সক্রিয়তাবাদ বা আন্দোলন কর্মকাণ্ড কাকে বলে

সক্রিয়তাবাদ বা আন্দোলন কর্মকাণ্ড (ইংরেজি: Activism) বলতে সমাজের ও রাষ্ট্রের উন্নতির উদ্দেশ্যে কোনও সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা পরিবেশগত সংস্কারকে সমর্থন, বাধাদান বা দিক নির্দেশনার প্রচেষ্টাকে বোঝায়। যারা এই প্রচেষ্টায় অংশ নেন, তাদেরকে সক্রিয়তাবাদী বা আন্দোলনকর্মী বা কার্যবাদী (ইংরেজি: Activist) বলে। আরো পড়ুন

আলফ্রেড এ্যাডলার ছিলেন অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী

আলফ্রেড এ্যাডলার (Alfred Adler, ১৮৭০-১৯৩৮) ছিলেন অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী। মনোসমীক্ষার প্রবর্তক সিগমুণ্ড ফ্রয়েডের পরেই মনোসমীক্ষার ক্ষেত্রে এ্যাডলারের খ্যাতি। কিন্তু মনোবিশ্লেষণের প্রশ্নে দুজনার মত এক নয়। এ্যাডলারের মনোসমীক্ষাণ ব্যক্তিকেন্দ্রীক। এ্যাডলার ব্যক্তিকে একটি স্বয়ংসম্পর্ণ চরিত্র বলে মনে করেন। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব পরিবেশ দ্বারা গঠিত। আরো পড়ুন

উরিয়েল দা কোস্টা ছিলেন ওলান্দাজ সংশয়বাদী লেখক ও দার্শনিক

উরিয়েল এ্যাকোস্টা বা উরিয়েল দা কোস্টা (ইংরেজি: Uriel da Costa) ছিলেন ওলান্দাজ সংশয়বাদী লেখক ও দার্শনিক। জন্ম পর্তুগাল, ১৫৮৫ কিংবা ১৫৯০ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু ১৬৪০ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিলে। প্রথম জীবনে ক্যথলিক শিক্ষায় শিক্ষিত হন। কিন্তু যুক্তিবাদকে নিজের দর্শন হিসাবে গ্রহণ করে পরবর্তী কালে ক্যাথলিক ধর্ম পরিত্যাগ করে ক্যাথলিক নির্যাতনের ভয়ে ১৬১৪ খ্রিষ্টাব্দে হল্যাণ্ডে পালায়ন করেন। এই পর্যায়ে … Read more

আকষ্মিক বিবর্তনবাদ বা আকষ্মিক বিকাম কাকে বলে

জীবন এবং প্রকৃতির ক্ষেত্রে ডারউইনের বিবর্তনবাদ এবং বস্তুবাদের বিরোধীতা হিসাবে ‘আকষ্মিক বিবর্তনবাদ’ বা ‘আকষ্মিক বিকাম’ (ইংরেজি: Accidental Evoluation)- এর উদ্ভব দেখা যায়। এ মতের প্রধান ব্যাখ্যাদাতাদের মধ্যে স্যামুয়েল আলেকজাণ্ডার, আরো পড়ুন

অবান্তর লক্ষণ কাকে বলে

অবান্তর লক্ষণ (ইংরেজি: Accident, Accidens) হচ্ছে যুক্তিবিদ্যায় বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দ। একটি পদের গুণ যদি এমন হয় যে, গুণটি কিংবা গুণসমূহ উক্ত পদের জাত্যর্থ বা কানোটেশনের অন্তর্ভূক্ত নয়, জাত্যর্থ থেকে উদ্ভূতও নয়-অর্থ্যাৎ উক্ত গুণকে পদের জাত্যর্থ থেকে অনুমান করা চলে না; কিন্তু গুণটিকে পদের মধ্যে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে দেখতে পাওয়া যায়, তা হলে এরূপ গুণকে উক্ত পদ বা টার্মের এ্যাকসিডেন্ট বা এ্যাকসিডেন্স বলা হয়। আরো পড়ুন

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের জাতীয়তাবাদী নেতা

মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (ইংরেজি: Maolana Abul Kalam Azad; ১১ নভেম্বর ১৮৮৮ – ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম জাতীয়তাবাদী নেতা এবং ইসলাম ধর্মের প্রাজ্ঞ পণ্ডিত। পিতা মওলানা খায়রুল দীন এবং পিতামহের সূত্রে মৌলানা আজাদের পরিবারের আরবের হেজাজ এবং মক্কার সঙ্গে সংযোগ ছিল। আরো পড়ুন

আবদুল গাফফার খান ছিলেন পাখতুনিস্তান আন্দোলনের নেতা

খান আব্দুল গফফার খান বা ফখর-ই-আফগান (ইংরেজি: Abdul Gaffar Khan) ছিলেন পাখতুনিস্তান আন্দোলনের নেতা এবং তিনি ঔপনিবেশিক ভারতে ব্রিটিশ রাজের শাসনের অবসান ঘটাতে কাজ করেছিলেন। আফগানিস্তানের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকার অধিবাসী। উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলনকালে গান্ধীর অহিংস নীতির অনুসারী বলে ‘সীমান্ত গান্ধী’ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। পুশতুভাষী এই অঞ্চলের অধিবাসীগণ নিজেদের একটি বিশিষ্ট জাতি বলে বিবেচনা করে। আরো পড়ুন

মূর্ত এবং বিমূর্ত হচ্ছে বস্তুবাদী দর্শনের আলোচ্য বিষয়

যুক্তিবিদ্যায় যে পদ দ্বারা বস্তু-নিরপেক্ষভাবে কোনো গুণ বুঝায় তেমন পদকে গুণবাচক বা এ্যাবসট্রাক্ট পদ (ইংরেজি: Abstract) বলে। যথা, মনুষ্যত্ব, দয়া, অন্ধত্ব। অপর পক্ষে যে পদ দ্বারা কোনো বস্তু বুঝায় তাকে বস্তুবাচক পদ বা কনক্রিট টার্ম (ইংরেজি: Concrete) বলে। যথা, গাছ, রহিম, ঢাকা শহর ইত্যাদি। দর্শনে যা ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য নয় তাকে বিমূর্ত এবং যা ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য তাকে মূর্ত বলা হয়। আরো পড়ুন

নিরঙ্কুশ শাসন বলতে শাসনের অবাধ ক্ষমতা বুঝায়

শাসনের অবাধ ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ (ইংরেজি: Absolutism) শাসন বলা হয়। নিরঙ্কুশ শাসনে জনসাধারণ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারে কোনোরূপ অংশগ্রহণ করার অধিকার ভোগ করে না। নিরঙ্কুশ শাসনের বিপরীত হলো গণতান্ত্রিক শাসন। গণতান্ত্রিক শাসন-পদ্ধতিতে কোনো এক ব্যক্তি বা সম্রাট শাসনের একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে না। আরো পড়ুন

নিরপেক্ষ পদ এবং সাপেক্ষ কাকে বলে

যুক্তিবিদ্যায় যে পদ অপর কোনো পদের উপর নির্ভরশীল নয় তাকে নিরপেক্ষ পদ (ইংরেজি: Absolute) বলে। যেমন- মানুষ, পানি, মাটি। অপরদিকে যে পদের অর্থ অপর কোনো পদের উপর নির্ভরশীল তাকে রিলেটিভ আ আপেক্ষিক পদ (ইংরেজি: Relative) বলে। যেমন- ছাত্র কিংবা শিক্ষক ছাত্র-শিক্ষককে যুক্তভাবে পরস্পর নির্ভরশীল পদ বা ‘কোরিলেটিভ টার্মস’ বলে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!