সিতারা বা ডুগডুগি কারুশিল্পে ব্যবহৃত বৃক্ষ

সিতারা বা ডুগডুগি খাটো অসরল বৃক্ষ, ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুণ কান্ড মসৃণ, অর্ধগোলাকার, ধূসর বর্ণযুক্ত। পত্র সরল, গুচ্ছাকারে ছড়ানো, অবৃন্তক, সরু বিডিম্বাকার থেকে বিডিম্বাকার দীর্ঘায়ত, আরো পড়ুন

আর্ট ফিল্ম ও কমার্শিয়াল ফিল্ম প্রসঙ্গে–সন্দীপন চক্রবর্তী

কমার্শিয়াল ফিল্ম

বিজ্ঞানের এক মজার আবিষ্কার হিসেবেই চলচ্চিত্রের জন্ম। বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তার ব্যবহার শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তা জনপ্রিয় ও বাজারসফল হয়ে ওঠে। এরপর ক্রমে তা এক স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং পূর্বোক্ত ধারার ছবিগুলোর থেকে শিল্পিত ছবিগুলোকে আলাদা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। আরো পড়ুন

ঝিল শিংঘি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুলভ মাছ

সমগ্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং লাউসে স্থির পানির জলাশয়ে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত, তবে ইষৎ লবণাক্ত পানিতে বিরল। আরো পড়ুন

আফ্রিকান মাগুর বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত এবং বাংলাদেশে আগ্রাসি মাছ

আফ্রিকান মাগুরের দেহ লম্বা, চোঙাকৃতির এবং দীর্ঘ পৃষ্ঠ ও পায়ুপাখনা যুক্ত। বক্ষপাখনায় শক্তিশালী কাঁটা থাকে যার বহিঃস্থ পার্শ্ব করাতের ন্যায় ধারালো (Teugels, 1986)। দেহ ত্বক আইশবিহীন ও পিচ্ছিল, পৃষ্ঠ এবং পার্শ্বদেশ কালো বর্ণের। আরো পড়ুন

দেশি পাঙ্গাশ বাংলাদেশের মহাবিপন্ন প্রজাতি মাছ

মাথাটি মুখের কোণের পিছনে তার দৈর্ঘ্যের সমান বিস্তৃত। তুন্ড প্রায় গোলাকার। চোখ সরু চর্বি গঠিত পাতাযুক্ত এবং আংশিকভাবে মুখের কোণের নিচের স্তরে অবস্থিত। আরো পড়ুন

থাই পাঙ্গাশ বাংলাদেশে আগ্রাসি প্রজাতির মাছ

দেহ চাপা এবং লম্বা। পৃষ্ঠপাখনার পশ্চাতের পৃষ্ঠদেশ প্রায় সোজা। মাথা নরম ত্বক দ্বারা আবৃত। প্রায় প্রান্তীয় মুখ বিদ্যমান। সম্মুখ নাসারন্ধ্র সুস্পষ্টভাবে তুন্ডশীর্ষে অবস্থান করে। পশ্চাৎ নাসারন্ধ্র একটা সরু প্রান্তযুক্ত। আরো পড়ুন

রুই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার জনপ্রিয় মাছ

রুই মাছের দেহ মধ্যম লম্বা। পৃষ্ঠদেশ অংকীয় দেশের তুলনায় অধিক উত্তল । তুন্ড ভোতা ,মুখের সামনে বর্ধিত এবং পার্শ্ব লোববিহীন । চোখ দুইটি ছোট যা মাথার নিচ থেকে দেখা যায়। তুন্ড ছিদ্রযুক্ত নয় । আরো পড়ুন

সিলভার কার্প এশিয়ার অধিক উৎপাদনশীল মাছ

দেহ শক্তিশালী এবং চাপা; উদর গভীরভাবে চাপা; গলা থেকে পায়ু পর্যন্ত তীক্ষ্ণ খাঁজযুক্ত। মাথা তুলনামূলক ছোট, পশ্চাৎ কানকো বিক্ষিপ্ত সূতাযুক্ত; তুন্ড ভোতা, সম্মুখে স্থলভাবে গোলাকার। আরো পড়ুন

কালিবাউশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিপন্ন মাছ

কালিবাউশ বা কালবাউশের পৃষ্ঠদেশ উদরীয় অংশের তুলনায় অধিক উত্তল। তুন্ড ভোতা তবে কোনো পার্শ্বলাব থাকে না। অক্ষিকোটরের মধ্যবর্তী স্থান উত্তল । আরো পড়ুন

থাই সরপুটি এশিয়ার দেশসমূহের বাণিজ্যিক মাছ

দেহ দৃঢ়ভাবে চাপা; পৃষ্ঠদেশ উঁচু এবং বাঁকা, মাঝে মাঝে পশ্চাৎ কপাল অবতল থাকে। মাথা ছোট; তৃভ সূচালো ও মুখ প্রান্তীয়। স্পর্শী খুব ক্ষুদ্র বা লুপ্তপ্রায়, বিশেষ করে উপরেরটি মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ অদৃশ্য থাকে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!