আবদুল গাফফার খান ছিলেন পাখতুনিস্তান আন্দোলনের নেতা

খান আব্দুল গফফার খান বা ফখর-ই-আফগান (ইংরেজি: Abdul Gaffar Khan) ছিলেন পাখতুনিস্তান আন্দোলনের নেতা এবং তিনি ঔপনিবেশিক ভারতে ব্রিটিশ রাজের শাসনের অবসান ঘটাতে কাজ করেছিলেন। আফগানিস্তানের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকার অধিবাসী। উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলনকালে গান্ধীর অহিংস নীতির অনুসারী বলে ‘সীমান্ত গান্ধী’ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। পুশতুভাষী এই অঞ্চলের অধিবাসীগণ নিজেদের একটি বিশিষ্ট জাতি বলে বিবেচনা করে। আরো পড়ুন

মূর্ত এবং বিমূর্ত হচ্ছে বস্তুবাদী দর্শনের আলোচ্য বিষয়

যুক্তিবিদ্যায় যে পদ দ্বারা বস্তু-নিরপেক্ষভাবে কোনো গুণ বুঝায় তেমন পদকে গুণবাচক বা এ্যাবসট্রাক্ট পদ (ইংরেজি: Abstract) বলে। যথা, মনুষ্যত্ব, দয়া, অন্ধত্ব। অপর পক্ষে যে পদ দ্বারা কোনো বস্তু বুঝায় তাকে বস্তুবাচক পদ বা কনক্রিট টার্ম (ইংরেজি: Concrete) বলে। যথা, গাছ, রহিম, ঢাকা শহর ইত্যাদি। দর্শনে যা ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য নয় তাকে বিমূর্ত এবং যা ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য তাকে মূর্ত বলা হয়। আরো পড়ুন

নিরঙ্কুশ শাসন বলতে শাসনের অবাধ ক্ষমতা বুঝায়

শাসনের অবাধ ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ (ইংরেজি: Absolutism) শাসন বলা হয়। নিরঙ্কুশ শাসনে জনসাধারণ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারে কোনোরূপ অংশগ্রহণ করার অধিকার ভোগ করে না। নিরঙ্কুশ শাসনের বিপরীত হলো গণতান্ত্রিক শাসন। গণতান্ত্রিক শাসন-পদ্ধতিতে কোনো এক ব্যক্তি বা সম্রাট শাসনের একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে না। আরো পড়ুন

নিরপেক্ষ পদ এবং সাপেক্ষ কাকে বলে

যুক্তিবিদ্যায় যে পদ অপর কোনো পদের উপর নির্ভরশীল নয় তাকে নিরপেক্ষ পদ (ইংরেজি: Absolute) বলে। যেমন- মানুষ, পানি, মাটি। অপরদিকে যে পদের অর্থ অপর কোনো পদের উপর নির্ভরশীল তাকে রিলেটিভ আ আপেক্ষিক পদ (ইংরেজি: Relative) বলে। যেমন- ছাত্র কিংবা শিক্ষক ছাত্র-শিক্ষককে যুক্তভাবে পরস্পর নির্ভরশীল পদ বা ‘কোরিলেটিভ টার্মস’ বলে। আরো পড়ুন

পরম বা চরম সত্তা হচ্ছে ভাববাদী দর্শনে মৌলিক ধারণা

ভাববাদী দর্শনে ‘পরম সত্তা’ (ইংরেজি: Absolute) একটি মৌলিক ধারণা। এই দর্শনের ব্যাখ্যানুযায়ী পরম সত্তা হচ্ছে চরম সম্পূর্ণ এক অস্তিত্ব। সমস্ত খণ্ড অস্তিত্ব পরম সত্তার প্রকাশ। কিন্তু কোনো খণ্ড অস্তিত্ব আপন শক্তিতে পরম সত্তার কোনো হানি বা অপূর্ণতা ঘটাতে পারে না। পরম সত্তা স্বয়ংসম্পূর্ণ। খণ্ড অস্তিত্বের সাধারণ সম্মেলনও পরম সত্তার সৃষ্টি নয়। পরম সত্তা সমস্ত সৃষ্টির মূল শক্তি। আরো পড়ুন

পিয়ারে আবেলার্দ ছিলেন ফরাসি দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ

পিয়ারে আবেলার্দ (Pierre Abelard; ১০৭৯-১১৪২ খ্রি.) ছিলেন একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীর ফরাসি দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ। ‘ইউনিভার্সাল’ বা অনন্য-নির্ভর ভাবের অস্তিত্বের প্রশ্নে আবেলার্দ মন-নির্ভর ভাবের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। যুগের পরিপ্রেক্ষিতে আবেলার্দের মন-নির্ভর ভাবের মতবাদ ভাবাদর্শের অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি প্রগতিশীল ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়েছিল। আরো পড়ুন

বন্ধু নিরধনিয়ার ধন, কেমনে পাইমুরে কালা তোর দরিশন — আরকুম শাহ

লোকসংগীত

চাইর চিজে পিঞ্জিরা বানাই, মোরে কইলায় বন্ধু, বন্ধু নিরধনিয়ার ধন, কেমনে পাইমু রে কালা তোর দরিশন।। সমুদ্দুরের জল উঠে বাতাসের জোরে, আবর হইয়া ঘুরে পবনের ভরে, জমিনে পড়িয়া শেষে সমুদ্দুরে যায়, আর জাতেতে মিশিয়া জাতে তরঙ্গ খেলায়।। তুমি আমি আমি তুমি জানিয়াছি মনে, বিচিতে জন্মিয়া গাছ বিচি ধরে কেনে, এক হইতে দুই হইল প্রেমেরই কারণ, সেই অবধি আশিকের দিল করে উচাটন।। আরো পড়ুন

প্রুধোঁ প্রসঙ্গে

লন্ডন, ২৪ জানুয়ারি ১৮৬৫, প্রিয় মহাশয়। গতকাল আমি একটি চিঠি পেয়েছি, তাতে প্রুধোঁ সম্বন্ধে আমার কাছ থেকে একটি বিস্তারিত অভিমত আপনি চেয়েছেন। আপনার ইচ্ছা পূরণের অন্তরায় হয়েছে আমার সময় অভাব। উপরন্তু তাঁর কোনো রচনাও আমার কাছে নেই। যাই হোক, আপনাকে আমার সম্প্রীতি জানাবার জন্য তাড়াতাড়ি একটা সংক্ষিপ্ত খসড়া খাড়া করেছি। আরো পড়ুন

জন ব্রাউনের দেহ শুয়ে সমাধি তলে, তাঁর আত্মা বহ্নিমান, শহিদের জয় জয় গান

জন ব্রাউনের দেহ শুয়ে সমাধি তলে, তাঁর আত্মা বহ্নিমান হচ্ছে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গণসংগীত। গানটি মাঝারি আকারের ১৬লাইনের একটি গান। গানটি সুর করেছিলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাস নিজেই এবং তিনিই গেয়েছিলেন। গানটি হেমাঙ্গ বিশ্বাসের একটি জনপ্রিয় গণসংগীত । আরো পড়ুন

ঘরে না, বাইরে না

এক পক্ষে/ তিন লক্ষ অক্ষৌহিণী/ নারায়ণী সেনা—/ প্রত্যেকে দুর্ধর্ষ যোদ্ধা/ সংশপ্তক/ ভয় কাকে বলে তা জানে না।/ যে জন্যেই হোক/ ( এরাও কৃষ্ণেরই জীব ! )/ প্রাণ দেয় হেলায়।/ দ্বারকায় বসে দুর্যোধন/ চেটে নেয় জিভ –/ আজ তার প্রাণে বড় সুখ।/ অন্য পক্ষে/ নিরস্ত্র একাকী/ যুদ্ধপরাঙ্মুখ।/ শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং।/ ভূ-ভারতে একালে কেবা কী।/ তাকালেই বোঝা যাবে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!