নারী মুক্তি আন্দোলন প্রসঙ্গে
পুরুষতন্ত্রের বা পিতৃশাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং নারীদের পুরুষদের মতো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে অংশ গ্রহণ ও সুবিধা ভোগ করার অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন হয় তাই নারী-মুক্তি আন্দোলন। আরো পড়ুন
পুরুষতন্ত্রের বা পিতৃশাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং নারীদের পুরুষদের মতো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে অংশ গ্রহণ ও সুবিধা ভোগ করার অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন হয় তাই নারী-মুক্তি আন্দোলন। আরো পড়ুন
১৮৫৭-১৮৫৯ খ্রীস্টাব্দের গণ-অভ্যুত্থান ভারতের ইতিহাসে একটি অতি গুরত্বপূর্ণ ঘটনা। এতে ব্রিটিশ শাসনের সামাজিক ভিত্তির আপেক্ষিক দুর্বলতা প্রকটিত হয়েছিল এবং শোষকদের বিরুদ্ধে জনগণের গভীর ঘৃণাও আত্মপ্রকাশ করেছিল। আরো পড়ুন
মোগল বিরোধী গণ-অভ্যুত্থান সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ক্রমাগত ফুসে উঠেছিল নানাভাবে। যদিও এইসব অভ্যুত্থানের প্রকৃতি ছিলো ভিন্ন-ভিন্ন এবং এগুলির মধ্যে সংযোগ কিংবা সময় ছিলো সামান্যই। আরো পড়ুন
মোগল আমলের সমস্ত গণ-আন্দোলনের ফলে মোগল-রাজকোষে রাজস্বের পরিমাণ হ্রাস পায়। ওদিকে গোলকোণ্ডা-রাজ্য ১৬৩৬ খ্রীস্টাব্দে মোগলদের যেবার্ষিক সেলামি দেবে বলে চুক্তি করেছিল তা দেয় বন্ধ করে। আরো পড়ুন
মোগল আমলের শুরু সপ্তদশ শতক থেকে; সেই সময় মোগল-সম্রাটরা সমগ্র দক্ষিণ-ভারত নিজেদের পদানত করার আশা ত্যাগ করেন নি। ওই সময়ে মোগল-সেনাবাহিনীর দাক্ষিণাত্য-অভিযান শুরু করার পক্ষে প্রধান অগ্রসর ঘাঁটি ছিল গুজরাট। আরো পড়ুন
আহমদনগর জয় করার পুরস্কারস্বরূপ জাহাঙ্গীর তাঁর দ্বিতীয় পুত্র খুররমকে শাহ জাহান (অর্থাৎ দুনিয়ার শাসনকর্তা) উপাধি দিলেন ও তাঁকে নিযুক্ত করলেন সমৃদ্ধ গুজরাট রাজ্যের শাসনকর্তা। আরো পড়ুন
মোগল শাসনামলে মধ্যে সবচেয়ে উন্নত এলাকা ও সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্র ছিল গুজরাট। অপুর্ব চমৎকার নানা ধরনের কাপড় বোনা হতো সেখানে, নীলের চাষ হতো, মূল্যবান রক্তিমাভ ক্যরনীলিআন পাথরের নানা হাতে তৈরি জিনিস প্রস্তুত হতো আর তৈরি হতো আলঙ্কারিক নানা অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি। আরো পড়ুন
বাংলায় মোগল শাসনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলা থেকে বিরামহীন সম্পদ লুণ্ঠন। যদিও আকবরের রাজত্বকালে বাংলা মোগল-শাসনের অধীনে আসে তবু সাম্রাজ্যের এই প্রত্যন্ত প্রদেশটিতে মোগলদের শাসন যথেষ্ট নিশ্চিত ও নিরাপদ ছিল না। আরো পড়ুন