সবুজ দাঁড়াশ সাপ এশিয়ার আবাসিক ও বাংলাদেশের অপ্রতুল সাপ

সবুজ দাঁড়াশ সাপ বা সবুজ ধারাজ হচ্ছে কলুব্রিডি পরিবারের টিয়াস গণের একটি সাপের প্রজাতি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় এই গণে বাংলাদেশে রয়েছে ৩ টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে এই ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটি হচ্ছে সবুজ দাঁড়াশ সাপ। আরো পড়ুন

পাহাড়ি বোরা এশিয়ার বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অপ্রতুল সাপ

ভুমিকা: পাহাড়ী বোড়া Ovophis গণের অন্তর্ভুক্ত। এই গণের সরীসৃপ দেখতে পিউপিল উলম্ব ও উপবৃত্তাকার, লোরিয়াল পিট উপস্থিত, মাথা ত্রিকোণাকার, প্রথম উপরের ল্যাবিয়াল সঁচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পৃথক থাকে। দেহের মধ্যভাগে আঁইশের সংখ্যা, অঙ্কীয় আঁইশের সংখ্যা ১৯০-এর চেয়ে কম (Leviton et al., 2003)। আরো পড়ুন

ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ এশিয়ার আবাসিক ও বাংলাদেশের দুর্লভ সাপ

ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ বা চীনা দাঁড়াশ সাপ হচ্ছে কলুব্রিডি পরিবারের টিয়াস গণের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় এই গণে বাংলাদেশে রয়েছে ৩ টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে এই ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটি হচ্ছে ইন্দো-চিনা দাঁড়াশ সাপ। আরো পড়ুন

টিয়াস হচ্ছে কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম

টিয়াস (ইংরেজি: Ptyas) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এই গণে মোট ১৩টি প্রজাতি। টিয়াস গণে পৃথিবীতে রয়েছে এই গণে মোট ১৩টি প্রজাতি এবং বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের ৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি ৩টি হচ্ছে ১. দেশি দাঁড়াশ সাপ, ২. ইন্দো-চীনা দাঁড়াশ সাপ ও ৩. সবুজ দাঁড়াশ সাপ। আরো পড়ুন

ইয়েমেন সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত আফ্রিকার দেশ

ইয়েমেন

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েল একটি শিল্প-কৃষিসমৃদ্ধ দেশ। এর মোট ৪০ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ আরব। তেল আবিব দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেরুসালেমকে সে বেআইনীভাবে তার রাজধানী ঘোষণা করেছে। আরো পড়ুন

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কৃষি প্রধান দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রত্যন্ত দক্ষিণে অবস্থিত। এটি আয়তন (১২ লক্ষাধিক বর্গকিলোমিটার) ও জনসংখ্যা (৩ কোটি) উভয়তই একটি বৃহৎ পুঁজিবাদী দেশ। দেশের রাজধানী প্রিটোরিয়ার জনসংখ্যা ৬ লক্ষ। প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশের ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রটি গঠিত। আরো পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী শিল্পন্নোত দেশ

অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথের অধিকাংশই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ ও উপউষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত। আয়তনের দিক থেকে দেশটি কানাডার প্রায় সমান হলেও এর জনসংখ্যা কানাডার চেয়ে কম। শিল্পোৎপাদনের পরিমাণ হিসাবে পুঁজিবাদী বিশ্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির দশটি দেশের অন্যতম। আরো পড়ুন

কানাডা পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শোষণমূলক লুটেরা গণবিরোধী প্রজাতন্ত্র

কানাডা ও অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথর অন্তর্ভুক্ত। হাজার হাজার কিলোমিটারের ব্যবধান সত্ত্বেও উত্তর গোলার্ধের কানাডা এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ ইতিহাস, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির দিক থেকে বহুলাংশে অভিন্ন। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া এই উভয় দেশই প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং বহিরাগত ইউরোপীয়রাই এগুলির উন্নতি ও জনসংখ্যা গঠন করেছে। আজও দেশদুটি ব্রিটেনের প্রাক্তন উপনিবেশ নিয়ে গঠিত কমনওয়েলথের সদস্য। আরো পড়ুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতে ৫ সংগঠনের বিক্ষোভ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির জন্য গ্রেড বৈষম্য দূর করে মজুরি প্রদান, শ্রমিকদের উপর দমন-পীড়ন বন্ধসহ ন্যায্য দাবীর প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কমিউনিস্টদের ৫টি সংগঠন।আরো পড়ুন

খ্রিস্টীয় সমাজতন্ত্র প্রতিক্রিয়াশীল বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী গণবিরোধী চিন্তাধারা

১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে সারা ইউরােপ যখন বৈপ্লবিক অভুত্থানে উত্তাল তখন ইংল্যান্ডে কিছু সংখ্যক অ্যাংলিক্যান যাজকগােষ্ঠীর লােক খ্রিস্টীয় সমাজতন্ত্র (ইংরেজি: Christian Socialism) আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিলো সমাজ সংস্কারমূলক ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে চার্চকে যুক্ত করা। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!