অভিজ্ঞতা-পূর্ব এবং অভিজ্ঞতালব্ধ হচ্ছে ভাববাদী দর্শনের ব্যবহৃত শব্দ

ভাববাদী দর্শনের দুটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ হচ্ছে অভিজ্ঞতা-পূর্ব এবং অভিজ্ঞতালব্ধ (ইংরেজি: Apriori and Apsteriori)। জ্ঞানের ক্ষেত্রে কোনো জ্ঞান যথার্থ এবং কোনো জ্ঞান যথার্থ নয়-এই প্রশ্নে প্রাচীনকাল থেকেই শব্দের ব্যবহার পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

বর্ণবৈষম্য বা বর্ণবিদ্বেষ বা জাতিবিদ্বেষ কাকে বলে?

দক্ষিণ আফ্রিকার নগন্য শ্বেতবর্ণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসক দল কর্তৃক সংখ্যাগুরু এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মূল কৃষ্ণবর্ণ অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অনুসৃত পৃথকাবাসনের এবং নিগ্রহের নীতি বর্ণবৈষম্য বা বর্ণবিদ্বেষ বা জাতিবিদ্বেষ (ইংরেজি: Apartheid) বলে পরিচিত।আরো পড়ুন

বিরোধাভাস বা বিরোধী সিদ্ধান্ত কাকে বলে?

বিরোধাভাস বা বিরোধী সিদ্ধান্ত-এর সমস্যা (ইংরেজি: Antinomy) হচ্ছে একই যুক্তি থেকে পরস্পর-বিরোধী সিদ্ধান্তের উদ্ভব হলে যে সিদ্ধান্তের সমস্যার সৃষ্টি হয়। প্লেটো, এ্যারিস্টটল, জেনো প্রমুখ প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকের রচনায় পরস্পর-বিরোধী সিদ্ধান্তমূলক দৃষ্টান্তের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

ব্যর্থ রাষ্ট্র হচ্ছে কেন্দ্রীভূত সামরিক কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ রাষ্ট্র

“রাষ্ট্র হলো একটি শ্রেণীর হাতে অপর শ্রেণীর ওপর আধিপত্য কায়েম করার যন্ত্র, অধীনস্থ শ্রেণীগুলোকে আনুগত্যের বন্ধনে রাখার হাতিয়ার।”[১] লেনিন এই যে রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন যা এমনই এক সত্যকে ধারণ করছে যাকে কেবল কুসংস্কারাচ্ছন্ন বুর্জোয়া মূর্খরাই বিরোধীতা করে। আরো পড়ুন

মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ হচ্ছে শ্রেণিবিভক্ত সমাজের বৈশিষ্ট্য

শ্রমের বিভাগ কথাটি আজ অত্যান্ত সুপরিচিত। শ্রমের ক্ষেত্রে মানসিক ও দৈহিক শ্রমের বিভাগটিও পরিচিত। মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ হচ্ছে শ্রেণিবিভক্ত সমাজের বৈশিষ্ট্য। কিন্তু সভ্যতার আদিতে শ্রমের কোনোরূপ বিভাগই ছিল না। অনুন্নত অবস্থায় জীবন রক্ষার্থে প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সমস্ত শ্রমই করতে হতো। আরো পড়ুন

প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধ কাকে বলে?

প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি

বস্তুজগতে নিত্যপ্রবাহিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক হচ্ছে প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধের (ইংরেজি: Anti-thesis) সম্পর্ক। বিরোধ হচ্ছে বস্তজগতের গতির মূল নিয়ামক। বিরোধ বা দ্বন্দ্বের মাধ্যমে বস্তজগতের বিকাশকে সাধারণত ইংরেজিতে থিসিস (ইংরেজি: Thesis), এ্যাণ্টিথিসিস এবং সিনথেসিস (ইংরেজি: Synthesis)-রূপে প্রকাশ করা হয়। আরো পড়ুন

সদাগরি অফিস

গঙ্গা কইতরও ওড়ে, জলের ভেতরে নড়ে ছোট ডানকিনা, একদিকে সমুদ্র আর অন্যদিকে বাবুর আঙিনা, সাহায্য করেছ বাবু, মুক্তিযুদ্ধে নিয়েছ দক্ষিণা, তাই, আজ চাও পুরো জলাভূমি, জলাবনের মালিকানা,/ পাখনায় লেগেছে আঘাত, চাবুকও বসেছে বুঝি হৃদ পাথারে, একটু হাঁড়ির ভাত, দুই ধর্মে ভাগাভাগি করে, খেয়েছিলে কোনকালে! তারপর কত দিন চলে গেছে আধিপত্যের হল্লাবোলে, আরো পড়ুন

আপোষহীন ও আপোষমূলক বিরোধ সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় ব্যবহৃত শব্দ

সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় মাকর্সবাদীগণ আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ (ইংরেজি: Antagonistic and Non-Antagonistic Contradiction) কথা দুটি ব্যবহার করেন। মাকর্সবাদ তথা দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মতে বিরোধী শক্তির সংঘাতের মাধ্যমেই সমাজ বিকাশ লাভ করে, সমাজের এক স্তরের স্থানে নতুন স্তর প্রতিষ্ঠালাভ করে। বিরোধ হচ্ছে সমাজ বিকাশের প্রাণশক্তি। আরো পড়ুন

এনসেলম ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক

একক উক্তি

এনসেলম (ইংরেজি: Anselm; ১০৩৩-১১০৯ খ্রি.) ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক। এনসেলম ধর্মের সঙ্গে যুক্তির মিলন ঘটাবার চেষ্টা করেন। তৎকালে অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং গোঁড়ামির যে প্রবল ধারা খ্রিষ্টিয় সমাজে প্রচলিত ছিল, এনসেলম তার মধ্যে যুক্তির ভূমিকা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। যুক্তি মাত্রই ধর্মীয় বিশ্বাসকে বিনষ্ট করে-প্রচলিত এই ধারণার তিনি বিরুদ্ধতা করেন। আরো পড়ুন

সর্বপ্রাণবাদ বা আত্মাবাদ কাকে বলে

সর্বপ্রাণবাদ বা আত্মাবাদ (ইংরেজি: Animism) হচ্ছে মানব-বিহীন সত্ত্বা যেমন প্রাণী, উদ্ভিদ এবং প্রাণহীন বস্তু বা ইন্দ্রিয়গোচর বস্তুতে আধ্যাত্মিক নির্যাস বিরাজিত থাকা। অন্য কথায়, প্রকৃতির সব কিছুকেই সপ্রাণ মনে করা, সব ক্রিয়াকলাপের পেছনে প্রাণের অস্তিত্বকে অনুভব করাই হলো সর্বপ্রাণবাদ। আত্মার নিজস্ব থাকার অভিমতকে ‘আত্মাবাদ’ বলা চলে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!