আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত – আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে

আমি তোমাকেই বলে দেবো, কী যে একা দীর্ঘ রাত – আমি হেঁটে গেছি বিরান পথে; আমি তোমাকেই বলে দেবো, সেই ভুলে ভরা গল্প- কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়; ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া, ছুঁয়ে কান্নার রঙ, ছুঁয়ে জোছনার ছায়া || আমি কাউকে বলিনি – সে নাম, কেউ জানে না, না জানে আড়াল- আমি কাউকে বলিনি – সে নাম, আরো পড়ুন

ঠাকুরগাঁও জেলা হচ্ছে উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন জনপদ যা বাংলাদেশের একটি জেলা

ঠাকুরগাঁও উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন জনপদ যা বর্তমানে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের একটি জেলা। ভৌগােলিক দিক থেকে ঠাকুরগাঁও অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ ফুটের বেশি উঁচু নয়। বেশির ভাগ ছােট নদী, শাখা নদী ও উপনদীর জল প্রবাহের কারণে প্রায় সবখানেই সমতল ভূমির সৃষ্টি হয়েছে। ভূ-প্রকৃতিগতভাবে বরেন্দ্র অতিপ্রাচীন এবং এর ইতিহাসও প্রাচীন। আরো পড়ুন

বানগারুস এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ

ভূমিকা: বানগারুস (বৈজ্ঞানিক নাম:  Bungarus) এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ। এদেরকে বাংলায় শঙ্খিনী, কেউটে ও গোখরো (ইংরেজি: kraits) বলেও ডাকা হয়। । বাংলাদেশের সাপের তালিকায় বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের প্রজাতি পাঁচটি যথা ১. পাতি কাল কেউটে, Common Krait, Bungarus caeruleus, ২. ডোরা কাল কেউটে, Banded Krait, Bungarus fasciatus, ৩. ছোট কাল কেউটে, … Read more

এলাপিডি হচ্ছে সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের সাপের একটি পরিবারের নাম

এলাপিডি (ইংরেজি: Elapidae) সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের একটি পরিবার। এই পরিবারে প্রাণীরা শিকারি হয়। এই পরিবারে প্রায় ৫৭টি গণে অনেকগুলো প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় মোট ১০টি প্রজাতি। এলাপিডি গােত্রের অন্তর্ভুক্ত প্রজাতির সম্মুখভাগের বিষদাঁত প্রােথিত থাকে, যা সব সময় খাড়া থাকে এবং মুখের তলভাগের স্লটে নিবিদ্ধ থাকে। আরো পড়ুন

বর্তমান অবস্থায় বাংলাদেশে ঘড়িয়াল দশটির কম এবং বিশ্বে এটি মহাবিপন্ন প্রজাতি

ভূমিকা: ঘড়িয়াল (বৈজ্ঞানিক নাম: Gavialis gangeticus ইংরেজি নাম: Gharial বা Gavial) ক্রোকোডিলিয়া বর্গের সরীসৃপের একটি প্রজাতি। বাংলাদেশের সরীসৃপগুলোর যে তালিকা রয়েছে তাতে ঘড়িয়াল এক অনন্য বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণী। ঘড়িয়াল বাংলাদেশ ও বিশ্বে মহাবিপন্ন প্রজাতি। আমরা কী বাংলাদেশে মহাবিপন্ন এই প্রাণীটিকে ফিরিয়ে আনতে পারি না। আরো পড়ুন

নকশি ঢোড়া সাপ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জেনোক্রোফিস গণের একটি প্রজাতি

নকশি ঢোড়া সাপ বা ঢোড়া সাপ বা গুড়ি সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis piscator ইংরেজি: checkered keelback বা Asiatic water snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় জেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

কালো পেট ঢোড়া সাপ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সাপের একটি সংকটাপন্ন প্রজাতি

কালো পেট ঢোড়া সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis cerasogaster ইংরেজি: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় জেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

জেনোক্রোফিস কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম

ভূমিকা: জেনোক্রোফিস (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। এদেরকে ঢোড়া সাপ (ইংরেজি: painted keelbacks) বলেও ডাকা হয়। বাংলাদেশে এই গণে দুটি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের দুইটি প্রজাতি হচ্ছে ক. কালো পেট ঢোড়া সাপ এবং খ. নকশি ঢোড়া সাপ। আরো পড়ুন

কমলাপেট সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

কমলা পেট সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium tenuiceps ইংরেজি নাম: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

অসমীয়া সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

আসামী সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium monticola ইংরেজি নাম: Assam Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!