যব নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ভেষজ গুণসম্পন্ন খাদ্যশস্য
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায়। বিভিন্ন আবহাওয়ায় আবাদ হয়, কখনো জমির চারপাশে স্বল্প সময়ের জন্য টিকে থাকে। বীজ থেকে চারা জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ কাল জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস।আরো পড়ুন
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায়। বিভিন্ন আবহাওয়ায় আবাদ হয়, কখনো জমির চারপাশে স্বল্প সময়ের জন্য টিকে থাকে। বীজ থেকে চারা জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ কাল জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস।আরো পড়ুন
অরন্যতল আশ্রয়ী উদ্ভিদ রূপে চিরহরিৎ ও পর্ণমোচী উভয় প্রকার বনাঞ্চলেই জন্মে। উচ্চ বৃষ্টিপাত সমৃদ্ধ বনাঞ্চলের পাহাড়ী ঢলের কিনারায় ও এটি জন্মায়। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল এপ্রিল-অক্টোবর।
শস্য ক্ষেত, সমুদ্রতট এবং আর্দ অনাবাদী জমির ধারে অযত্নেই জন্মায়। ভীমরাজ চাষাবাদের দরকার হয় না। আগাছার মতো জন্মায়। এদের ফুল ও ফল ধারণ ফেব্রুয়ারি থেকে আগষ্ট মাস। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা।আরো পড়ুন
ঋজু কান্ড, অশাখ বা প্রচুর শাখান্বিত, গুল্মবৎ বা বৃক্ষ সদৃশ, প্রায় ৪ মিটার উঁচু। কান্ড ফাঁপা, মূলীয় অংশ কাষ্ঠল, তরুণ বিটপ মোমসদৃশ পাউডার দ্বারা আবৃত। পত্র সোপপত্রিক, উপপত্র ডিম্বাকার, ১.৫ সেমি লম্বা, আরো পড়ুন
শিরিষ (বৈজ্ঞানিক নাম: Albizia lebbeck, ইংরেজি নাম: Siris Tree, Koko…) হচ্ছে গ্রীষ্ম প্রধান দেশের ভেষজ বৃক্ষ। পথের ধারে, উদ্যানে, অফিস-আদালতে শোভা বর্ধনের জন্য এই গাছ লাগানো হয়।আরো পড়ুন
মিঠা পানির পুকুর, হ্রদ এবং বিল ইত্যাদি স্থানে জন্মে। তবে অনেকেই শখের বসে বাড়ির ছাদের পদ্ম চাষ করে থাকে। এছাড়া বাড়ির বাগানেও ছোট জলাশয়েও পদ্ম জন্মমে। ফুল ও ফল ধারণ এপ্রিল-অক্টোবর। পদ্মের বংশ বিস্তার হয় রাইজোম দ্বারা।আরো পড়ুন
বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। কান্ড সরু শাখান্বিত, অতিরিক্ত আরোহী। আকর্ষ সরু, খাটো, ২-৪ খন্ডিত। পত্র তাম্বুলাকার, দীর্ঘায়ত বা ডিম্বাকার, ৫-১০ x ৪-৮ সেমি, সূক্ষ্মাগ্র, দপ্তর, দৃঢ়, আরো পড়ুন
বৃহৎ বল্লী, দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর যুক্ত, নিম্নাংশ কাষ্ঠল। ঘন সাদা বা হলুদ রোমশ বা ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। এ পত্র ৮-১৭ X ৭-১৭ সেমি, ডিম্বাকার থেকে বর্তুলাকার, মূলীয় অংশ হৎপিণ্ডাকার, স্থুলাগ্র থেকে সূক্ষ্মাগ্র,আরো পড়ুন
বীজতাড়ক একটি বৃক্ষাশ্রয়ী বহুবর্ষজীবী এবং বহুদূর ব্যাপী বিস্তৃত লতা। কাণ্ড শক্ত, সাদা পশমের মতো নরম রোমাকৃত। প্রশাখা মোটা, শ্বেতবর্ণ এবং শক্ত লোমাবৃত। পাতা ডিম্বাকৃতি, দেখতে প্রশস্ত পানের মতো, দৈর্ঘ্যের চেয়ে বিস্তারে।আরো পড়ুন
বড়নল বা মহানল অত্যধিক মধুর, বীর্যবর্ধক ও অল্প কষায় রসযুক্ত। বড়নল নল অপেক্ষা অধিক বীর্যশালী এবং পারদ সংস্কারের কাজে লাগে।মূলের ক্বাথ- ঘর্মস্রাবক, মূত্রকারক; আর্তবজনন, শোথহর এবং স্তনহ্রসকারক। আরো পড়ুন