সোভিয়েত সরকারের আশু কর্তব্য সম্পর্কে ছয়টি থিসিস

সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অতিমাত্রায় সুকঠিন ও সংকটাকীর্ণ, কেননা আন্তর্জাতিক পুঁজি ও সাম্রাজ্যবাদের অতি সুগভীর ও মূলগত স্বার্থই তাকে প্রবৃত্ত করছে শুধু রাশিয়ার ওপর সামরিক হানার প্রয়াসে নয়, আরো পড়ুন

আশ্চর্য ভবিষ্যতবাণী

ঈশ্বরের কৃপায় আজকাল আর কেউ দৈবরহস্যে বিশ্বাসী নয়। বিস্ময়কর দৈববাণী এখন রপকথার গল্প। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বটে। আর আজকাল যখন প্রায়ই লজ্জাকর হতাশা এবং এমন কি নৈরাশ্যও দেখা যায় তখন এমন একটি বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যদ্বাণী স্মরণ করা যাক যা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আরো পড়ুন

সংক্ষেপে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ সংসদে ০৮ জুলাই, ২০১২ তারিখে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে মোট ১৩০৭টি প্রাণি ও উদ্ভিদকে সংরক্ষিত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদ কাকে বলে এবং কেন ও কীভাবে প্রতিরোধ করতে হবে

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের সৃষ্টি, শোষক শ্রেণিগুলোর সর্বাপেক্ষা প্রতিক্রিয়াশীল, জাতিদাম্ভিক ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ধারা। ফ্যাসিবাদের প্রধান ভিত্তি শহর ও গ্রামের পেটি-বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সমাজের শ্রেণি-বহির্ভূত স্তরগুলো। ফ্যাসিবাদের মতাদর্শিক বৈশিষ্ট হলো চরম সাম্যবাদ-বিরোধিতা ও বর্ণবাদ।[১] আরো পড়ুন

‘ঐক্য প্রসঙ্গে’ প্রবন্ধ থেকে

শ্রমিকদের ঐক্য সত্যই আবশ্যক। এবং সবচেয়ে আবশ্যক এইটে বোঝা যে শ্রমিকেরা নিজেরা ছাড়া আর কেউ তাদের ঐক্য ‘দান করতে’ পারে না, তাদের ঐক্যে সাহায্য করার ক্ষমতা আর কারো নেই। ঐক্য ‘প্রতিশ্রুতির’ ব্যাপার নয়—সেটা হবে ফাঁকা বড়াই, আত্মপ্রতারণা। বুদ্ধিজীবি গোষ্ঠীগুলির ‘সম্মতি’ থেকে ঐক্য সৃষ্টি করা যায় না—এটা হলো সবচেয়ে শোচনীয়, সবচেয়ে বাতুল, সবচেয়ে অজ্ঞ একটা বিভ্রান্তি। আরো পড়ুন

ফ্রানয মেহরিং জার্মানির সমাজ-গণতন্ত্রীর বামপন্থি অংশের তাত্ত্বিক ও নেতা

ফ্রানয মেহরিং (১৮৪৬-১৯১৯ Franz Erdmann Mehring) জার্মান শ্রমিক আন্দোলনের বিখ্যাত কর্মী, জার্মান সমাজ-গণতন্ত্রীর বামপন্থি অংশের অন্যতম নেতা, তত্ত্বকার, প্রচারক, রাজনিতিক ও ইতিহাসবিদ। তিনি ১৮৪৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পোল্যান্ডের, পোমেরানিয়ার স্লানোতে এক বুর্জোয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আরো পড়ুন

কমরেড হো চি মিন ভিয়েতনামের জাতিয়তাবাদী সাম্যবাদী বিপ্লবী নেতা

সাম্রাজ্যবাদবিরোধি জাতীয়তাবাদি যে কয়েকজন নেতার নাম আমাদের চোখে অহরহ পড়ে তাদের মধ্যে হো চি মিন (Ho Chi Minh) (জন্ম: ১৯শে মে ১৮৯০ – মৃত্যু: ৩রা সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) অন্যতম। তিনি জন্মেছিলেন ন-ঘিয়ান প্রদেশের চুয়াগ্রামে।আরো পড়ুন

কাসান্ড্রা — বিষ্ণু দে

মার্কসবাদী কবি বিষ্ণু দে’র (১৮ জুলাই ১৯০৯ – ৩ ডিসেম্বর ১৯৮২) এই কবিতাটি কবির সন্দ্বীপের চর কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া। তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি লেখক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।আরো পড়ুন

মাদাম চিয়াং চিং ছিলেন চীন বিপ্লবের সর্বহারা শ্রেণির মহীয়সী নেত্রী

চিয়াং চিং (Jiang Qing; ১৯ মার্চ, ১৯১৪ – ১৪ মে, ১৯৯১) বিশ্বের মাওবাদী কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে এক মহীয়সী নেত্রীর নাম। তিনি সানতু প্রদেশের এক শ্রমজীবী পরিবারে ১৯১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন যে সময় পশ্চাৎপদ সামন্তবাদী চিনা নারীরা শোষণ নিপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে পুনর্জন্মে কুকুর হয়ে জন্মগ্রহণ করতে চাইতেন। শৈশব থেকে দারিদ্র ও অনাহারে বেড়ে ওঠা চিয়াং চিং প্রথমে ক্ষুধা নিবারণের জন্য একটি নাট্যদলে যোগদান করেন। এবং পরবর্তীতে রাজধানী পিকিং চলে আসেন। আরো পড়ুন

জাসদ হচ্ছে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ – ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!