মরিশাস ঘাস: গবাদি পশুর পুষ্টিকর খাদ্য ও আদিবাসী চিকিৎসার এক অনন্য তৃণ

ভূমিকা: মরিশাস ঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Apluda mutica) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ উদ্ভিদ। এর পাতা, মূলে নানা ভেষজ গুণ আছে। এছাড়াও গবাদি পশু তৃণ হিসাবে খায়।

স্তর (Rank)বৈজ্ঞানিক নাম (Scientific Name)বাংলা নাম / পরিচয়
জগৎ / রাজ্যPlantaeউদ্ভিদ জগৎ
বিভাগTracheophytesভাস্কুলার উদ্ভিদ (নালিকাযুক্ত)
অবিন্যাসিতAngiospermsসপুষ্পক উদ্ভিদ
অবিন্যাসিতMonocotsএক-বীজপত্রী উদ্ভিদ
বর্গPoalesপোয়ালস (ঘাস বর্গীয়)
পরিবারPoaceaeপোয়েসি (তৃণ বা ঘাস গোত্রীয়)
গণApludaঅ্যাপ্লুডা
প্রজাতিA. muticaঅ্যাপ্লুডা মিউটিকা

মরিশাস ঘাস-এর বর্ণনা:

তৃণের গঠন ও পাতার বৈশিষ্ট্য: কণ্টকরোহিনী মূলত একটি বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী তৃণ বা ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। অনুকূল পরিবেশে এর কাণ্ড ৫০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে, যা মাটির সাথে শায়িত অবস্থায় অথবা খাড়াভাবে বেড়ে ওঠে। কাণ্ডের নিচের দিকের পর্বমধ্য (Node) থেকে শিকড় বা মূল জন্মায় এবং এর পর্বমধ্যগুলো সম্পূর্ণ রোমশবিহীন বা মসৃণ হয়।

এর পাতাগুলোর গঠন বেশ সুনির্দিষ্ট। পত্র ফলক উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার (Elliptic-lanceolate) বা রৈখিক-ভল্লাকার (Linear-lanceolate) আকৃতির এবং চ্যাপ্টা ধরনের হয়ে থাকে। পাতার দৈর্ঘ্য সাধারণত ৫ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ০.২ থেকে ১.০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। পাতার গোড়ার অংশটি সরু হয়ে বোঁটা বা বৃন্তের রূপ ধারণ করে। পাতাগুলো সম্পূর্ণ রোমশবিহীন কিংবা অত্যধিক রোমে (অতিরোমশ) আবৃত থাকতে পারে। এর অনুফলক বা লিগুল (Ligule) ঝিল্লিযুক্ত এবং লম্বায় ১ থেকে ৩ মিলিমিটার হয়ে থাকে।

পুষ্পবিন্যাস ও স্পাইকলেটের গঠন:
এই উদ্ভিদের ফুল ফোটার বিন্যাস ও স্পাইকলেটের গঠনগত বিন্যাস বেশ জটিল ও সূক্ষ্ম। এর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

  • পুষ্পবিন্যাস: এর পুষ্পবিন্যাস হলো একক রেসিম (Raceme) বা ছদ্ম প্যানিকেল (Pseudopanicle) প্রকৃতির, যা একটি বিশেষ চমসা বা স্প্যাথ (Spathe) দ্বারা শক্তভাবে আটকানো থাকে। এই বিন্যাসটি আকারে ৫ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হয় এবং মাঝে মাঝে এটি বিচ্ছিন্ন বা ছড়ানো থাকতে পারে। এর চমসাটি প্রশস্ত উপবৃত্তাকার বা ডিম্বাকার, যা আকারে ৩-৮ × ১-৪ মিলিমিটার, দীর্ঘাগ্র বা লেজবিশিষ্ট এবং একাধিক শিরাযুক্ত ও প্রান্তভাগ স্বচ্ছ হয়।
  • ফুলের রঙ ও বিন্যাস: ফুলগুলোর রঙ চমৎকার বেগুনি লাল বা সবুজ হয়ে থাকে। ১টি অবৃন্তক (বোঁটাহীন) এবং ২টি সবৃন্তক (বোঁটাযুক্ত—যার একটি বন্ধ্যা এবং অপরটি উর্বর) স্পাইকলেট নিয়ে এর রেসিমটি গঠিত হয়। ফুলের বৃন্তটি চ্যাপ্টা ও প্রশস্ত প্রকৃতির। এই বৃন্তটি নিচের গ্লুমসহ অবৃন্তক স্পাইকলেটের চারপাশ ঘিরে একটি বিশেষ ত্রিকোণাকার বাক্সের মতো আকৃতি গঠন করে।
  • স্পাইকলেটের মাপ: অবৃন্তক স্পাইকলেটটি ২-পুষ্পবিশিষ্ট এবং ২ থেকে ৬ মিলিমিটার লম্বা হয়, যা পার্শ্বীয়ভাবে চাপা ও স্থূলাগ্র প্রকৃতির। অন্যদিকে সবৃন্তক স্পাইকলেটটি প্রশস্ত ভল্লাকার এবং আকারে ৩-৬ × ১.০-১.৫ মিলিমিটার লম্বা হয়; এর সরু ও দীর্ঘায়িত বৃন্তটি ২ থেকে ৪ মিলিমিটার লম্বা হয়ে থাকে।

ফুলের অভ্যন্তরীণ অংশ (গ্লুম, লেমা ও পেলিয়া):

  • গ্লুমের গঠন: এর নিচের গ্লুমটি উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার, আকারে ৩-৮ × ১-২ মিলিমিটার এবং চর্মবৎ (Coriaceous) টেক্সচারের হয়। এতে ৯ থেকে ১৫টি শিরা থাকে, যার পৃষ্ঠদেশ আড়াআড়িভাবে উত্তল, ২টি খাঁজযুক্ত এবং শীর্ষভাগ সরু পাখাবিশিষ্ট ও ২টি দণ্ডযুক্ত হয়। ওপরের গ্লুমটি দেখতে নৌকাকৃতি, আকারে ৩-৬ × ১৩ মিলিমিটার এবং ঠোঁটের মতো বাঁকানো থাকে; এটি পেপারতুল্য, অস্পষ্ট ৫-১১ শিরাল এবং শূকবিহীন (Awnless) হয়, যার খাঁজগুলো সিলিয়াযুক্ত বা মসৃণ প্রকৃতির।
  • পুষ্পিকা ও লেমা: এর নিচের পুষ্পিকাটি পুরুষাঙ্গ বিশিষ্ট এবং ওপরের পুষ্পিকাটি উভলিঙ্গ (Hermaphrodite) প্রকৃতির হয়। নিচের লেমাটি দীর্ঘায়িত-ভল্লাকার, আকারে ৩-৫ × ০.৫-১.০ মিলিমিটার, স্বচ্ছ এবং ৩-৫টি শিরাযুক্ত হয়। ওপরের লেমাটি খাঁজযুক্ত, স্বচ্ছ এবং ৩টি শিরাবিশিষ্ট হয়। এর শূক (Awn) লম্বায় ৩ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং সম্পূর্ণ রোমশবিহীন হয়, যার স্তম্ভটি ৩ থেকে ৬ মিলিমিটার এবং বাদামী রঙের হয়ে থাকে।
  • পেলিয়া ও লডিকিউল: পেলিয়া দেখতে ডিম্বাকার ও সূক্ষ্মাগ্র প্রকৃতির, যার আকার ১.৫-২.৫ × ০.৫-১.০ মিলিমিটার এবং এটি ২টি খাঁজ ও ২টির শিরাযুক্ত হয়। এর লডিকিউলটি বিডিম্বাকার, আকারে ০.৩-০.৫ মিলিমিটার এবং কর্তিতাগ্র প্রকৃতির হয়।

প্রজনন অঙ্গ ও ক্রোমোজোম সংখ্যা:
এই তৃণের ফুলগুলোতে ৩টি পুংকেশর থাকে, যার পরাগধানী ১ থেকে ৪ মিলিমিটার লম্বা এবং গৌর বর্ণযুক্ত (ফ্যাকাশে বা উজ্জ্বল) হয়, যার প্রান্তভাগ হালকা লালাভ দেখায়। এর গর্ভাশয়টি দীর্ঘায়িত আকৃতির এবং মাত্র ০.৫ থেকে ১.০ মিলিমিটার লম্বা হয়; এর গর্ভদণ্ড ১ থেকে ২ মিলিমিটার এবং পক্ষল (পাখাবিশিষ্ট) গর্ভমুণ্ডটি লম্বায় ১.৫ treasures ৩.০ মিলিমিটার ও চমৎকার লাল রঙের হয়ে থাকে। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের গবেষণামতে, কণ্টকরোহিনীর ক্রোমোজোম সংখ্যা হলো ২n = ২০, ৪০।

আবাসস্থল ও বংশ বিস্তার:

অনুকূল পরিবেশ ও আবাসস্থল:
কণ্টকরোহিনী মূলত এমন একটি তৃণ বা ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ যা তীব্র রোদের চেয়ে কিছুটা শীতল ও আর্দ্র পরিবেশ বেশি পছন্দ করে। উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈচিত্র্য অনুযায়ী, এটি মূলত ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দকারী একটি উদ্ভিদ। এটি প্রধানত নিচে উল্লিখিত স্থানগুলোতে প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে বেড়ে ওঠে:

  • পাহাড়ের উন্মুক্ত ঢাল: পাহাড়ি অঞ্চলের খোলা বা উন্মুক্ত ঢালু উপত্যকায় এটি সহজে জন্মে।
  • জলাশয়ের তীরবর্তী অঞ্চল: নদী, খাল, ছড়া কিংবা যেকোনো প্রাকৃতিক জলাশয়ের ভেজা ও আর্দ্র কিনারায় এটি প্রচুর দেখা যায়।
  • সমভূমির গুল্ম অরণ্য: সমতল ভূমিতে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ঝোপঝাড় ও গুল্ম বনাঞ্চলের ছায়াময় পরিবেশ এই ঘাসের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

ফুল ও ফল ধারণের মৌসুম:
এই তৃণের ফুল ও ফল আসার একটি নির্দিষ্ট ঋতুচক্র রয়েছে। গাছটিতে সাধারণত জুলাই থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ফুল ও ফল ধারণ প্রক্রিয়া চলে। এই নির্দিষ্ট সময়ে ঘাসের ডগায় বেগুনি লাল বা সবুজ রঙের রেসিম পুষ্পবিন্যাস দেখা যায়।

বংশবিস্তার ও চারা উৎপাদন:
প্রকৃতিতে এই উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া খুবই সহজ ও প্রাকৃতিকভাবেই সম্পন্ন হয়। কণ্টকরোহিনী তৃণের বংশবিস্তার মূলত পরিপক্ব বীজ দ্বারা হয়ে থাকে। পাকা স্পাইকলেট থেকে বীজ যখন বাতাসে ভেসে কিংবা পানির স্রোতে উর্বর মাটি ও পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসে, তখন তা থেকে প্রাকৃতিকভাবেই নতুন নতুন চারা গজিয়ে ওঠে।

মরিশাস ঘাস-এর বিস্তৃতি:

বৈশ্বিক ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
এই তৃণ বা ঘাস প্রজাতিটি আন্তর্জাতিকভাবে একটি বিশাল ভৌগোলিক অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। এটি প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া থেকে শুরু করে ওশেনিয়া অঞ্চল পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। বিশেষ করে ভারত, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বিভিন্ন উন্মুক্ত পাহাড়ি ঢাল, জলাশয়ের তীরবর্তী আর্দ্র এলাকা এবং গুল্ম বনাঞ্চলে এই ঘাসটি প্রচুর পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও প্রাপ্যতা:
আমাদের বাংলাদেশে কণ্টকরোহিনী কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা জেলায় সীমাবদ্ধ নয়। দেশের মাটি ও জলবায়ু এই তৃণের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সর্বত্রই অল্পবিস্তর জন্মিতে দেখা যায়। গ্রামীণ ঝোপঝাড়, নদীর পাড় কিংবা ছায়াযুক্ত সমতল ভূমিতে প্রাকৃতিকভাবেই এই ঘাসটি সহজে টিকে থাকে এবং ছড়িয়ে পড়ে।

অর্থনৈতিক ব্যবহার ও গুরুত্ব:

গবাদি পশুর পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার: কণ্টকরোহিনী তৃণটি কেবল প্রাকৃতিকভাবে বনের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতি ও পশুপালনেও এর দারুণ ব্যবহার রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ বা কচি অবস্থায় এই তৃণ মহিষের খাদ্যরূপে অত্যন্ত উপকারী। গাছটি যখন ছোট ও নরম থাকে, তখন এর পাতা ও কাণ্ড বেশ রসালো এবং চিবানোর উপযোগী হয়। এই কচি ঘাস মহিষের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এবং তাদের হজমপ্রক্রিয়া সচল রাখতে দারুণ ভূমিকা পালন করে। তবে ঘাসটি যখন পূর্ণবয়স্ক বা শক্ত হয়ে যায়, তখন এর খাদ্যমান কিছুটা কমে আসে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী চিকিৎসাপদ্ধতি: ঐতিহ্যগত লোকজ চিকিৎসায় এই কণ্টকরোহিনী তৃণটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ উপাদান হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু আদিবাসী সম্প্রদায় এই উদ্ভিদটিকে নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করে থাকে। ফুসফুসের এই জটিল সংক্রমণের প্রথাগত উপশমে তারা গাছের বিশেষ নির্যাস তৈরি করে রোগীকে সেবন করায়।

ভারতের মুণ্ডা আদিবাসীদের ভেষজ ব্যবহার: অনুরূপভাবে, ভারতের ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড অঞ্চলের মুণ্ডা আদিবাসী সম্প্রদায় ছত্রাকজনিত (Fungal) মুখের ঘা নিরাময়ের জন্য এই উদ্ভিদ ব্যবহার করে। মুখের ভেতরের অস্বস্তিকর ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা ক্ষত দূর করতে তারা এই তৃণের রস বা ক্বাথ ঐতিহ্যগত ওষুধ হিসেবে আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করে থাকেন।

⚠️ জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা (Disclaimer): যদিও বিভিন্ন আদিবাসী সংস্কৃতি ও প্রথাগত ভেষজ চিকিৎসায় কণ্টকরোহিনী তৃণের নিউমোনিয়া ও মুখের ঘা নিরাময়ে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে, তবুও আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রমাণিত নয়। বিশেষ করে নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক ফুসফুসের সংক্রমণ কিংবা মুখের ভেতরের জটিল ক্ষত চিকিৎসায় কোনো ভেষজ টোটকার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে সর্বদা একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের (Registered Physician) পরামর্শ নেওয়া উচিত। ইন্টারনেটের তথ্য কখনোই পেশাদার চিকিৎসা সেবার বিকল্প হতে পারে।

মরিশাস ঘাস-এর অন্যান্য তথ্য:

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের  ১২ খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) মরিশাস ঘাস প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এদের শীঘ্র কোনো সংকটের কারণ দেখা যায় না এবং বাংলাদেশে এটি আশঙ্কামুক্ত হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে মরিশাস ঘাস সংরক্ষণের জন্য কোনো পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি। প্রজাতিটি সম্পর্কে প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই প্রজাতিটির বর্তমানে সংরক্ষণের প্রয়োজন নেই।

আরো পড়ুন:

তথ্যসূত্র ও টিকা:

১. এস নাসিরউদ্দিন (আগস্ট ২০১০) “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস” আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। খন্ড ১২, পৃষ্ঠা ১৯৯। আইএসবিএন 984-30000-0286-0

২. এই নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২৯ মার্চ ২০২১ তারিখে এবং সর্বশেষ তথ্যসহ এটি ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আপডেট করা হয়েছে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!