কর্মীদের উপর সব নির্ভর করে

‘শিল্পবিজ্ঞানই সবকিছু নির্ণয় করে’— এই পুরনো স্লোগান যে যুগের অবস্থার প্রতিফলন সে যুগে আমরা শিল্পযন্ত্রের অভাবে ভুগেছি, সে যুগ আজ অতীত। এই পুরনো স্লোগানের বদলে নতুন স্লোগান আজ আমাদের গ্রহণ করতে হবে, সেই নতুন স্লোগান হচ্ছে— ‘কর্মীদের গুণবত্তাই সবকিছু নির্ণয় করে’। এটিই এখন প্রধান ব্যাপার। আরো পড়ুন

শ্রেণিসংগ্রাম

আজকের সমাজ অত্যন্ত জটিল! এ’হলো রং- বেরংয়ের শ্রেণি ও গোষ্ঠীগুলির জোড়াতালি — বৃহৎ মাঝারি ও পেটি বুর্জোয়া; বৃহৎ মাঝারি ও পেটি বুর্জোয়া সামন্ততান্ত্রিক জমিদার; দিনমজুর, অদক্ষ শ্রমিক ও দক্ষ কারখানা-শ্রমিক; উচ্চতম, মাঝারি ও নিম্নতম যাজকমন্ডলী; উচ্চতন, মাঝারি ও ক্ষুদে আমলাতন্ত্র; নানামতের বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় এবং অনুরূপ নানা রকমের অন্যান্য গোষ্ঠী। আমাদের সমাজের এই হলো বহুবর্ণ ছবি! আরো পড়ুন

শ্রেণিযুদ্ধ হচ্ছে সামাজিক শ্রেণিগুলোর পরস্পরবিরোধী সহিংস রূপ

ইতিহাস জুড়ে অনেক সামাজিক চিন্তাবিদ উল্লেখ করেছেন যে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে স্বার্থের বিরোধ রয়েছে। আবার এই শ্রেণিগত বিরোধ যখন সহিংস রূপ নেয় তখন শুরু হয় শ্রেণি যুদ্ধ। শ্রেণি যুদ্ধ ছাড়াও আরো বহু রকমের যুদ্ধ রয়েছে। সব যুদ্ধগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন ভি আই লেনিন এবং মাও সেতুং। যুদ্ধ দুটি হচ্ছে ন্যায়যুদ্ধ এবং অন্যায় যুদ্ধ। প্রথম … Read more

মৈত্রীসুলভ রেলের শোষণমূলক রূপ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের নিভু নিভু বাতি

বাংলাদেশে রেলওয়ে উনিশ ও বিশ শতকে বিকশিত হয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে গড়ে ওঠে স্বাধীনতার পরে। ব্রিটিশরা বাষ্পচালিত লোকোমোটিভের বিকাশ করলে অষ্টাদশ ও উনিশ শতকে রেল পরিবহণ শিল্পবিপ্লবের প্রধান উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। রেল জাহাজী পরিবহণের খরচকে কমিয়ে দেয় কারণ জাহাজডুবার ফলে মাঝেমাঝেই পণ্য-জাহাজ ডুবে মালিকের ক্ষতি হতো। খালপথ থেকে রেলপথ বৃদ্ধির ফলে একটি জাতীয় বাজার গড়ে … Read more

মৈত্রী হচ্ছে প্রেম ও সংহতির ভিত্তিতে জনগণের ভেতর এক ধরনের নৈতিক সম্পর্ক

সামাজিক শ্রেণির ভেতরের মানুষগুলো যখন নানা উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, সংগঠন গড়ে তোলে, চিন্তার আদান-প্রদান করে, সংগঠনের কর্মসূচি প্রণয়ন করে তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, ঐক্য, সংহতি ইত্যাদি গড়ে ওঠে। দর্শনের আলোচনায় মৈত্রী (Fraternity) হচ্ছে প্রেম আর সংহতির ভিত্তিতে জনগণের ভেতর এক ধরনের নৈতিক এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক। শিল্প, সংস্কৃতি, নৈতিকতা, দান, দক্ষতা ইত্যাদিকে কেন্দ্র … Read more

বৈরি সমাজ বিকাশের চালিকাশক্তি শ্রেণিসংগ্রামের স্বরূপ

শ্রেণিসংগ্রাম (Class struggle) হচ্ছে শ্রেণি বিভক্ত সমাজে পরস্পরবিরোধী স্বার্থসংশ্লিষ্ট মুখ্য দুটি শ্রেণির মধ্যে প্রকট আকারের দ্বন্দ্ব-সংঘাত বা সংঘর্ষ যা বৈরি উৎপাদন সম্পর্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শ্রেণি বিভক্ত সমাজব্যবস্থা শুরুর পরে দাসপ্রথা থেকে শুরু করে যত সমাজ দেখা দিয়েছে তাদের ইতিহাস হলো শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রাম, শোষিত ও শোষক, নিপীড়িত ও নিপীড়ক শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রামের ইতিহাস।আরো পড়ুন

সমাজতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্যসমূহ

পুঁজিবাদের উদ্ভব হয় স্বতঃস্ফূর্তভাবে, এটাকে সচেতনভাবে পরিকল্পনা অনুসারে গড়ে তোলা হয় না। পুঁজিবাদের আগের দুটি শোষণমূলক ব্যবস্থা দাস সমাজ এবং সামন্তবাদও দেখা দিয়েছিলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে।আরো পড়ুন

প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব প্রসঙ্গে

প্রলেতারিয়েত শ্রেণির রাজনৈতিক ক্ষমতা হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব (ইংরেজি: Proletarian Dictatorship) যা তারা সমাজতন্ত্র বিনির্মাণ ও দৃঢ়করণের জন্য ব্যবহার করে। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ফলে প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষমতা থেকে অপসারিত শোষকদের বিরুদ্ধে শ্রেণিসংগ্রামের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি ক্রিয়া করে। আরো পড়ুন

এক দেশে সমাজতন্ত্র হচ্ছে লেনিন উদ্ভাবিত তত্ত্ব যা স্তালিন ও ত্রতস্কির বিতর্কে রূপ পায়

এক দেশে সমাজতন্ত্রের (ইংরেজি: Socialism in one country) তত্ত্বটি মূলত ভ্লাদিমির লেনিনের উদ্ভাবিত। ১৯২৪ সালে জোসেফ স্তালিন এটিকে সামনে নিয়ে আসেন, ১৯২৫ সালে নিকোলাই বুখারিন এটিকে বিস্তৃত করেন এবং অবশেষে সোভিয়েত ইউনিয়ন এটিকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করে। আরো পড়ুন

প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব

প্যারিস কমিউন (ইংরেজি: Paris Commune) হচ্ছে ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের প্যারিতে প্রলেতারিয় বিপ্লবীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয়েত শ্রেণির বিপ্লবী সরকার। সেটি ছিলো ইতিহাসে প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্বের সরকার, তবে প্যারিসের বীর শ্রমিক শ্রেণি সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয় ৭২ দিন; ১৮৭১ সালের ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!