বাক্যের দ্ব্যর্থকতা বা দ্ব্যর্থক বাক্যাংশ কাকে বলে

বাক্যের দ্ব্যর্থকতা বা দ্ব্যর্থক বাক্যাংশ (ইংরেজি: Amphiboly) হচ্ছে যুক্তির ক্রটিবিশেষ। যুক্তির মধ্যে একটি ব্যক্যকে যদি একাধিক অর্থে ব্যবহার করা হয় কিংবা বাক্যটি যদি এরূপভাবে গঠিত হয় যে তার একাধিক অর্থ করা সম্ভব, তা হলে সিদ্ধান্ত ভ্রান্ত হতে পাবে। এ কারণে একই যুক্তির মধ্যে একাধিক অর্থপূর্ণ কোনো বাক্য ব্যবহারকে দ্ব্যর্থকতার দোষে দুষ্ট বলা হয়। আরো পড়ুন

পরার্থবাদ দ্বারা অপরের জন্য দুঃখ-কষ্ট সহ্য করা বা ত্যাগ স্বীকারের মনোভাব বুঝায়

ইংরেজি ‘Altruism বা অলট্রুইজম’ বা পরার্থবাদ শব্দের উৎপত্তি ফরাসি ভাষা থেকে। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁতে তাঁর মতবাদের ব্যাখ্যায় এই শব্দের ব্যবহার করেন। ইগোইজম বা আত্মবাদের বিরোধীভাব হিসাবে পরার্থবাদ ব্যবহৃত হয়। পরার্থবাদ কথাটির সাধারণ অর্থ সুপরিচিত। এই অর্থে পরার্থবাদ দ্বারা অপরের জন্য দুঃখ-কষ্ট সহ্য করা বা ত্যাগ স্বীকারের মনোভাব বুঝায়। আরো পড়ুন

বিচ্ছিন্নতা হচ্ছে কোনো কিছুর গুণ বা শক্তিতে স্বকীয় সত্তা হিসাবে প্রতিপন্ন করা

কোনো কিছুর গুণ বা শক্তিতে তার মূল আধার নিরপেক্ষভাবে স্বকীয় সত্তা হিসাবে প্রতিপন্ন করাকে দর্শনে বিচ্ছিন্নতা (ইংরেজি: Alienation) বলা হয়। সামাজিক অর্থনৈতিক বিকাশে বিচ্ছিন্নতাবাদ যে একটা প্রতিবন্ধকরূপে কাজ করে, সে সত্যকে মাকর্সবাদী দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মাকর্স প্রথমে উদঘাটন করেন। তাঁর মতে মানব সমাজের ক্রমবিকাশে মানুষের শ্রমশক্তি, শ্রমশক্তির বিভিন্ন ফলাফল যেমন- অর্থের উৎপাদন, মুদ্রার আবিস্কার, উৎপাদনের সম্পর্ক ইত্যাদি সবকিছুর আধার হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ। আরো পড়ুন

আলেক্সান্দ্রীয় দর্শন হচ্ছে সামাজিক বিজ্ঞানে প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়া শহরের অবদান

আলেক্সান্দ্রীয় দর্শন (ইংরেজি: Alexandrian School of Philosophy) হচ্ছে সাহিত্য, দর্শন, ঔষধ এবং বিজ্ঞানের হেলেনীয় এবং রোমান যুগের মিশরের আলেকজান্ডার শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে গড়ে ওঠা প্রবণতাগুলির জন্য একটি যৌথ পদবী। গ্রিক সভ্যতার পতনের পর মিশরের আলেক্সান্দ্রীয়া শহর প্রায় হাজার বছর ধরে বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত ছিল। আরো পড়ুন

স্যামুয়েল আলেক্সান্ডার ছিলেন আধুনিক ব্রিটিশ নয়া বাস্তববাদী দার্শনিক

স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডার (Samuel Alexander; ১৮৫৮-১৯৩৮) আধুনিককালের ব্রিটিশ দর্শনিকদের মধ্যে ‘নিওরিয়ালিস্ট’ বা নয়া বস্তুবাদী বলে পরিচিত। নয়া বস্তুবাদ প্রকৃত পক্ষে বস্তুবাদী দর্শনও নয়। ভাববাদের সে প্রকারবিশেষ। বিশ্বজগৎ সম্পর্কে স্যামুয়েল আলেক্সাণ্ডারের দার্শনিক অভিমতের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে, তিনি স্থান এবং কালকে ভাব কিংবা জ্ঞানসূত্র না বলে মহাবিশ্বের মূল বস্তু মনে করেছেন। আরো পড়ুন

আলীগড় আন্দোলন উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমদের শিক্ষা আন্দোলন

আলীগড় আন্দোলন (ইংরেজি: Aligrah Movement) ছিল উনিশ শতকের শেষের দশকগুলিতে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যার জন্য আধুনিক পদ্ধতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠার একটি আন্দোলন। ১৮৫৭ সনের সিপাহী বিদ্রোহ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামের পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্রদায়ের উচ্চবিত্ত এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তার একটি ধারা আলীগড় আন্দোলন আরো পড়ুন

আল বিরুনি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক

আল বিরুনি বা আল বেরুণী (পূর্ণনাম: আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি) (ইংরেজি: Alberuni; ৯৭৩-১০৫০ খ্রি.) পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক। তাঁর জন্ম মধ্য এশিয়ার (রাশিয়ার) খোরেজাম বা খারিজমের খিবায় ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু ১০৪৮ কিংবা ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দে। ‘আলবেরুণী’ নামে ইতিহাসে পরিচিত। আরো পড়ুন

দাদামশাইয়ের বৈঠকখানা

এক্কা দোক্কা তিন তেরেক্কা/ মা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর/ মামা গেছে ফারাক্কা/ চোখ পিটপিট, গা কুটকুট/ কুড়র মুড়র ঝাল বিস্কুট/ কার পকেটে/ কান পেতে শোন টক্কা টরে/ দরজাতে কে শব্দ করে/ তেরে কেটে তাক তেরে কেটে/ চোর না পুলিশ/ দেখে খুলিস। আরো পড়ুন

ওঠাপড়া

এইও! কাউকে বলবে না/ পাহাড়ে উঠছে বানরসেনা/ একপা দু-পা-তিন-পা/ সবার আগে শের পা/ যেই না পথ ফুরোয়/ পৌঁছে যায় চুড়োয়/ চেঁচিয়ে কয়, নামো নামো/ ল্যাজ আনিনি, আরে রামো/ কাজেই আবার এক-পা দু-পা/ হুপ পা হুপ, হুপ পা হুপা। আরো পড়ুন

আজীবিক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়

খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম এবং ষষ্ঠ শতাব্দিতে ভারতবর্ষে বৌদ্ধ এবং জৈনধর্মের প্রচারের সমকালে ‘আজীবিক’ (ইংরেজি: Ajivika) নামক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। এই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ‘মক্খলি গোশাল’ বলে এক ব্যক্তি। গোশালে জন্ম বলেই তাঁর নাম গোশাল হয়েছিল এরূপ অনেকে মনে করেন। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!