অর্থশাস্ত্র হচ্ছে উৎপাদন, বণ্টন, বিনিময় ও ভোগের প্রক্রিয়ায় মানুষের আচরণ বিশ্লেষণকারী বিজ্ঞান

মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন

অর্থশাস্ত্র বা অর্থনীতি (ইংরেজি: Economics) হচ্ছে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর উৎপাদন, বণ্টন, বিনিময় ও ভোগের প্রক্রিয়ায় মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। অর্থাৎ অর্থশাস্ত্র কী প্রশ্নের জবাব হচ্ছে, অর্থশাস্ত্র হচ্ছে মানুষের মধ্যে উদ্ভূত সামাজিক সম্পর্ক এবং ঐতিহাসিকভাবে পরস্পরকে প্রতিস্থাপনকারী সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠনরূপগুলোর বিকাশের নিয়ন্ত্রক অর্থনৈতিক নিয়মাবলীর বিজ্ঞান। অর্থনীতি শ্রেণিচরিত্রের অধিকারী, কেননা তা মানুষের মৌলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক … Read more

ভারতে পুনরাগমন — পাবলো নেরুদা

অধ্যাপক কুরি তখন বিশ্বশান্তি মহাসভার ফ্রান্স শাখার সভাপতি। তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, শান্তিবাদ বা যুদ্ধবিরােধী মতবাদ ভারতবর্ষে তেমন গুরুত্ব লাভ করছিল না, যদিও সবাই জানে যে ভারতবর্ষ শান্তিপ্রয়াসী দেশগুলাের মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নিজে শান্তি ও সহাবস্থান নীতির একজন বড়াে প্রবক্তা, কাজেই ভারতের মাটিতে এই নীতি অনেকখানি শিকড় গেড়ে বসেছিল। আরো পড়ুন

ব্যক্তিপূজা হচ্ছে মহান শ্রমিকনেতৃবৃন্দের সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদী প্রচারমাধ্যমের মিথ্যাচার

রাজনীতিক দল কিংবা আন্দোলনের মধ্যে জনপ্রিয় নেতা নিজের ব্যক্তিত্বের প্রভাবে সচেতনভাবে অপর সকলকে মোহগ্রস্ত এবং বাধ্য করার চেষ্টা করলে ব্যক্তিত্বের পূজা বা ব্যক্তিঅর্চনা বা ব্যক্তিত্বের বিকার (ইংরেজি: Cult of Personality) জন্মলাভ করে। আধুনিককালের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সংগঠিত দলের যে অসীম ক্ষমতা, তাতে দলের জনপ্রিয় নেতার মধ্যে এই ত্রুটি প্রকাশের বিশেষ সম্ভাবনা থাকে। আরো পড়ুন

পিতৃতন্ত্র বা পুরুষতন্ত্র হচ্ছে মানুষের সামাজিক বিকাশের একটি ঐতিহাসিক পর্যায়

পিতৃতন্ত্র

মানুষের সামাজিক বিকাশের একটি ঐতিহাসিক পর্যায় হচ্ছে পিতৃতন্ত্র বা পুরুষতন্ত্র (ইংরেজি: Patriarchy)। মানুষের আদিম সামাজিক সংগঠন ছিল সাম্যবাদী ও মাতৃতান্ত্রিক। পশু শিকারের পরবর্তী পর্যায়ে পশুপালন ও কৃষিকাজ যখন জীবিকার প্রধান উপায় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে তখন মানুষের সামাজিক সংগঠনেও একটা পরিবর্তন সূচিত হয়। ইতিপূর্বে জীবিকার অধিকতর দুর্বল অবস্থার জন্য এবং পারিবারিক জীবনের অস্থিরতা এবং অসংবদ্ধতার কারণে সন্তানের জননী ছিল বংশের পরিচয় সূচক। এই পর্যায়কে বলা হয় মাতৃতন্ত্র। আরো পড়ুন

এলিয়াটিক দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা পারমিনাইডিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক

পারমিনাইডিস বা পারমেনাইডিস বা পার্মেনিদিস বা এলেয়া’র পার্মেনিদিস (ইংরেজি: Parmenides of Elea ৫১৫ খ্রিস্টপূর্ব – ৪৬০ খ্রিস্টপূর্ব) ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। কিন্তু তাঁর জন্ম হয়েছিল দক্ষিণ ইতালির এলিয়া শহরে। এজন্য পারমিনাইডিসকে ‘এলিয়াটিক’ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। আরো পড়ুন

ভিলফ্রেডো পারেতো ছিলেন এলিট বা শ্রেষ্ঠবাদের প্রবক্তা

এলিট বা শ্রেষ্ঠবাদের প্রবক্তাদের অন্যতম হচ্ছেন ইতালির লেখক ভিলফ্রেডো পারেতো (ইংরেজি: Vilfredo Federico Damaso Pareto, ১৫ জুলাই ১৮৪৮ – ১৯ আগস্ট ১৯২৩ )। তাঁর পরিচিত একখানি গ্রন্থের নাম ‘দি মাইন্ড এন্ড সোসাইটি’। এলিটবাদের অপর এক প্রবক্তা ছিলেন ইতালিরই গায়তানো মসকা (১৮৫৮-১৯৪১)। তাঁর পরিচিত গ্রন্থের নাম ‘দি রুলিং ক্লাস’। আরো পড়ুন

পোপতন্ত্র কাকে বলে?

ক্যাথলিক গির্জার নেতৃত্ব ও কর্মপদ্ধতিকে পোপতন্ত্র (ইংরেজি: Papacy) বলা হয়। এটি মূলত পোপের দরবার। পোপকে রোমের বিশপ বলা হয়। এ পদবির উৎপত্তি ঘটেছে গ্রীক পাপাস এবং ল্যাটিন পাপা থেকে। এই পাপার উৎপত্তি ফাদার বা পিতা থেকে। আরো পড়ুন

সর্বেশ্বরবাদ কাকে বলে?

সর্বেশ্বরবাদ (ইংরেজি: Pantheism) হচ্ছে একটি দার্শনিক অভিমত। এই মত অনুযায়ী ঈশ্বর বলতে বিশ্বজগতের বাইরের কোনো শক্তি বুঝায় না। ঈশ্বর নৈর্ব্যক্তিক বটে। কিন্তু ঈশ্বর বিশ্বের বাইরের নয়। বিশ্ব বা প্রকৃতিজগৎই ঈশ্বর। সবকিছুতেই ঈশ্বর। সবকিছুই ঈশ্বর। কাজেই সর্বেশ্বরবাদের ঈশ্বর অতিপ্রাকৃতিক কোনো সত্তা নয়। প্রকৃতিই ঈশ্বর। অবশ্য সর্বেশ্বরবাদেরও বিকাশ ঘটেছে। আরো পড়ুন

আশাবাদ কাকে বলে?

আশাবাদ

আশাবাদ (ইংরেজি: Optimism) হচ্ছে একটি মানসিক মনোভাব। আশাবাদ এমন একটি বিশ্বাস বা আশা প্রতিফলিত করে যেখানে কিছু নির্দিষ্ট প্রচেষ্টা বা সাধারণভাবে ফলাফলগুলিকে ইতিবাচক, অনুকূল, এবং আকাঙ্ক্ষিত হিসেবে দেখা হয়। ঘটনার মূল্যায়নে মানুষ যে দুটি পরস্পর বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে পারে তাদের আশাবাদ এবং নিরাশাবাদ বলা হয়। আরো পড়ুন

আমাজন লিলি নিমফাসি পরিবারের সর্ববৃহৎ বিরুত উদ্ভিদ

আমাজন লিলি হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের ভিক্টোরিয়া গণের জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতির নাম। এটি গায়ানার জাতীয় ফুল। এদের মূল আকর্ষণ পাতা। এদের পাতা এমন শক্ত আর বড় যে একজন সাত-আট বছর বয়সী শিশুকে এর পাতার উপর অনায়াসেই শুইয়ে রাখা যায়। এরা বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ। রাইজোম মােটা। পত্রবৃন্ত ঘন কন্টকিত। পাতা আড়াআড়িভাবে ১২০-১৩০ সেমি, বর্তুলাকার, অখন্ড, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!