স্যামুয়েল আলেক্সান্ডার ছিলেন আধুনিক ব্রিটিশ নয়া বাস্তববাদী দার্শনিক

স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডার (Samuel Alexander; ১৮৫৮-১৯৩৮) আধুনিককালের ব্রিটিশ দর্শনিকদের মধ্যে ‘নিওরিয়ালিস্ট’ বা নয়া বস্তুবাদী বলে পরিচিত। নয়া বস্তুবাদ প্রকৃত পক্ষে বস্তুবাদী দর্শনও নয়। ভাববাদের সে প্রকারবিশেষ। বিশ্বজগৎ সম্পর্কে স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডারের দার্শনিক অভিমতের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে, তিনি স্থান এবং কালকে ভাব কিংবা জ্ঞানসূত্র না বলে মহাবিশ্বের মূল বস্তু মনে করেছেন। আরো পড়ুন

আলীগড় আন্দোলন উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমদের শিক্ষা আন্দোলন

আলীগড় আন্দোলন (ইংরেজি: Aligrah Movement) ছিল উনিশ শতকের শেষের দশকগুলিতে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যার জন্য আধুনিক পদ্ধতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠার একটি আন্দোলন। ১৮৫৭ সনের সিপাহী বিদ্রোহ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামের পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্রদায়ের উচ্চবিত্ত এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তার একটি ধারা আলীগড় আন্দোলন আরো পড়ুন

আল বিরুনি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক

আল বিরুনি বা আল বেরুণী (পূর্ণনাম: আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি) (ইংরেজি: Alberuni; ৯৭৩-১০৫০ খ্রি.) পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক। তাঁর জন্ম মধ্য এশিয়ার (রাশিয়ার) খোরেজাম বা খারিজমের খিবায় ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু ১০৪৮ কিংবা ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দে। ‘আলবেরুণী’ নামে ইতিহাসে পরিচিত। আরো পড়ুন

আজীবিক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়

খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম এবং ষষ্ঠ শতাব্দিতে ভারতবর্ষে বৌদ্ধ এবং জৈনধর্মের প্রচারের সমকালে ‘আজীবিক’ (ইংরেজি: Ajivika) নামক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। এই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ‘মক্খলি গোশাল’ বলে এক ব্যক্তি। গোশালে জন্ম বলেই তাঁর নাম গোশাল হয়েছিল এরূপ অনেকে মনে করেন। আরো পড়ুন

আগরিপা আনুমানিক দ্বিতীয় শতকের রোমান সংশয়বাদী দার্শনিক

আগরিপা (ইংরেজি: Agrippa the Skeptic) খ্রিস্টাব্দের আনুমানিক দ্বিতীয় শতকের রোমান সংশয়বাদী দার্শনিক। কেউ কেউ আগরিপাকে গ্রিক দার্শনিক বলেও মনে করেন। প্রাচীন সন্দেহবাদীদের মধ্যে আগরিপা অবশ্যই বিশিষ্ট ছিলেন। কারণ প্রাচীন যুগে ‘আগরিপা’ নামে একখানা পুস্তক রচিত হওয়ার কথা জানা যায়। আরও পড়ুন

অজ্ঞেয়বাদ কাকে বলে

সাধারণভাবে অজ্ঞেয়বাদ (ইংরেজি: Agnosticism) বলতে জ্ঞানের ক্ষেত্রে জগৎ বা বিশ্বকে জানার অক্ষমতা বুঝায়। এদিক থেকে সন্দেহবাদ বা সংশয়বাদের সঙ্গে অজ্ঞেয়বাদের সাদৃশ্য আছে। কিন্তু অজ্ঞেয়বাদ কথাটি সংশয়বাদের মত প্রাচীন নয়। অজ্ঞেয়বাদের ইংরেজি শব্দ এ্যাগনসটিসিজম-এর প্রথম ব্যবহার দেখা যায় ঊনবিংশ শতকে ইংরেজ বৈজ্ঞানিক টমাস হাক্সলীর রচনায়। আরো পড়ুন

প্ররোচক বা উস্কানিদাতা বা দালাল কাকে বলে

রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে প্ররোচক বা উস্কানিদাতা বা দালাল (ফরাসি: Agent Provocateur) হচ্ছে সেই ধরনের লোক যাদেরকে নিজ পক্ষের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য পক্ষের ভিতর সমর্থকের ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। এরূপ কৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য হয় ছদ্মবেশী সমর্থক দ্বারা এমন কোনো ঘটনার আরো পড়ুন

এনিসিডেমাস খ্রিস্ট পূর্ব প্রথম শতকের গ্রিক দার্শনিক

এনিসিডেমাস (ইংরেজি: Aenesidemus) খ্রিস্ট পূর্ব প্রথম শতকের গ্রিক দার্শনিক। জ্ঞানের ক্ষেত্রে এনিসিডেমাস সন্দেহবাদের সমর্থক ছিলেন। তিনি প্লেটোর একাডেমীর সদস্য ছিলেন। সন্দেহবাদের ক্ষেত্রে এনিসিডেমাসকে তাঁর পূর্বগামী বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক পাইরহোর (৩৬৫-২৭৫ খ্রি. পূ.) অনুসারী বলা যায়। এনিসিডেমাসের মতে কোনো কিছু সম্পর্কেই সন্দেহাতীত জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয়। আরো পড়ুন

ম্যাকস এ্যাডলার ছিলেন অস্ট্রিয়ার রাজনীতিক, লেখক এবং দার্শনিক

ম্যাকস এ্যাডলার (Max Adler, ১৮৭৩-১৯৩৭) ছিলেন অস্ট্রিয়ার রাজনীতিক, লেখক এবং দার্শনিক। অস্ট্রিয়ার সোস্যাল ডিমোক্রাটিক পার্টির তাত্ত্বিক। প্রথম মহাযুদ্ধের পরবর্তীকাল থেকে এ্যাডলার সোস্যাল ডেমোক্রাটিক পার্টির বামপন্থী গ্রুপকে সমর্থন করেন। ১৯৩০ সালে কার্ল রেনার এবং রুডলফ হিলফারডিং-এর সঙ্গে যৌথভাবে এ্যাডলার আরো পড়ুন

ক্রিয়া কাকে বলে

দর্শনশাস্ত্রে ক্রিয়া (ইংরেজি: Activity) হচ্ছে ব্যক্তির উদেশ্য সাধনার্থে গৃহীত কর্মবাদ বা প্রাগামেটিজমের তত্ব এবং মনোবিজ্ঞানে মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া। মনোবিজ্ঞানে ব্যক্তি এবং বস্তুর পাস্পারিক সম্পর্ক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ব্যক্তি বস্তু বা পরিবেশকে ক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রিত করার প্রয়াস প্রায়। জীবনমাত্রেরই একটি স্বাধীন ক্রিয়ার ক্ষমতা আছে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!