ব্রহ্মশৈলী
তুই কি থাকবি আমার পাশে?
হাঁটবি আমার সাথে টুকটুকে স্বপ্ন নিয়ে?
জগতের স্বাভাবিক সব সুর সঁপে দেব তোর অঙ্গে
যদি হতে চাস নির্মলধ্বনি। আরো পড়ুন
সাহিত্য জগতের প্রধান শিল্পরূপ হচ্ছে কবিতা। মানুষ তার চেতনার উন্মেষকাল থেকেই কল্পনাশক্তি ও ভাষার সাহায্যে কবিতা রচনার ক্ষমতা অর্জন করেছিল। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ কবিতায় রচিত। কালের ধারায় বাংলা কবিতা বিকশিত হয়েছে মানবমন, সমাজজীবন ও প্রকৃতির রূপরস অবলম্বন করে। প্রাচীন ও মধ্যযুগ অতিক্রম করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলা কবিতা তার বিচিত্র ধারায় প্রসারিত। উনিশ শতকে ঔপনিবেশিক জীবন-প্রতিবেশে সূচিত হয় পাশ্চাত্য সাহিত্যাদর্শের অনুপ্রেরণা-ঋদ্ধ একটি আধুনিক ধারা, তবে স্বদেশের জীবন ও নিসর্গই ছিল এই কবিতার ভাব ও রূপবৈচিত্র্যের মূল উপাদান।
কবিতা হচ্ছে কিছু শব্দ প্রয়োগ করে ছন্দ ও অর্থযুক্ত বাক্য বিন্যাস তৈরি করা। কবিতায় একজন ব্যক্তি বা কবির নিজের আবেগ-অনুভূতি, চিন্তা-উপলব্ধি, মতাদর্শ ইত্যাদি সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয়। সাহিত্যের আদিম শাখা হচ্ছে কবিতা। স্বরবিত্ত, মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত ছন্দে কবিতা লেখা হয়।
তুই কি থাকবি আমার পাশে?
হাঁটবি আমার সাথে টুকটুকে স্বপ্ন নিয়ে?
জগতের স্বাভাবিক সব সুর সঁপে দেব তোর অঙ্গে
যদি হতে চাস নির্মলধ্বনি। আরো পড়ুন
কবিতা নিরবে পাড়ি দেয় এক যুগ থেকে অন্য যুগে,
সে ছবি আঁকে, সিন্দুকে বন্দি থাকা ইতিহাসের কষ্ট নিয়ে,
সে প্রশ্ন করে,প্রতিবাদ জানায় সময়ের দাবি তুলে ধরে। আরো পড়ুন
তাঁর তামাটে রূপ দেখেছি সমতল ছেড়ে পাহাড়ে
যেখানে সবুজ মিশেছে সাদা মেঘের আলিঙ্গনে,
টিলার বুকে প্রাণের ধারা নিয়ে এসেছে পলাশের সাজ। আরো পড়ুন
তীরের শীতল হাওয়ারা ভিড় জমিয়েছিলো সেরাতে—
ছোট ঘরটির ভাঁজে ভাঁজে আনন্দের ঢেউ লুটিয়ে পড়ছিলো,
আমাদের আলোর প্লাবনে ভাসিয়েছিলো একটি মোমবাতি,
ওটি ছিলো অন্ধকার গহ্বর পেরিয়ে আসা এক লড়াকু মশাল। আরো পড়ুন
তুমি যে নগরীতে আছো তা বহু আগে ক্ষয়ে গেছে
ধূসর হতে হতে আজ সে বিন্দুসম,
আমি তোমাকে বলেছিলাম;—এসো একবার, আরো পড়ুন
হারিয়ে যাওয়া অনেক কিছুর মাঝে তুমি আছো,
তোমার হারানো বুকে উড়ছে এখন হলদে রং ধোঁয়া,
চোরাবালিতে হারিয়ে যেতে যেতে আমি খুঁজছি প্রিয় হাত আরো পড়ুন