ফ্রান্সিস বেকন বস্তুবাদী ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির পথপ্রদর্শক

ফ্রান্সিস বেকন (ইংরেজি: Francis Bacon; ১৫৬১-১৬২৬ খ্রি.) ছিলেন দর্শন এবং জ্ঞানের ক্ষেত্রে বস্তুবাদী এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির পথপ্রদর্শক। বেকনের জ্ঞান এবং গবেষণার উৎসাহ কোনো একটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। দর্শন, বিজ্ঞান, রাষ্ট্রনীতি, আইন, সর্বক্ষেত্রেই বেকন তাঁর সৃষ্টিশীল মেননের পরিচয় দিয়েছেন। বেকনকে তাই সর্ব-বিষয়ে পারদর্শী বলা যায়। আরো পড়ুন

বাব্যুফ বা ফ্রান্সিস-নোয়েল ব্যাবুফ ছিলেন ফরাসি বিপ্লবী

বাব্যুফ বা ফ্রান্সিস-নোয়েল ব্যাবুফ বা গ্রাক্কাস বাব্যুফ (François-Noël Babeuf বা Gracchus Babeuf, French: [fʁɑ̃swa nɔɛl babœf]; ২৩ নভেম্বর ১৭৬০ – ২৭ মে ১৭৯৭ খ্রি.) ছিলেন ফরাসি বিপ্লবী। ১৭৯৬ সালে বাব্যুফের নেতৃত্বে ‘সমানদের ষড়যন্ত্র’ নামে একটা আন্দোলন সংঘটিত হয়।আরো পড়ুন

বিনোদচন্দ্র চক্রবর্তী ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী অগ্নিযুগের বিপ্লবী

বিপ্লবী বিনোদ চক্রবর্তী

বিনোদচন্দ্র চক্রবর্তী বা বিনোদ চক্রবর্তী (ইংরেজি: Binodchandra Chakrabarty) (১৯০৯ – ২৫ এপ্রিল, ১৯৭৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী। তিনি ময়মনসিংহের বিপ্লবী সংগঠন সাধনা সমিতির বিশিষ্ট কর্মী ছিলেন। বিনোদ চক্রবর্তী দীর্ঘ ১৬ বছর সন্ত্রাসবাদী ব্রিটিশ রাজের কারাদণ্ড ভোগ আরো পড়ুন

সৈয়দ মুজতবা আলী বিশ শতকের শ্রেষ্ঠ রম্য রচয়িতা

সৈয়দ মুজতবা আলীর জন্ম ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন শ্রীহট্ট জেলার (বর্তমানে সিলেট) করিমগঞ্জে (বর্তমানে ভারতের অন্তর্ভুক্ত)। পিতা–খান বাহাদুর সৈয়দ সিকান্দর আলী, মাতা-আমতুল মন্নান খাতুন। পিতা সিকান্দর আলী ডাক বিভাগে ‘পেইড এপ্রেন্টিস’ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতাবলে স্পেশাল সাব রেজিস্ট্রারের পদ লাভ করেন। সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন পিতামাতার তৃতীয় সন্তান। শৈশব কৈশোর থেকেই তিনি ছিলেন সাহসী, জেদি আর প্রতিভাদীপ্ত। আরো পড়ুন

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন কথাসাহিত্যিক, গবেষক ও সমালোচক

কথাশিল্পী নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়র প্রকৃত নাম তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৯১৮ সালের ০৪ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরের বালিয়াডাঙ্গিতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতৃভূমি বরিশালের বাসুদেবপুরের নলচিরায়। ছেলেবেলায় তাঁর ডাক নাম ‘নাড়’। সুনন্দ’ তাঁর ছদ্মনাম। বাবা প্রমথনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন পুলিশের দারোগা। মা বিন্ধ্যবাসিনী দেবী। বাবা-মায়ের অষ্টম সন্তান তিনি। তাঁর দুই অগ্রজ শিশু বয়সেই মারা যায়। বাকি আট ভাইবোন হলেন সতীরানী, নিখিলনাথ, ননীবালা, পুঁটুরানী, শেখরনাথ, তারকনাথ (নারায়ণ), বীণা ও কমলা। আরো পড়ুন

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে কথাসাহিত্যিক

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্বপুরুষের আদিনিবাস ছিল পশ্চিম চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার পানিতর গ্রামে। তাঁর পিতামহ তারিণীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় পিতৃগ্রাম পরিত্যাগ করে স্থায়ীভাবে চলে আসেন অবিভক্ত বাংলার যশোর জেলার বারাকপুর গ্রামে। বর্তমানে এই বারাকপুর গ্রাম পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়। ইছামতী-লালিত সবুজ-সমৃদ্ধ গ্রাম বারাকপুর। লোকে বলে চালকি-বারাকপুর। চালকি পাশের গ্রাম। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত ব্যারাকপুর থেকে আলাদা করে বোঝানোর জন্যেই এই নামকরণ—চালকি-বারাকপুর। তারিণীচরণের শ্বশুরবাড়ির সূত্রে কিছু আত্মীয়-স্বজন এই গ্রামের আশপাশে ছড়িয়ে ছিলেন। গ্রামগুলো হলো সাইলেপাড়া, শিমুলিয়া, শিলহাটি, মোল্লাহাটি, সুন্দরপুর, মাধবপুর, দুর্গাপুর, নিশ্চিন্দিপুর ইত্যাদি। আরো পড়ুন

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক

একটি উদার এবং রুচিশীল পারিবারিক পরিমণ্ডলের সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারী ছিলেন শিল্পী বনফুল। তার পিতামহ কেদারনাথ ছিলেন সঙ্গীতজ্ঞ এবং তান্ত্রিক কালীসাধক। বনফুলের পিতা সত্যচরণ মুখোপাধ্যায়ের জীবনের প্রাথমিক পর্যায় খুব একটা মসৃণ ছিল না। বাল্যকালেই মাতৃহীন হয়ে মামা-বাড়িতে মানুষ হন তিনি। ফলে জীবনকে তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। কিন্তু সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে শেষপর্যন্ত চিকিৎসক হিসেবে তিনি কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হন। সত্যচরণ মুখোপাধ্যায় ছিলেন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। আরো পড়ুন

সুবোধ ঘোষ একজন বাংলা কথাসাহিত্যিক

সুবোধ ঘোষ (জন্ম: ১৯০৯ – মৃত্যু: ১০ মার্চ, ১৯৮০) একজন বাংলা কথাসাহিত্যিক। বাংলাভাষী পাঠকসমাজে সুবোধ ঘোষ এখনও অনেক প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে তার সৃষ্ট ‘অযান্ত্রিক’ এবং ‘ফসিল’-এর মতো দুটি গল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যের যুগান্তকারী স্থান অধিকার করে আছেন। সুবোধ ঘোষের জন্ম বিহারের (বর্তমান ঝাড়খণ্ডের) হাজারিবাগের এক নিম্নমধ্যবিত্ত কায়স্থ পরিবারে, ১৯০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। চার পুরুষের বসতি তৎকালীন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে হলেও তার বাবা ছেলেকে আশৈশব বড়ো করে তুলেছিলেন হাজারিবাগে। জেলখানার অধস্তন চাকুরে শ্রী সতীশচন্দ্র ঘোষ ও শ্রীমতী কনকলতাদেবীর সাত সন্তানের মধ্যে সুবোধ ঘোষ দ্বিতীয়। আরো পড়ুন

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ – ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন জীবনদরদী মহাপ্রাণ সাহিত্যস্রষ্টা ও লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। বঙ্কিমচন্দ্র ও রবিন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যের আকাশে উজ্জ্বলতম জ্যোতিষ্ক হলেন তিনি; যিনি তাঁর সাহিত্য কালখণ্ড ও ভূমিখণ্ডকে স্বচ্ছন্দে অতিক্রম করে এক যুগোত্তীর্ণ মর্যাদায় অধিষ্টিত হয়ে আছেন বাঙালি পাঠকসমাজে। আরো পড়ুন

এনসেলম ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক

একক উক্তি

এনসেলম (ইংরেজি: Anselm; ১০৩৩-১১০৯ খ্রি.) ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক। এনসেলম ধর্মের সঙ্গে যুক্তির মিলন ঘটাবার চেষ্টা করেন। তৎকালে অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং গোঁড়ামির যে প্রবল ধারা খ্রিষ্টিয় সমাজে প্রচলিত ছিল, এনসেলম তার মধ্যে যুক্তির ভূমিকা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। যুক্তি মাত্রই ধর্মীয় বিশ্বাসকে বিনষ্ট করে-প্রচলিত এই ধারণার তিনি বিরুদ্ধতা করেন। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!