নাগ টগর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার বনজ গুল্ম
নাগ টগর, জংলী টগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Tabernaemontana alternifolia) হচ্ছে Apocynaceae পরিবারের Tabernaemontana গণের গুল্ম। এটি মূলত বন জঙ্গলে জন্মে থাকে অনেকে গৃহের শোভাবর্ধনের জন্য লাগিয়ে থাকে। আরো পড়ুন
নাগ টগর, জংলী টগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Tabernaemontana alternifolia) হচ্ছে Apocynaceae পরিবারের Tabernaemontana গণের গুল্ম। এটি মূলত বন জঙ্গলে জন্মে থাকে অনেকে গৃহের শোভাবর্ধনের জন্য লাগিয়ে থাকে। আরো পড়ুন
রসিয়া টগর বা ফ্লাওয়ার অফ লাভ (বৈজ্ঞানিক নাম: Tabernaemontana corymbosa) হচ্ছে Apocynaceae পরিবারের Tabernaemontana গণের গুল্ম। এটি মূলত বন জঙ্গলে জন্মে থাকে অনেকে গৃহের শোভাবর্ধনের জন্য লাগিয়ে থাকে। আরো পড়ুন
পাতি টগর বা টগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Tabernaemontana divaricata) হচ্ছে Apocynaceae পরিবারের Tabernaemontana গণের গুল্ম। এটি অনেকে প্রতিষ্ঠানে বা গৃহের শোভাবর্ধনের জন্য লাগিয়ে থাকে। আরো পড়ুন
সূর্যমুখী বা পাতি সূর্যমুখী (বৈজ্ঞানিক নাম: Helianthus annuus ইংরেজি: Common Sunflower) এস্টারেসি পরিবারের হেলিয়ান্থুস গণের বিরুৎ। বাগানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন
হেলিয়েনথাস হচ্ছে এস্টারেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম। এই গণের প্রজাতিগুলো বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ হয়। গৃহ সজ্জার জন্য এই গণের উদ্ভিদের ফুলের চাহিদা অনেক। আরো পড়ুন
ভূমিকা: দোলন চাঁপা (বৈজ্ঞানিক নাম: Hedychium coronarium, ইংরেজী নাম: White Ginge) হচ্ছে আদা পরিবারের হেডিচিয়াম গণের একটি সপুষ্পক বীরুৎ। এটিকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। বাড়ির টবে বা বাগানের শোভাবর্ধন করে। এটি আকারে বেশি বড় হয় না কিন্তু এর ফুল সুগন্ধযুক্ত। আরো পড়ুন
কোডিয়াম হচ্ছে ইউফরবিয়াসি পরিবারের একটি সপুষ্পক গুল্মের গণের নাম। এদেরকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। বাড়ির টবে বা বাগানের শোভাবর্ধন করে এই গণের ছোট গাছগুলো। আরো পড়ুন
মুক্তাঝুরি (বৈজ্ঞানিক নাম: Acalypha indica ইংরেজী নাম: Indian Nettle) হচ্ছে ইউফরবিয়াসি পরিবারের একালিফা গণের একটি সপুষ্পক ছোট বীরুৎ। আরো পড়ুন
বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ৭ম খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) বড় হাতিশুর, লাল হাতিশুর প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এদের আবাসস্থান ধ্বংসের কারণে সংকটাপন্ন এবং বাংলাদেশে এটি আশঙ্কাগ্রস্থ হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে বড় হাতিশুর, লাল হাতিশুর সংরক্ষণের জন্য কোনো পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি। তবে প্রজাতিটি সম্পর্কে প্রস্তাব করা হয়েছে উদ্ভিদ রক্ষার জন্য এক্স-সিটু পদ্ধতিতে সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন ও বাগানে অধিক আবাদের উৎসাহ করা যেতে পারে এর সৌন্দর্যের কারণে।[১] আরো পড়ুন