মোহিনী চৌধুরী ছিলেন আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার, কবি ও চিত্র পরিচালক

মোহিনী চৌধুরী খ্যাতনামা বাঙালি কবি, গীতিকার ও চিত্র পরিচালক। জন্মেছিলেন ১৯২০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার ডহরপাড়া গ্রামে। শৈশব কৈশোর কেটেছে উত্তর কলকাতায়। রিপন কলেজ থেকে ইংরাজি সাহিত্যের সাম্মানিক স্নাতক। ‘কালস্রোত’, ‘অনুষ্টুপ ছন্দ’, ‘রাজদ্রোহী’, ‘নায়িকা সংবাদ’, ‘শুকসারী’ প্রভৃতি ছবির জন্য গান লিখলেন। আরো পড়ুন

আলবের্তো কোর্দা এবং চে গ্যেভারা হচ্ছেন কিউবার বিপ্লবী

আলবের্তো কোর্দার পূর্বনাম Alberto Díaz Gutiérrez, কিন্তু তিনি সারা দুনিয়ায় কর্দা নামেও পরিচিত। তিনি জন্মেছিলেন ১৯২৮ সালের সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখে কিউবার হাভানায় এবং মারা যান ২০০১ সালের মের ২৫ তারিখ ফ্রান্সের প্যারিসে। তার বিখ্যাত এই ছবিটির নাম গেরিলেরো হেরোইকো আরো পড়ুন

অনল চট্টোপাধ্যায় বাংলা গণসংগীতের এক প্রখাত গীতিকার

অনল চট্টোপাধ্যায় বাংলা গানের একজন গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। সাহিত্যপ্রেমী এই ব্যক্তি ১৯৪৬ সনে ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা আইপিটিএ-‘র সাথে যুক্ত হন। ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যুক্ত হবার ফলেই সেখানে পরিচয় ঘটে সলিল চৌধুরীর সংগে। ১৯৫৪ সালে তার প্রথম রেকর্ড বের হয় হিজ মাস্টার্স ভয়েস থেকে। ১৯৫৫ সালে মৃণাল সেনের রাতভোর চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন। আরো পড়ুন

বিমলচন্দ্র ঘোষ ছিলেন বামপন্থী কবি ও গীতিকার

বিমলচন্দ্র ঘোষ (১২ ডিসেম্বর, ১৯১০ – ২২ অক্টোবর, ১৯৮১) একজন বাঙালি বামপন্থী কবি ছিলেন। তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই এবং যৌবনেও রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে স্বদেশী মন্ত্রে দীক্ষিত হন। বিমলচন্দ্র ঘোষের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো জীবন ও রাত্রি, দক্ষিণায়ন, উলুখড়, দ্বিপ্রহর ও অন্যান্য কবিতা, ফতোয়া, নানকিং, সাবিত্রী, বিশ্বশান্তি, ভুখা ভারত, উদাত্ত ভারত, রক্তগোলাপ প্রভৃতি। আরো পড়ুন

সে নিল বিদায় না-বলা ব্যথায় আমি ছিনু অভিমানে, রজনীগন্ধা জানে

সে নিল বিদায় না-বলা ব্যথায় আমি ছিনু অভিমানে হচ্ছে অজয় ভট্টাচার্যের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটির আকার মাঝারি ধরনের এবং গানটি মোট তের লাইনের। গানটি অজয় ভট্টাচার্যের একটি সিনেমার গান। আরো পড়ুন

কথা কও দাও সাড়া; শেষ রাগিণীর বীণ বাজে প্রাণে, ফুটেছে বিদায়-তারা

কথা কও দাও সাড়া; শেষ রাগিণীর বীণ বাজে প্রাণে হচ্ছে অজয় ভট্টাচার্যের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটির আকার মাঝারি ধরনের এবং গানটি মোট সতের লাইনের। গানটি কে সুর করেছিলেন সুবল দাশগুপ্ত এবং গেয়েছিলেন শচীন দেববর্মণ। গানটি অজয় ভট্টাচার্যের একটি গীতিকবিতা বা কাব্যগীতি ধারার গান। আরো পড়ুন

আমার ব্যথার গানে তোমায় আমি ছুঁয়ে গেলাম বারে বারে, কেমন ক’রে ভুলবে তারে

আমার ব্যথার গানে তোমায় আমি ছুঁয়ে গেলাম বারে বারে হচ্ছে অজয় ভট্টাচার্যের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটির আকার মাঝারি ধরনের এবং গানটি মোট পনের লাইনের। গানটি সুরকার ও শিল্পীর নাম জানা যায় না। গানটি অজয় ভট্টাচার্যের একটি গীতিকবিতা বা কাব্যগীতি ধারার গান। আরো পড়ুন

আমি ছিনু একা বাসর জাগায়ে হৃদয়ের ব্যথা ছিল মিশে। প্রদীপে শুধানু, ‘কিছু জান … ’

আমি ছিনু একা বাসর জাগায়ে হৃদয়ের ব্যথা ছিল মিশে হচ্ছে অজয় ভট্টাচার্যের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটি ১২ লাইনের মাঝারি আকারের আধুনিক বাংলা প্রেমের গান। গানটি সুরকার ও গায়ক ছিলেন শচীন দেববর্মণ। গানটি অজয় ভট্টাচার্যের একটি রাগপ্রধান গান। আরো পড়ুন

এ গান তোমার শেষ করে দাও

এ গান তোমার শেষ করে দাও      নূতন সুরে বাঁধো বীণাখানি। আঁধার পথে যাত্রা এবার,            শেষ হয়েছে দিনের জানাজানি।। কান্না হাসির দিনগুলো সব           একে একে হলো নীরব, চির রাতের অজানা সুর              বাজাও তবে কঠিন আঘাত হানি।। ডুবলো যদি একটি রবি               জ্বললো দিনের চিতা নিভলো যদি একটি বাতি,           জ্বালাও দীপান্বিতা। বাঁধলে যারে যায় না বাধা            … Read more

ছিল চাঁদ মেঘের ওপারে, বিরহীর ব্যথা লয়ে বাঁশরীর সুর হয়ে, কে গো আজ ডাকিল তারে

ছিল চাঁদ মেঘের ওপারে, বিরহীর ব্যথা লয়ে বাঁশরীর সুর হয়ে, কে গো আজ ডাকিল তারে।। ছিল চাঁদ… ধরণীর ধুলি থেকে চামেলি এসে কহে ডেকে, এসো প্রিয় আমারই দ্বারে।। ছিল চাঁদ… … চাঁদ কহে, সুদূরে আমি, মোর প্রেম জোছনা সে আরো পড়ুন

error: Content is protected !!