ফ্রানয মেহরিং জার্মানির সমাজ-গণতন্ত্রীর বামপন্থি অংশের তাত্ত্বিক ও নেতা

ফ্রানয মেহরিং (১৮৪৬-১৯১৯ Franz Erdmann Mehring) জার্মান শ্রমিক আন্দোলনের বিখ্যাত কর্মী, জার্মান সমাজ-গণতন্ত্রীর বামপন্থি অংশের অন্যতম নেতা, তত্ত্বকার, প্রচারক, রাজনিতিক ও ইতিহাসবিদ। তিনি ১৮৪৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পোল্যান্ডের, পোমেরানিয়ার স্লানোতে এক বুর্জোয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আরো পড়ুন

কমরেড হো চি মিন ভিয়েতনামের জাতিয়তাবাদী সাম্যবাদী বিপ্লবী নেতা

সাম্রাজ্যবাদবিরোধি জাতীয়তাবাদি যে কয়েকজন নেতার নাম আমাদের চোখে অহরহ পড়ে তাদের মধ্যে হো চি মিন (Ho Chi Minh) (জন্ম: ১৯শে মে ১৮৯০ – মৃত্যু: ৩রা সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) অন্যতম। তিনি জন্মেছিলেন ন-ঘিয়ান প্রদেশের চুয়াগ্রামে।আরো পড়ুন

কাসান্ড্রা — বিষ্ণু দে

মার্কসবাদী কবি বিষ্ণু দে’র (১৮ জুলাই ১৯০৯ – ৩ ডিসেম্বর ১৯৮২) এই কবিতাটি কবির সন্দ্বীপের চর কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া। তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি লেখক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।আরো পড়ুন

মাদাম চিয়াং চিং ছিলেন চীন বিপ্লবের সর্বহারা শ্রেণির মহীয়সী নেত্রী

চিয়াং চিং (Jiang Qing; ১৯ মার্চ, ১৯১৪ – ১৪ মে, ১৯৯১) বিশ্বের মাওবাদী কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে এক মহীয়সী নেত্রীর নাম। তিনি সানতু প্রদেশের এক শ্রমজীবী পরিবারে ১৯১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন যে সময় পশ্চাৎপদ সামন্তবাদী চিনা নারীরা শোষণ নিপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে পুনর্জন্মে কুকুর হয়ে জন্মগ্রহণ করতে চাইতেন। শৈশব থেকে দারিদ্র ও অনাহারে বেড়ে ওঠা চিয়াং চিং প্রথমে ক্ষুধা নিবারণের জন্য একটি নাট্যদলে যোগদান করেন। এবং পরবর্তীতে রাজধানী পিকিং চলে আসেন। আরো পড়ুন

জাসদ হচ্ছে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ – ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। আরো পড়ুন

হেমাঙ্গ বিশ্বাস ছিলেন উপমহাদেশের বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

গণসংগীত

হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর; বাংলা তারিখ ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৯। জন্মস্থান তৎকালীন শ্রীহট্ট বা সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাসি গ্রামে। সে হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের মিরাশির বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম হরকুমার বিশ্বাস ও মা সরোজিনী দেবি। আরো পড়ুন

তুস্যাঁ লুভাতুর ছিলেন দাস বিদ্রোহের এক মহানায়ক

তুস্যাঁ লুভাতুর, (ইংরেজিতে: Toussaint Louverture) ডাকনাম কালো নেপোলিয়ন, (২০ মে ১৭৪৩ – ৭ এপ্রিল, ১৮০৩) ছিলেন হাইতি বিপ্লবের নেতা। তাঁর সামরিক জ্ঞান এবং তীক্ষ্ণ বিচারবুদ্ধি রূপান্তর করেছিল সমগ্র দাস সমাজকে এক স্বাধীন হাইতি রাষ্ট্রে।আরো পড়ুন

প্রলেতারিয়েত অষ্টাদশ শতক পরবর্তীকালের শ্রমশক্তি বিক্রিকারী শ্রমিক শ্রেণি

প্রলেতারিয়েত (ইংরেজিতে Proletariat) হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজের অন্যতম প্রধান শ্রেণি। প্রলেতারিয়েত হচ্ছে উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত মজুরি শ্রমিকের শ্রেণি, যারা নিজ শ্রমশক্তি বিক্রয় করে জীবনধারণ করে এবং বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত হয় সাম্যবাদী ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টির নেতৃত্বে সামাজিক প্রগতি ও শান্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সকল নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের সংগ্রাম পরিচালনা করে।আরো পড়ুন

ঋত্বিক ঘটক বাংলা ভাগে যন্ত্রণাবিদ্ধ বাংলা ভাষার এক মহান চলচ্চিত্র পরিচালক

ঋত্বিক ঘটক (৪ নভেম্বর, ১৯২৫ – ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) বাংলা চলচ্চিত্রের মহান পরিচালক। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর নাম বহুবার বহুভাবে উচ্চারিত। তিনি সর্বাপেক্ষা দগ্ধ ছিলেন বাংলা ভাগের যন্ত্রণায়। আর ঋত্বিকের অবগাহন যে নদীটিতে তার নাম বাংলা দেশ। এই নদী বয়ে গেছে দেশভাগ, দেশত্যাগ, নির্বাসন, ছিন্নমূলতা, যুদ্ধ, শ্রেণিসংগ্রাম ইত্যাদির ভেতর দিয়ে। আরো পড়ুন

রাজনৈতিক দল কী, কাকে বলে ও কেন প্রয়োজন

কোনো শ্রেণি বা তার স্তরের সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও সংগঠিত অংশ হচ্ছে দল বা পার্টি বা রাজনৈতিক দল (ইংরেজিতে Political Party)। রাজনৈতিক দলগুলোর অস্তিত্ব জড়িত সমাজের শ্রেণিবিভক্তি ও এইসব শ্রেণির বহুবিভাগের সংগে, শ্রেণিসমূহের এবং তার অঙ্গদলগুলোর স্বার্থের পার্থক্যের সংগে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!