ফ্রান্স পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী প্রজাপীড়ক গণবিরোধী লুটেরানির্ভর প্রজাতন্ত্র

আজকের দুনিয়ায় ফ্রান্স একটি স্বকীয় বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। একটি প্রধান পুঁজিবাদী দেশ হিসাবে সে মার্কিন একচেটিয়াদের অভিভাবকত্ব থেকে মুক্তিলাভে সচেষ্ট এবং বাস্তবধর্মী বৈদেশিক নীতি অনুসরণে দৃঢ়সংকল্প। ফ্রান্স ন্যাটোর সামরিক সংস্থাগুলি থেকে সরে এসেছে, দেশ থেকে ন্যাটোর সামরিক কর্মচারী ও ঘাঁটিগুলি হটিয়ে দিয়েছে এবং সেসঙ্গে এই আক্রমণাত্মক জোটের সদস্যপদও বজায় রেখেছে। আরো পড়ুন

ভারত পৃথিবীর বৃহৎ নয়া উপনিবেশিক পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্র

ভারত পৃথিবীর অন্যতম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সুবৃহৎ পুঁজিবাদী শোষণনির্ভর সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত রাষ্ট্র। ভারত বিশ্বপরিস্থিতিতে ক্রমেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই দেশটি ১৫ হাজার কিলােমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বরাবর চীন, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

জার্মানি উন্নত অর্থনীতিসম্পন্ন পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শোষণমূলক নিপীড়ক রাষ্ট্র

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র উন্নত অর্থনীতিসম্পন্ন অন্যতম প্রধান পুঁজিবাদী দেশ। পশ্চিমা শক্তিগুলির সহায়তায় এটি তার অর্থনৈতিক সামর্থ পুনর্বাসিত ও উন্নত করে। অতঃপর পশ্চিম জার্মানি সাধারণ বাজারে প্রধান ভূমিকাসীন হয়েছে। ১৯৫৫ সালে দেশটি ন্যাটোভুক্ত হয়। আরো পড়ুন

বাংলাদেশ পুঁজিবাদ অনুসারী সাম্রাজ্যবাদ পীড়িত শোষণমূলক নয়া উপনিবেশিক রাষ্ট্র

ভূ-গোলকে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (ইংরেজি: People’s Republic of Bangladesh) পুঁজিবাদ অনুসারী এবং সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ। ১৯৭১ সালে পূর্ব বাংলার জনগণের জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম সফল হলে দেশটি পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্রে সার্বভৌম স্বাধীন দেশ হিসেবে এর অভ্যুদয় ঘটে। আরো পড়ুন

ইংল্যান্ড মানব ইতিহাসের বৃহত্তম পরপীড়ক সাম্রাজ্যবাদী সামরিক দেশ

যুক্তরাজ্য একটি প্রধান সাম্রাজ্যবাদী দেশ। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ এখনো একটি প্রবল অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্রিটেন তার প্রাক্তন অবস্থানগুলি সহ প্রাক্তন ক্ষমতার অনেকটাই হারিয়েছে। ব্রিটেন পুঁজিবাদী বিকাশের পথবতী প্রথম ইউরোপীয় দেশ। উনিশ শতকের মাঝামাঝি বহুবিধ কারণে সে ‘বিশ্বের কারখানা ও পৃথিবীর প্রধান বাণিজ্যিক শক্তির দাবিদার হয়ে ওঠে। বিশ শতকের গোড়ার দিকে বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ ভূমি ও জনসংখ্যা তার উপনিবেশভুক্ত হয়। উপনিবেশ দখল ও লুণ্ঠন ছিল তার সম্পদ ও শক্তির একটি প্রধান উৎস। এক্ষেত্রে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা অবশ্যই তুলনাহীন। আরো পড়ুন

মায়ানমার জাতিদম্ভী পুঁজিবাদ অনুসারী শোষণমূলক প্রজাপীড়ক গণবিরোধী রাষ্ট্র

মায়ানমার বা মিয়ানমার বা মায়ানমার ইউনিয়ন প্রজাতন্ত্র (ইংরেজি: Republic of the Union of Myanmar, পূর্বনাম: বর্মা ইউনিয়ন সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র) হচ্ছে ইন্দোচীন উপদ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত জাতিদম্ভী পুঁজিবাদ অনুসারী শোষণমূলক রাষ্ট্র। দেশটির মূল ভূভাগ থাইল্যাণ্ড, লাওস, চীন, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তের সঙ্গে যুক্ত। এদেশ নদীর উপত্যকাকীর্ণ পর্বত ও মালভূমির দেশ, উষ্ণমণ্ডলীয় অরণ্যের দেশ। আরো পড়ুন

কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি পুঁজিবাদ অনুসারী দেশ

কম্বোডিয়া বা কম্বোডিয়া রাজতন্ত্র বা কম্পুচিয়া (ইংরেজি: Kingdom of Cambodia) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি পুঁজিবাদ অনুসারী দেশ। ইন্দোচীন উপদ্বীপে অবস্থিত অন্যান্য দেশের মতাে কম্বােডিয়া দীর্ঘকাল বৈদেশিক উপনিবেশবাদীদের কবলে ছিল। প্রথমত দেশটিকে ফরাসীরা দখল করে।আরো পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়া হলো পাশ্চাত্যের দ্বারা নিপীড়িত অঞ্চল

দক্ষিণ এশিয়া (South Asia) হলো পাশ্চাত্যের দ্বারা নিপীড়িত অঞ্চল। এই অঞ্চল নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত। এছাড়াও জাতিসংঘ ঘোষিত দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া নামের উপ-অঞ্চলে উপরের দেশগুলো ছাড়াও আফগানিস্তান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরো পড়ুন

পশ্চিমা ব্লক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ওয়ারশ চুক্তির বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসমূহের ব্লক

CIA- এর মতে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, লুক্রেমবুর্গ, নেদারল্যান্ড, মোনাকো, যুক্তরাজ্য এই ৭টি দেশ নিয়ে পশ্চিম ইউরোপ গঠিত হয়েছে। এছারাও পুর্তগাল, স্পেন, এন্ডরা দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের অন্তর্ভুক্ত দেশ যা পশ্চিম ইউরোপের দেশ হিসাবে আমারা মনে করতে পারি। আরো পড়ুন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া হলো পাশ্চাত্যের দ্বারা নিপীড়িত অঞ্চল

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (Southeast Asia) উন্নয়নশীল বিশ্বের এক বিস্তৃত জনবহুল অঞ্চল। প্রায় ১০ লক্ষ বর্গকিলােমিটার বিস্তৃত এই অঞ্চলের জনসংখ্যা আফ্রিকা ও এশিয়ার মােট জনসংখ্যার প্রায় ৬০ ভাগ।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!