সাদা কলমির নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

সাদা কলমির (Merremia umbellata) বিস্তৃতি আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশের কক্সবাজার, ঢাকা, জামালপুর, রাঙ্গামাটি এবং সিলেট জেলায় জন্মে। এর ব্যবহার্য অংশ হলো গাছের পাতা, বীজ, মূল। সাদা কলমির ভেষজ গুণাগুণ ১. এই উদ্ভিদটি অস্থির, প্রদাহ নিবারক, মূত্রবর্ধক, বাত, স্নায়ুতন্ত্র, মাথাব্যথা ইত্যাদির চিকিৎসায় এর ক্বাথ কার্যকরী কাজ করে। কানের ঘা, ফোড়া ইত্যাদির ক্ষেত্রে ক্বাথ কানের … Read more

সাদা কলমি এশিয়ায় জন্মানো বিরুৎ

ভূমিকা: সাদা কলমি (বৈজ্ঞানিক নাম: Merremia umbellata) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। সাদা কলমি-এর বর্ণনা : বীরুৎ সদৃশ বা কাষ্ঠল বল্লী, কখনও ভূশায়ী, তরুণ অংশ দুগ্ধবৎ তরুক্ষীয় যুক্ত। কান্ড রোমাকৃত বা রোমশ বিহীন। পত্র ৩-৭ × ০.৮-৫.০ সেমি, ডিম্বাকার, দীর্ঘায়ত বা ভল্লাকার, মূলীয় অংশ সাধারণত হৃৎপিন্ডাকার বা গোলাকার থেকে … Read more

একাঙ্গী বিরুতের ঔষধি ব্যবহার

একাঙ্গী (বৈজ্ঞানিক নাম: Kaempferia galanga) হল আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের একটি উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি আর্দ্র মাটি এবং ছায়ায় অবস্থান পছন্দ করে। এছাড়া আর্দ্র, সুনিষ্কাশিত, উর্বর, আর্দ্র মাটিতে সবচেয়ে ভালো জন্মায়। ব্যবহার্য অংশ এদের কচি পাতা কাঁচা, ভাপানো, তরকারিতে খাওয়া যেতে পারে অথবা মরিচের পেস্ট দিয়ে রান্না করা যেতে পারে এবং ভাতের সাথে তরকারির পদ হিসাবে ব্যবহার করা … Read more

বন পুদিনা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ

ভূমিকা: বন পুদিনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Mentha arvensis) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। বন পুদিনা- এর বর্ণনা : তীব্র গন্ধযুক্ত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ৬০ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কাণ্ড চতুষ্কোণাকার, খাঁজযুক্ত, নিচে মসৃণ এবং উপরিভাগে রোমশ অথবা সর্বত্র প্রায় মসৃণ। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ০.৫-১.০ সেমি লম্বা, রোমশ, পত্রফলক ২-৪ × ০.৫-১.০ সেমি, … Read more

টিকি ওকরা এশিয়ার বর্ষজীবী বিরুৎ

ভূমিকা: টিকি ওকরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Melochia corchorifolia) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। টিকি ওকরা-এর বর্ণনা: এই প্রজাতিটি বর্ষজীবী ক্ষুদ্র বীরুৎ। উচ্চতা প্রায় ১ মিটার পর্যন্ত হয়। দেখতে কচি অংশ হালকাভাবে লোমযুক্ত, পরে মসৃণ। পাতা ৩-১০ × ১-৪ সেমি, আকৃতিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ, ডিম্বাকার, ডিম্বাকার- বল্লমাকার, আয়তাকার-ডিম্বাকার অথবা অর্ধবর্তুলাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মাগ্র, গোড়া … Read more

নাগেশ্বর পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: নাগেশ্বর (বৈজ্ঞানিক নাম: Mesua ferrea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। নাগেশ্বর-এর বর্ণনা: এই প্রজাতিটি মধ্যম থেকে বৃহৎ আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ। ২০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। তরুণ অবস্থায় চূড়া ঘন কোণাকার, বাকল ভস্মতুল্য ধূসর, পরবর্তীতে লালাভ বাদামী, গোলাকার পাত্রের ন্যায় স্তরে স্তরে উঠে আসে, ঝরে পড়া বাকলের স্থান … Read more

জিট্টি পাহাড়ে জন্মানো উপকারী গুল্ম

ভূমিকা: জিট্টি (বৈজ্ঞানিক নাম: Marsdenia tenacissima) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। জিট্টি-এর বর্ণনা : এটি প্যাঁচানো গুল্ম, কাণ্ড ও শাখা ঈষৎ স্থুলাকার ও নিবিড়ভাবে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পাতা সবৃন্তক, স্পষ্টতঃ ডিম্বাকার, দীর্ঘাগ্র, নিম্নাংশ গোলাকার খন্ড বিশিষ্ট হৃৎপিন্ডাকার, পত্রফলক ৪-৫ টি পার্শ্ব বিশিষ্ট, ১০.০-১২.৫ × ৪.০-১০.৫ সেমি, উপরের পৃষ্ঠ রোমশ, … Read more

টিখুর বা অ্যারারুট বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: টিখুর বা অ্যারারুট (বৈজ্ঞানিক নাম: Maranta arundinacea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। টিখুর বা অ্যারারুট-এর বর্ণনা: এটি বীরুৎ, মূলজকান্ড লতান, কান্ড খাটো। পত্র সবৃন্ত ক, ডিম্বাকার। পুষ্প প্রান্তীয় সাইমে বিন্যস্ত, সহপত্রী, সরু, চমসাকার। বৃত্যংশ ৩ টি, সামান্য অসম। পাপড়ি ৩ টি, দলনালিতে যুক্ত। পুংকেশর ১ টি, আংশিক সম্পূর্ণ, … Read more

হলুদ লেজী হাঁস ফুল বাংলাদেশে জন্মানো বর্ষজীবি বীরুৎ

ভূমিকা: হলুদ লেজী হাঁস ফুল (বৈজ্ঞানিক নাম: Mantisia spathulata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। হলুদ লেজী হাঁস-এর বর্ণনা: ৪০ থেকে ৬০ সেমি লম্বা বায়বীয় কান্ড ও বহুবর্ষজীবি ভূনিবস্থ কান্ড সহ বর্ষজীবি বীরুৎ। পাতা অবৃন্তক, ডিম্ব- আয়তাকার থেকে ল্যান্সাকার, লম্বা কডেট, ১৫-২৬ × ২.৫-৪.২ সেমি, উপরের শিরায় সিলিয়াযুক্ত। পুষ্পবিন্যাস ঢিলাঢালা, বেগুনে … Read more

কুমারি বুড়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারি বৃক্ষ

ভূমিকা: কুমারি বুড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Mallotus tetracoccus) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কুমারি বুড়া-এর বর্ণনা: ছোট বৃক্ষ আকৃতির এই প্রজাতিটি ৭ থেকে ১১ মিটার উঁচু হয়। এদের শাখা শক্ত, শুষ্ক অবস্থায় হলদে তারকাকার রোমযুক্ত, পরবর্তীতে রোমশ বিহীন। পত্র প্রতিমুখ বা একান্তর, উপপত্র অনুপস্থিত বা ক্ষুদ্র, বৃন্ত ৪-১৫ সেমি লম্বা, তারকাকার … Read more

error: Content is protected !!