নারী মুক্তি আন্দোলন প্রসঙ্গে
পুরুষতন্ত্রের বা পিতৃশাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং নারীদের পুরুষদের মতো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে অংশ গ্রহণ ও সুবিধা ভোগ করার অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন হয় তাই নারী-মুক্তি আন্দোলন। আরো পড়ুন
জ্ঞানকোষ হচ্ছে জ্ঞানসংগ্রহ করা যেখানে বিশ্বজগতের সকল বিষয় সম্বন্ধে সাধারণ কিছু তথ্য থাকে। এছাড়া কোন একটি বিশেষ বিষয় সম্বন্ধে বিস্তারিত ও গভীর আলোচনাও থাকতে পারে জ্ঞানকোষে। আধুনিক জঙ্গানকোষ ১৮ শতকের অভিধান থেকে তৈরি হয়েছে। তবে জঙ্গানকোষ এবং অভিধান উভয়ই গবেষণা এবং সুশিক্ষিত বিষয়, যা সু-জ্ঞাত বিশেষজ্ঞরা লিখেছেন। কিন্তু দুটোই কাঠামোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে পৃথক। একটি অভিধান একটি ভাষাগত কাজ যা মূলত শব্দের বর্ণমালাক্রমে তালিকা এবং তাদের সংজ্ঞাগুলিতে উপস্থাপন করে। আর জ্ঞানকোষ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক জ্ঞানকে উপস্থাপন করে।
পুরুষতন্ত্রের বা পিতৃশাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং নারীদের পুরুষদের মতো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে অংশ গ্রহণ ও সুবিধা ভোগ করার অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন হয় তাই নারী-মুক্তি আন্দোলন। আরো পড়ুন
গৃহযুদ্ধ (ইংরেজি: Civil War) হচ্ছে কোনো দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য সে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি, ধর্ম, জাতি অথবা রাজনৈতিক দল কিংবা গোষ্ঠীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ।[১] গৃহযুদ্ধ শুরু হয় কোনো এক পক্ষ বা কোনো এক শ্রেণি কর্তৃক একটি দেশ বা একটি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ, একটি অঞ্চল বা এলাকার স্বাধীনতা ঘোষণা অথবা ক্ষমতাসীন সরকারের নীতি-নির্ধারণ পরিবর্তনের জন্য চাপ প্রয়োগ করবার উদ্দেশ্য। আরো পড়ুন
গণতন্ত্র হচ্ছে সরকার পরিচালনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ, আইনের সামনে তাদের সমতা, ব্যক্তির নির্দিষ্ট কতকগুলো অধিকার ও স্বাধীনতার বৈশিষ্ট্যচিহ্নিত রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি রূপ। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে গণতন্ত্র আসলে ক্ষমতাসীন শ্রেণীর প্রকাশ্য অথবা প্রচ্ছন্ন একনায়কত্ব এবং তার স্বার্থেই ব্যবহৃত। বুর্জোয়া গণতন্ত্র হলো বুর্জোয়া শ্রেণির শ্রেণি-আধিপত্যের একটি রূপ এবং তার একনায়কত্ব হিসাবেই আত্মপ্রকাশ করে।[১] আরো পড়ুন
নৈরাজ্যবাদ (ইংরেজি: Anarchism) বা নৈরাষ্ট্রবাদ হচ্ছে রাষ্ট্রহীন সমাজ-ব্যবস্থার প্রচারক একটি সমাজ দর্শন। ইংরেজি এ্যানার্কিজম শব্দের মূল হচ্ছে গ্রিক ‘এ্যানার্কস’ শব্দ।[১] নৈরাজ্যবাদ সমাজের যাবতীয় কেন্দ্রিভূত ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বোপরি রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তার স্বাধীন, মুক্তশ্রমের মালিকানাহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজের বাসনা নিয়ে।[২] আরো পড়ুন
অক্টোবর বিপ্লব (অন্য নাম: নভেম্বর বিপ্লব) ( ইংরেজি: October Revolution) পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া একটি মহান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ঘটনা। পৃথিবীর ইতিহাসে কয়েকটি ঘটনা তাদের বিপুলতার কারণে এবং সমাজের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন সাধনের উৎস হিসাবে বিপ্লব বলে পরিচিত হয়ে আসছে। আরো পড়ুন
সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (ইংরেজি: Socialist Revolution) হচ্ছে পুঁজিবাদের উচ্ছেদের ভিত্তিতে কারখানা, যন্ত্র, জমি এবং প্রাকৃতিক অপরাপর সম্পদের উপর শ্রমিক শ্রেণির সমষ্টিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাম্যবাদী সমাজের দিকে অগ্রগতি। আরো পড়ুন
নয়া উপনিবেশবাদ (ইংরেজি: Neo-colonialism) বা নয়া সাম্রাজ্যবাদ হচ্ছে সরাসরি সামরিক সাম্রাজ্যবাদী নিয়ন্ত্রণ বা পরোক্ষ হেজিমনিমূলক রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে একটি উন্নয়নশীল দেশকে প্রভাবিত করার জন্য পুঁজিবাদ, বিশ্বায়ন ও সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদের প্রয়োগ। ১৯৬০-এর দশকে আফ্রিকার দেশসমূহের বিউপনিবেশায়নের প্রেক্ষাপটে এই শব্দটি প্রথম কোয়ামে নক্রুমার দ্বারা উদ্ভূত হয়েছিল। পশ্চিমা চিন্তাবিদদের লেখায় যেমন জ্যাঁ-পল সার্ত্রের ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত উপনিবেশবাদ ও … Read more
বুর্জোয়া বিপ্লব বা ধনতান্ত্রিক বিপ্লব বা পুঁজিবাদী বিপ্লব (Bourgeois Revolution) হচ্ছে সামন্তবাদী অর্থনীতি এবং রাজনীতিক ব্যবস্থার পরিবর্তে শ্রমিক ও যন্ত্রশিল্প ভিত্তিক অর্থনীতি এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠা। বুর্জোয়া বা পুঁজিবাদী বিপ্লব মানুষের সমাজের বিবর্তনে একটা পর্যায়কে সূচিত করে। আরো পড়ুন
মতান্ধতাবাদ বা dogmatism হচ্ছে অধিবিদ্যাগতভাবে একপেশে, ছকে-বাঁধা ও শিলীভূত চিন্তা, যা কাজ করে অন্ধ মতগুলি নিয়ে। মতান্ধতার ভিত্তি হলো কোনো কর্তৃত্বক্ষমতায় অন্ধ বিশ্বাস এবং অচল-সেকেলে প্রতিজ্ঞাগুলি সমর্থন, সাধারণত ধর্মীয় চিন্তায় চিহ্নিত।[১] মতান্ধতাবাদের খ্রিস্টান ধর্ম অনুযায়ী অর্থ হলো দৈববলে লব্ধ জ্ঞান এবং যাজকবর্গই হলো তার ভাষ্যকার; যিনি এই ধর্ম গ্রহণ করেন তাঁর থাকা চাই অন্ধের মতো … Read more
বস্তুপূজা (ইংরেজি: Fetishism) হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর পূজা বা আরাধনা। বস্তুপূজা আদিম সমাজের ধর্মের অঙ্গীভূত ছিল। প্রাকৃতিক জগতের বিভিন্ন বস্তুর রহস্য মানুষের তখনো অজানা ছিল। পাহাড়, পর্বত, ঝড়ঝঞা, মেঘ, বিদ্যুৎ যাবতীয় শক্তিশালী বস্তুরই কৃপার পাত্র ছিল মানুষ। ফলে আরাধনা ও পূজা দ্বারা এই সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করে প্রাকৃতিক বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মানুষ মনে করত। আরো পড়ুন