জার্মানি উন্নত অর্থনীতিসম্পন্ন পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শোষণমূলক নিপীড়ক রাষ্ট্র

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র উন্নত অর্থনীতিসম্পন্ন অন্যতম প্রধান পুঁজিবাদী দেশ। পশ্চিমা শক্তিগুলির সহায়তায় এটি তার অর্থনৈতিক সামর্থ পুনর্বাসিত ও উন্নত করে। অতঃপর পশ্চিম জার্মানি সাধারণ বাজারে প্রধান ভূমিকাসীন হয়েছে। ১৯৫৫ সালে দেশটি ন্যাটোভুক্ত হয়।

অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়াশীল, সমরবাদী ও প্রতিহিংসাপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে দেশের শ্রমিক শ্রেণী ও প্রগতিশীল গোষ্ঠীর বর্ধমান সংগ্রাম, জি.ডি.আর.সহ সমস্ত সমাজতান্ত্রিক দেশের দৃঢ়তর আন্তর্জাতিক অবস্থানের ফলে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রপুঞ্জের অন্যান্য দেশের সঙ্গে পশ্চিম জার্মানির সম্পর্ক সুস্থতর হয়ে উঠেছে। ১৯৭০-১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পোল্যান্ডের সঙ্গে ইউরোপে বর্তমান রাষ্ট্রসীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তা সংক্রান্ত চুক্তি, জি.ডি.আর.-এর সঙ্গে দু’দেশের মধ্যেকার সম্পর্কের ভিত্তি বিষয়ক চুক্তি এবং চেকোস্লোভাকিয়ার সঙ্গে মিউনিক চুক্তি অস্বীকার করার ভিত্তিতে সুস্থ সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন করে। ফলত ইউরোপীয় মহাদেশে শান্তির ও এখানকার । দেশগুলির মধ্যে বহুমুখী সহযোগিতা উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র (আয়তন ২ লক্ষ ৪৮ হাজার বর্গ. কিলোমিটার) পশ্চিম ইউরোপের মধ্যস্থলে অবস্থিত। অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বৃহৎ জনসম্পদ (লোকসংখ্যা প্রায় ৬ কোটি) দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে মদদ যুগিয়েছে। রাষ্ট্রীয়-একচেটিয়া পুঁজি আজ এখানকার অর্থনীতিতে প্রধান ভূমিকাসীন। পুঁজির ঘনীভবন ও কেন্দ্রীভবন এবং মৌলিক শিল্পগুলিতে রাষ্ট্রের ব্যাপক শরিকানা পশ্চিম জার্মানির অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

জার্মানির বিশ্বযুদ্ধকালীন ইতিহাস

কাইজার দ্বিতীয় উইলহেম ও আর্মি চিফ অব স্টাফ জেনারেল হেলমুট ফন মােল্টকির অধীনে ছিল চৌকশ জার্মান বাহিনী। ১৯১৪ সালের বাস্তবতায় জার্মান সেনাবাহিনী ছিল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী। পরবর্তীকালে জেনারেল ফন ফাকেনহায়েন। কিংবা পল ফন হিন্ডেনবার্গ সেনাপ্রধান হলেও তাদের শক্তিমত্তায় তেমন হেরফের ঘটতে দেখা যায়নি। বরং যুদ্ধে পরাজয় ও লজ্জাজনক ভার্সাই চুক্তিতে বসার পূর্ব পর্যন্ত জার্মান সেনাবাহিনীকে ক্রমশ উন্নত থেকে উন্নততর হতে দেখা গেছে। ১৯১৪ সালের দিকে প্রায় ৭ লাখ সৈন্যের সমন্বয়ে গঠিত ২৫টি কোর নিয়ে যাত্রা শুরু করে জার্মান বাহিনী। এক্ষেত্রে বিদ্যমান ৮টি কমান্ডের সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে আরাে ১০টি যুক্ত হলে অপ্রতিরােধ্য রূপ ধারণ করে জার্মান বাহিনী। বিশেষ করে যুদ্ধ ঘােষণার সপ্তাহ খানেকের মধ্যে রিজার্ভ সৈন্যদের ডেকে এনে সেনা সংখ্যা ৩৮ লাখে উন্নীত করা হয়। এক্ষেত্রে ১৯১৬ সালের আগস্টে পশ্চিম রণাঙ্গনে জার্মান সৈন্য ছিল ২৮ লাখ ৫০ হাজার। এ সময় পূর্ব রণাঙ্গনেও সৈন্য ছিল প্রায় ১৭ লাখের মত। আর এক্ষেত্রে জার্মান সৈন্য নিয়ােগের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানা যায় যুদ্ধ শেষ হলে প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার সৈন্য সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন:  বেলজিয়াম কৃষি ও ভারী শিল্পোন্নত ইউরোপীয় দেশ

জার্মান সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিমান ও নৌবাহিনীও ছিল বেশ শক্তিশালী। বিশেষ করে তাদের সেনাবাহিনী প্রথম থেকে শক্তিশালী হওয়াতে বিমান ও নৌবাহিনী উন্নতকরণের তেমন গুরুত্ব দেয়নি জার্মানি। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর চেয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে দেখে নৌ ও বিমান বাহিনীকেও সমান গুরুত্ব দিলে একটি পর্যায়ে এসে অন্যদের ছাপিয়ে যায় তারা। বিশেষ করে নৌপথে জার্মানির ডিজেল চালিত ইউবােট ও সাবমেরিন যে কোনাে যুদ্ধ জাহাজের সর্বনাশ করার জন্য যথেষ্ট ছিল। পাশাপাশি তাদের ১৭টি অত্যাধুনিক ড্রিডনট, ৫টি ব্যাটেল ক্রুজার, ২৫টি ক্রুজার, ২০টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০টি ইউবােট নিয়ে জার্মানির নৌবাহিনী হয়ে ওঠে দ্বিতীয় বৃহত্তম। তবে আকৃতিতে যাই হােক না কেনাে নৌপথে জার্মান বাহিনী যে কোনাে দেশকে সংকটে ফেলে দেয় বিভিন্ন স্থানের নৌযুদ্ধে। 

সিনক্রোনাইজড গিয়ার আবিষ্কৃত হওয়ার পর জার্মান বিমান বাহিনী বেশ উপকৃত হয়। বলতে গেলে এ সময় থেকেই থেকেই তাদের নামেমাত্র উপস্থিত থাকা সেনাবাহিনীকে ঢেলে সাজানাের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে ফ্রান্সের যুগান্তকারী আবিষ্কার রোলা-গারোর উপযুক্ত জবাব দিতে এদিকে জার্মানিও তৈরি করে ফকার-ই, হালবারস্ট্যাড এবং অ্যালব্যাট্রস ডি-এর মত বিমান। এদিকে ম্যালফ্রেন ফন রিচথােপেন কিংবা আর্নেস্ট ওডেট হয়ে ওঠেন আকাশ যুদ্ধের প্রতীক। ধীরে ধীরে লােকবল বাড়তে বাড়তে ১৯১৭ সালের দিকে এসে এক পশ্চিম রণাঙ্গনেই জার্মানির ৩ হাজার ৬৬৮ টি বিমান উড়তে দেখা যায়। আর যুদ্ধবিরতিকালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায় এই বাহিনীকেই। তখন জার্মান আর্মি এয়ার সার্ভিসের ২ হাজার ৭০৯টি বিমান এবং সাড়ে চার হাজার পাইলট থাকার কথা। ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে জার্মান বিমান বাহিনী বিলুপ্ত ঘােষণা করা হয়। তবে এ বিলুপ্তির আগে জার্মান বাহিনী থেকে প্রায় ৬ হাজার ৮৪০ জন বৈমানিক নিহত ও নিখোঁজ হয়েছে বলে স্বীকার করা হয়। শেষ পর্যন্ত ভার্সাই চুক্তির অন্যতম শর্তবলে ১৯২০ সালের ৮ মে বিলুপ্ত হয় জার্মান বিমান বাহিনী। 

জার্মানির অর্থনীতি

শিল্পই দেশের অর্থনীতির প্রধান শাখা। শিল্প ও নির্মাণ থেকে দেশের অর্থনীতির মোট উৎপাদের ৯০ শতাংশের বেশি উৎপন্ন হয়ে থাকে। কৃষি দেশের খাদ্যচাহিদার ৭৫ শতাংশ মেটায় এবং পশ্চিম জার্মানি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতিটি পূরণ করে।

ভারী শিল্পই দেশের প্রধান শিল্প। কয়লা, ধাতু, রাসায়নিক, ইঞ্জিনিয়রিং এবং ভারী শিল্পের অন্যান্য শাখা মোট শিল্পপণ্যের প্রায় ৬০ শতাংশ উৎপাদন করে। শিল্পকাঠামোয় হালকা ও খাদ্য শিল্পের স্থানও যথেষ্ট গুরত্বপূর্ণ এবং এগুলি থেকে অভ্যন্তরীণ পরিভোগ ও বিশেষিত রপ্তানির জন্য ভোগ্যপণ্য উৎপন্ন হয়।

আরো পড়ুন:  সংস্কৃতিবান ইউরোপীয় ও বন্য এশীয়

বহুমুখী ইঞ্জিনিয়রিং শিল্প দেশের মোট শিল্পোৎপাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং মানুফ্যাকচারকৃত রপ্তানির প্রায় অর্ধেক উৎপাদন করে। ধাতু, শক্তি, পরিবহণ এবং যন্ত্রনির্মাণ শিল্পের অন্যান্য ধাতুভিত্তিক শাখাগুলি এখানে মুখ্য ভূমিকাসীন। রুর ও অন্যান্য অঞ্চলে এগুলি বিশেষভাবে উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

পশ্চিম জার্মানিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক, কিন্তু ব্রিটেনের দ্বিগুণ পরিমাণ ধাতুশিল্পের যন্ত্রপাতি উৎপন্ন হয়। এসঙ্গে সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অধিকতর মেশিন টুলস, ফর্জ ও প্রেস এবং ধাতুশিল্পের অন্যান্য যন্ত্রাদি রপ্তানি করে। এক্ষেত্রে সে ব্রিটেন ও অন্যান্য উন্নত পুঁজিবাদী  দেশগুলিকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে।

দেশের দক্ষিণ এবং রাইন-উয়েস্টফালিয়ার উত্তর আজ বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়রিং ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী নির্মাণে বিশেষীকৃত। পশ্চিম জার্মানি বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়রিং যন্ত্রাদি রপ্তানিতে পুঁজিবাদী বিশ্বে প্রথম এবং ইলেকট্রনিক্স রপ্তানিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের পর তৃতীয় স্থানের অধিকারী।

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র অন্যতম প্রধান মোটরগাড়ি নির্মাতা দেশ (বাৎসরিক প্রায় ৪০ লক্ষ)। অনুরুপ জাপানী ও অন্যান্য কোম্পানিগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতা সত্ত্বেও সে রপ্তানিকৃত মোটরগাড়ির হিসাবে পুঁজিবাদী বিশ্বের অন্যতম প্রধান।

বিমানশিল্প এখন উন্নীত হচ্ছে এবং যুদ্ধাস্ত্র শিল্পের অন্তর্গত রকেটনির্মাণ শিল্পও মিউনিক, নুরেমবার্গ ও অন্যান্য শহরে গড়ে উঠছে আর শিপইয়ার্ডে যুদ্ধজাহাজ ও বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মিত হচ্ছে। ইউরোপীয় পুঁজিবাদী দেশগুলির মধ্যে কেবল ব্রিটেন পশ্চিম জার্মানির চেয়ে অধিক জাহাজ তৈরি করে। এখানকার বস্ত্রশিল্প, মেশিন ও ট্র্যাক্টর নির্মাণ শিল্প এবং রাসায়নিক ও অন্যান্য উৎপাদনী শিল্পশাখার যন্ত্রপাতি নির্মাণ শিল্প যথেষ্ট উন্নত। ।

ইঞ্জিনিয়রিং শিল্পের জন্য এবং সারা পশ্চিম জার্মানির অর্থনীতির জন্য সেখানে লৌহ ও ইস্পাত শিল্পের একটি শক্তিশালী বনিয়াদ রয়েছে। এটি ১৯৭৭ সালে পাঁচ কোটি ৩০ লক্ষ টন ইস্পাত উৎপাদন করে। স্মর্তব্য, পরিমাণটি সাধারণ বাজারভুক্ত দেশগুলির মোট উৎপন্ন ইস্পাতের প্রায় অর্ধেক। কাঁচামালের অভাবে লৌহের ধাতুশিল্প দেশের চাহিদা মেটাতে পারে না।

পশ্চিম জার্মানির লিগনাইট ও কয়লার মোট উৎপাদন (বার্ষিক ২০ কোটি টনের বেশি) ব্রিটেনের চেয়ে বেশি (কিন্তু ব্রিটেন অধিক পরিমাণ কয়লা উৎপাদন করে)। রুর আগের মতোই আজও দেশের প্রধান কয়লাঞ্চল। দেশে তৈল-উৎপাদন বার্ষিক ৫০ লক্ষ টনের বেশি না হলেও পশ্চিম জার্মানির তৈলশোধনাগারগুলির বার্ষিক সামর্থ্য ১৫ কোটি টন। হামবুর্গ, রুর ও দেশের অন্যান্য শোধনাগারগুলি মূলত মধ্য প্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও লেটিন আমেরিকার দেশগুলি থেকে আমদানিকৃত তৈল শোধন করে থাকে। তরল জালানির ও অন্যান্য অনেক কাঁচামালের অভাবই পশ্চিম জার্মানির অর্থনীতির দুর্বল গ্রন্থি।

আরো পড়ুন:  ডাইকাস্ট হচ্ছে প্রাচীন এথেন্স নগর-রাষ্ট্রের একটি রাষ্ট্রীয় পদ

স্থানীয় কয়লা ও আমদানিকৃত তৈলের ভিত্তিতে নির্মিত শক্তিউৎপাদন শিল্প এখানে খুবই উন্নত। দেশের বার্ষিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এখন ৩৬,০০০ কোটি কিলোওয়াট-ঘণ্টা। অনেকগুলি পারমাণবিক বিদ্যুৎ স্টেশন নির্মাণের ফলে দেশের বিদ্যুৎ সামর্থ্য শুধু, বৃদ্ধিই পায় নি, তার সামরিক পারমাণবিক শক্তিশিল্পও সম্প্রসারিত হয়েছে।

রাসায়নিক শিল্প এখন দেশের একটি প্রধান শিল্প। পুঁজিবাদী বিশ্বে প্লাস্টিক, রাসায়নিক আঁশ এবং অন্যান্য মৌলিক ধরনের রাসায়নিক সামগ্রী উৎপাদনে পশ্চিম জার্মানি আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের পর তৃতীয় স্থানের অধিকারী।

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রে শিল্পের আঞ্চলিক বিন্যাস খুবই অসমান। যে রাইন-উয়েস্টফালিয়া এলাকা দেশের মাত্র এক-সপ্তমাংশ সেখানেই তার ৪০ শতাংশের বেশি শিল্প কেন্দ্রিত। এসেন, ডর্টমুণ্ড, ডুসেলডর্ফ, ডুইসবাগ, ভুপ্পের্টাল, বহুম এবং রুর পর্যঙ্কের অন্যান্য শহরগুলি বিশেষভাবে শিল্পসমৃদ্ধ।

হামবুর্গ (শহরতলী সহ জনসংখ্যা ২০ লক্ষ) উপকূলবর্তী উত্তরে জেলার সর্বাধিক গুরত্বপূর্ণ শহর। এটি দেশের বৃহত্তম শহর এবং একটি প্রধান শিল্পকেন্দ্র ও বন্দর। উত্তরের অন্যান্য শিল্পকেন্দ্রের মধ্যে ব্রেমেন ও হানোভার উল্লেখ্য। মেইন তীরের ফ্রাঙ্কফুর্ট, এবং স্টুটগার্ট, মিউনিক ও নুরেমবার্গ দেশের দক্ষিণের প্রধান প্রধান শহর।

জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের রাজধানী বন শিল্পহীন। এটি মূলত প্রশাসনকেন্দ্র।

উন্নত মানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ পথের জালিকা ও বৃহৎ বাণিজ্যিক নৌবহরের অধিকারী পশ্চিম জার্মানি বিদেশের, প্রধানত পুঁজিবাদী দেশগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সংযোগ বৃদ্ধি করছে। সম্প্রতি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রপুঞ্জের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তার অনরপে সম্পর্কও উন্নত হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ

১. কনস্তানতিন স্পিদচেঙ্কো, অনুবাদ: দ্বিজেন শর্মা: বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভূগোল, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, বাংলা অনুবাদ ১৯৮২, পৃ: ১৮২-১৮৫।
২. মো. আদনান আরিফ সালিম, আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস, [Pdf]. বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জানুয়ারি ২০১৯. সানজিদা মুস্তাফিজ ও সুমা কর্মকার. সম্পা. পৃষ্ঠা ৩২; Retrieved from http://www.ebookbou.edu.bd/wp/OS/hsc4_2.php#hsc2855

Leave a Comment

error: Content is protected !!