এনসেলম ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক

একক উক্তি

এনসেলম (ইংরেজি: Anselm; ১০৩৩-১১০৯ খ্রি.) ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক। এনসেলম ধর্মের সঙ্গে যুক্তির মিলন ঘটাবার চেষ্টা করেন। তৎকালে অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং গোঁড়ামির যে প্রবল ধারা খ্রিষ্টিয় সমাজে প্রচলিত ছিল, এনসেলম তার মধ্যে যুক্তির ভূমিকা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। যুক্তি মাত্রই ধর্মীয় বিশ্বাসকে বিনষ্ট করে-প্রচলিত এই ধারণার তিনি বিরুদ্ধতা করেন। আরো পড়ুন

আনাক্সিমেনিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক

এনাক্সিমেনিস বা আনাক্সিমেনিস বা মিলেতুসের আনাক্সিমেনিস (ইংরেজি: Anaximenes; ৫৮৮-৫২৫ খ্রি. পূ.) ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। তার জীবনের বিবরণ অস্পষ্ট এবং অনথিভুক্ত কারণ তার কোনও কাজ সংরক্ষিত হয়নি। গ্রীক দর্শনশাস্ত্রের ইতিহাসে এরিস্টট্ল এবং অন্যান্য লেখকদের দ্বারা তৈরি মতামত ও মন্তব্যগুলির কারণে আনাক্সিমেনের ধারণা ও দর্শন আজকে পরিচিত। আরো পড়ুন

এনাক্সিমেণ্ডার ছিলেন একজন গ্রিক বস্তুবাদী দার্শনিক

এনাক্সিমেণ্ডার (ইংরেজি: Anaximander; খ্রি.পূ. ৬১০-৫৪৬) ছিলেন আদি গ্রিক দার্শনিক থেলিসের শিষ্য। এনাক্সিমেণ্ডারের দর্শন বস্তুবাদী বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত। জীবন এবং জগৎ সম্পর্কে এনাক্সিমেণ্ডারের ব্যাখ্যা দ্বন্দ্বমূলক চরিত্রে বিশিষ্ট। বস্তুজগৎ এবং প্রাণীজগতের বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার আভাসও এনাক্সিমেণ্ডারের দর্শনে স্পষ্টরূপে পাওয়া যায়। আরো পড়ুন

আনাক্সাগোরাস সক্রেটিসের পূববর্তী যুগের অন্যতম গ্রিক দার্শনিক

আনাক্সাগোরাস বা এনাক্সাগরাস (ইংরেজি: Anaxagoras, ৫০০-৪২৮ খ্রি.পূ.) সক্রেটিসের পূববর্তী যুগের অন্যতম গ্রিক দার্শনিক। এই যুগের অপর গ্রিক দার্শনিকদের মধ্যে থেলিস, এনাক্সিমেনিস এবং এনাক্সিমেণ্ডারের নাম বিখ্যাত। আদি গ্রিক দার্শনিকদের বৈশিষ্ট্য ছিল জীবন এবং জগতের ব্যাখ্যায় বাস্তবতাবোধ। এনাক্সাগোরাসের দর্শনেও এই বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পাওয়া যায়। আরো পড়ুন

স্যামুয়েল আলেক্সান্ডার ছিলেন আধুনিক ব্রিটিশ নয়া বাস্তববাদী দার্শনিক

স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডার (Samuel Alexander; ১৮৫৮-১৯৩৮) আধুনিককালের ব্রিটিশ দর্শনিকদের মধ্যে ‘নিওরিয়ালিস্ট’ বা নয়া বস্তুবাদী বলে পরিচিত। নয়া বস্তুবাদ প্রকৃত পক্ষে বস্তুবাদী দর্শনও নয়। ভাববাদের সে প্রকারবিশেষ। বিশ্বজগৎ সম্পর্কে স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডারের দার্শনিক অভিমতের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে, তিনি স্থান এবং কালকে ভাব কিংবা জ্ঞানসূত্র না বলে মহাবিশ্বের মূল বস্তু মনে করেছেন। আরো পড়ুন

আল বিরুনি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক

আল বিরুনি বা আল বেরুণী (পূর্ণনাম: আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি) (ইংরেজি: Alberuni; ৯৭৩-১০৫০ খ্রি.) পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক। তাঁর জন্ম মধ্য এশিয়ার (রাশিয়ার) খোরেজাম বা খারিজমের খিবায় ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু ১০৪৮ কিংবা ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দে। ‘আলবেরুণী’ নামে ইতিহাসে পরিচিত। আরো পড়ুন

আগরিপা আনুমানিক দ্বিতীয় শতকের রোমান সংশয়বাদী দার্শনিক

আগরিপা (ইংরেজি: Agrippa the Skeptic) খ্রিস্টাব্দের আনুমানিক দ্বিতীয় শতকের রোমান সংশয়বাদী দার্শনিক। কেউ কেউ আগরিপাকে গ্রিক দার্শনিক বলেও মনে করেন। প্রাচীন সন্দেহবাদীদের মধ্যে আগরিপা অবশ্যই বিশিষ্ট ছিলেন। কারণ প্রাচীন যুগে ‘আগরিপা’ নামে একখানা পুস্তক রচিত হওয়ার কথা জানা যায়। আরও পড়ুন

এনিসিডেমাস খ্রিস্ট পূর্ব প্রথম শতকের গ্রিক দার্শনিক

এনিসিডেমাস (ইংরেজি: Aenesidemus) খ্রিস্ট পূর্ব প্রথম শতকের গ্রিক দার্শনিক। জ্ঞানের ক্ষেত্রে এনিসিডেমাস সন্দেহবাদের সমর্থক ছিলেন। তিনি প্লেটোর একাডেমীর সদস্য ছিলেন। সন্দেহবাদের ক্ষেত্রে এনিসিডেমাসকে তাঁর পূর্বগামী বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক পাইরহোর (৩৬৫-২৭৫ খ্রি. পূ.) অনুসারী বলা যায়। এনিসিডেমাসের মতে কোনো কিছু সম্পর্কেই সন্দেহাতীত জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয়। আরো পড়ুন

ম্যাকস এ্যাডলার ছিলেন অস্ট্রিয়ার রাজনীতিক, লেখক এবং দার্শনিক

ম্যাকস এ্যাডলার (Max Adler, ১৮৭৩-১৯৩৭) ছিলেন অস্ট্রিয়ার রাজনীতিক, লেখক এবং দার্শনিক। অস্ট্রিয়ার সোস্যাল ডিমোক্রাটিক পার্টির তাত্ত্বিক। প্রথম মহাযুদ্ধের পরবর্তীকাল থেকে এ্যাডলার সোস্যাল ডেমোক্রাটিক পার্টির বামপন্থী গ্রুপকে সমর্থন করেন। ১৯৩০ সালে কার্ল রেনার এবং রুডলফ হিলফারডিং-এর সঙ্গে যৌথভাবে এ্যাডলার আরো পড়ুন

আলফ্রেড এ্যাডলার ছিলেন অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী

আলফ্রেড এ্যাডলার (Alfred Adler, ১৮৭০-১৯৩৮) ছিলেন অস্ট্রিয়ার মনোবিজ্ঞানী। মনোসমীক্ষার প্রবর্তক সিগমুণ্ড ফ্রয়েডের পরেই মনোসমীক্ষার ক্ষেত্রে এ্যাডলারের খ্যাতি। কিন্তু মনোবিশ্লেষণের প্রশ্নে দুজনার মত এক নয়। এ্যাডলারের মনোসমীক্ষাণ ব্যক্তিকেন্দ্রীক। এ্যাডলার ব্যক্তিকে একটি স্বয়ংসম্পর্ণ চরিত্র বলে মনে করেন। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব পরিবেশ দ্বারা গঠিত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!