চৈত্র দিনের ঝরা পাতার পথে দিনগুলি মোর কোথায় গেল বেলা শেষের শেষ আলোকের রথে

চৈত্র দিনের ঝরা পাতার পথে, দিনগুলি মোর কোথায় গেল, বেলা-শেষের শেষ আলোকের রথে।। নিয়ে গেল কতই আলো কতই ছায়া, নিল কানে-কানে-ডাকা নামের মনে-মনে-রাখা মায়া, নিয়ে গেল বসন্ত সে, আমার ভাঙা কুঞ্জশাখা হতে।। আরো পড়ুন

তুমি যে গিয়াছ বকুল-বিছানো পথে

তুমি যে গিয়াছ বকুল-বিছানো পথে। নিয়ে গেছ হায় একটি কুসুম আমার কবরী হতে। নিয়ে গেছ হিয়া কী নামে ডাকিয়া নয়নে নয়ন দিয়া আমি যেন হায় ফেলে-যাওয়া-মালা কূলহারা নদীস্রোতে।   খেলাঘরে কবে ধূলির খেলায় দু’টি হিয়া ছিল বাঁধা আমার বীণাটি তোমার বাঁশিটি একসুরে ছিল সাধা। সে খেলা ফুরালো, সে সুর মিলালো, নিভিলো কনক আলো; দিয়ে গেছ … Read more

দুঃখে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার দুঃখ কি রে? হাসবি তোরা, বাঁচবি তোরা,

অজয় ভট্টাচার্য

দুঃখে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার দুঃখ কি রে? হাসবি তোরা, বাঁচবি তোরা, মরণ যদি আসেই ঘিরে। অন্ধকারের শিশু তোরা আলোর তৃষায় মিছে ঘোরা, আপন হৃদয় জ্বালিয়ে দিয়ে জ্বালবি সবার প্রদীপটিরে।। তোদের প্রাণে বন্দি হয়ে কাঁদে ভুখা ভগবান। মুখে তবু খেলার বাঁশি যখন বুকে রয় পাষাণ। আরো পড়ুন

মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে

মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙ্গে রঙ্গে ছবি আঁকে। মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে যায় মনে পড়ে যায় সেই প্রথম দেখার স্মৃতি মনে পড়ে যায় সেই হৃদয় দেবার তিথি দুজনার দুটি পথ মিশে গেল এক হয়ে নতুন পথের বাঁকে।। সে এক নতুন দেশে দিনগুলি ছিল যে মুখর … Read more

এ পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো, যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়

এ পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো হচ্ছে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটি মাঝারি আকারের ১৭ লাইনের একটি বাংলা প্রেমের গান। গানটি সুর করেছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং গানটি যৌথভাবে প্রথম রেকর্ডিংয়ে ১৯৬১ সালে গেয়েছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। আরো পড়ুন

এই রাত তোমার আমার

এই রাত তোমার আমার ওই চাঁদ তোমার আমার, শুধু দুজনের এই রাত শুধু যে গানের এই ক্ষণও এ দুটি প্রাণের কুহু কুজনের এই রাত তোমার আমার….।। তুমি আছো আমি আছি তাই, অনুভবে তোমারে যে পাই, শুধু দুজনের এই রাত তোমার আমার।।

দিলীপকুমার রায় বিখ্যাত গীতিকার, সঙ্গীতালোচক, সুরকার ও গায়ক

দিলীপকুমার রায়

দিলীপকুমার রায় (জানুয়ারি ২২, ১৮৯৭ – জানুয়ারি ৬, ১৯৮০) বিখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ, সঙ্গীতালোচক, গীতরচয়িতা, সুরকার ও গায়ক। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯৭ সালে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে। পিতা প্রখ্যাত কবি নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, পিতামহ দেওয়ান কার্তিকেয় চন্দ্র রায়। পিতামহ ছিলেন প্রখ্যাত কালোয়াত, পিতা ছিলেন গীতকার, সুরকার ও গায়ক। এক কথায় বলতে গেলে গানের ঝর্ণাতলায় দিলীপকুমারের জন্ম ও বিকাশ। আরো পড়ুন

নিশিকান্ত রায়চৌধুরী আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার

নিশিকান্ত রায়চৌধুরী

নিশিকান্ত রায়চৌধুরী বা নিশিকান্ত (২৩ এপ্রিল ১৯০৯ – ২০ মে ১৯৭৩) ছিলেন আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার। ছোটবেলা কাটে রবীন্দ্রসান্নিধ্যে শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রমে। শৈশব থেকেই কাব্য প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। ধ্বনিময় ছন্দোবহুল তার গান রবীন্দ্রসান্নিধ্যে থেকেও ভিন্নরকম। আরো পড়ুন

আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে

আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে, সাত সাগর আর তের নদীর পারে, ময়ূর পঙ্খী ভিড়িয়ে দিয়ে সেথা, দেখে এলেম তারে, সাত সাগরের পারে।। সে এক রূপ কথারই দেশ, ফাগুন সেথা হয় না কভু শেষ আরো পড়ুন

আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে পান্থপাখির কুজন কাকলি ঘিরে

আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে পান্থপাখির কুজন কাকলি ঘিরে হচ্ছে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটি মাঝারি আকারের ১৭ লাইনের একটি বাংলা প্রেমের গান। গানটি সুর করেছিলেন নচিকেতা ঘোষ এবং গানটি প্রথম রেকর্ডিংয়ে গেয়েছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। গানটি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের একটি উত্তীর্ণ গীতিকবিতা। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের এই গানটিতে আধুনিক বাংলা প্রেমের গানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটে … Read more

error: Content is protected !!