ভিদ সহবাসী। পুংপুষ্প: মঞ্জরীদন্ড … Read more

প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি মুকিয়া গণ ও আমাদের আগমুখি লতা

উদ্ভিদ জগতের বৈচিত্র্যের শেষ নেই। আমাদের চারপাশের লতাগুল্মের মধ্যে কিউকারবিটাসি (Cucurbitaceae) বা শসা-লাউ পরিবারের একটি বিশেষ গণের নাম হলো মুকিয়া (Mukia)। আজ আমরা এই উদ্ভিদটির গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে এর উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। শারীরিক গঠন ও লতা মুকিয়া মূলত একটি বহুবর্ষজীবী আরোহী লতা। এর লতাগুলোর নিচের অংশ বা মূলীয় দিকটি বেশ কাষ্ঠল প্রকৃতির হয়। এর পাতাগুলো ৩ থেকে ৭টি … Read more

ঘি করলা বা ভাত করলা দক্ষিণ এশিয়া ও মায়ানমার অঞ্চলের সবজি

মমরডিকা

ঘি করলা বা ধারকরোলা বা ভাতকরলা বা ভাদ করলা বা ভাদ কইল্লা হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের মমরডিকা গণের একটি বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। ঘি করলার মূল কন্দাল । কান্ড সরু, খাঁজযুক্ত, রোমশ বিহীন। আকর্ষ সূত্রাকার সরল। পত্র ডিম্বাকার-তাম্বুলাকার, ঝিল্লিযুক্ত, ৫-১২ x ৩-৮ সেমি, মসৃণ, অখন্ড বা বিভিন্নভাবে খন্ডিত, তরঙ্গিত বা সামান্য দন্তুর, বৃন্ত সরু, গ্রন্থিযুক্ত। উদ্ভিদ ভিন্নবাসী। আরো পড়ুন

করতোয়া নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

করতোয়া নদী (ইংরেজি: Kartoa River) বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১৮৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৩৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক করতোয়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১৩।[১] এটি প্রধানত রাজশাহী বিভাগের … Read more

error: Content is protected !!