আদিম সাম্যবাদ হচ্ছে মার্কসবাদী মতে মানবসৃষ্ট সমাজের প্রথম রূপ

আদিম সাম্যবাদ

আদিম সাম্যবাদ (ইংরেজি: Primitive Communism) বা আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজ হচ্ছে কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের কাছ থেকে উদ্ভূত একটি ধারণা। তাঁরা যুক্তি দেন যে ঐতিহ্যবাহী শিকারী-সংগ্রাহক গোষ্ঠী সমাজগুলি সমমাত্রিক সামাজিক সম্পর্ক এবং সাধারণ মালিকানার উপর ভিত্তি করে টিকে ছিল। মার্কসের আর্থ-সামাজিক কাঠামোসমূহের মডেলগুলিতে, আদিম সাম্যবাদের সাথে চলতি সমাজগুলিতে কোনো ক্রমান্বয়িক সামাজিক শ্রেণির গঠন বা পুঁজির সঞ্চয়ন ছিল না। আরো পড়ুন

বস্তুপূজা হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর আরাধনা

বস্তুপূজা (ইংরেজি: Fetishism) হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর পূজা বা আরাধনা। বস্তুপূজা আদিম সমাজের ধর্মের অঙ্গীভূত ছিল। প্রাকৃতিক জগতের বিভিন্ন বস্তুর রহস্য মানুষের তখনো অজানা ছিল। পাহাড়, পর্বত, ঝড়ঝঞা, মেঘ, বিদ্যুৎ যাবতীয় শক্তিশালী বস্তুরই কৃপার পাত্র ছিল মানুষ। ফলে আরাধনা ও পূজা দ্বারা এই সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করে প্রাকৃতিক বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মানুষ মনে করত। আরো পড়ুন

সাম্রাজ্যবাদ হচ্ছে এক দেশ বা জাতি কর্তৃক অপর দেশ বা জাতির উপর প্রভুত্ব

সাধারণ দৃষ্টিতে সাম্রাজ্যবাদ (ইংরেজি: Imperialism) হচ্ছে একটি দেশ বা জাতি কর্তৃক অপর একটি দেশ বা জাতির উপর প্রভুত্ব ও শাসন কায়েম করা।[১] আধুনিক ইতিহাসে ইংরেজ, ফরাসি, স্পেনীয় ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নাম বিশেষভাবে পরিচিত। অপরের উপর নিজের শাসন ও সভ্যতা বিস্তারের মারফত প্রভুত্ব কায়েম করা, অসম আচরণ ও অত্যাচার ও শোষণের মাধ্যমে অধীনস্থ জাতির উপর নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী … Read more

উপনিবেশবাদ প্রসঙ্গে

উপনিবেশবাদ বা ঔপনিবেশিকতাবাদ (ইংরেজি: Colonialism) শব্দটি দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধোত্তরকালে বিশেষ করে বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে সাম্রাজ্যবাদ শব্দটির সমার্থে ব্যবহারবহুল হয়েছে। শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো যে সব অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মপন্থার সাহায্যে একটি সাম্রাজ্যশক্তি অন্যান্য দেশ কিংবা অধিবাসীদের উপর নিয়ন্ত্রণ, সম্প্রসারণ অথবা বিস্তার বজায় রাখে। আরো পড়ুন

সমর শিল্প বুর্জোয়ার শ্রেণিগত আধিপত্য সুদৃঢ়করণ ও সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের শক্তি

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালীন ব্যবহৃত অস্ত্র

সমর শিল্প বা সামরিক শিল্প (ইংরেজি: Arms Industry) বা সামরিক শিল্পের একত্রীকরণ হচ্ছে বৃহত সামরিক শিল্পের অগ্রাধিকার ও সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রযন্ত্রের সামরিক চক্রগুলোর সমরবাদী মিলন, যারা একচেটিয়া বুর্জোয়ার শ্রেণিগত আধিপত্য সুদৃঢ়করণ ও তা বিস্তারের স্বার্থে সামরিক শক্তির অবিরত বিকাশের পক্ষপাতী। সামরিক শিল্প মালিকরা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া পুঁজিবাদি ব্যবস্থার সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও আক্রমণাত্মক অংশ।[১] সমর শিল্প … Read more

সমাজ গণতন্ত্র হচ্ছে একটি সংস্কারবাদী বিপ্লববিরোধী মতবাদ

সমাজ গণতন্ত্র (ইংরেজি: Social democracy) হচ্ছে এমন একটি রাজনৈতিক মতবাদ যা সংস্কারবাদী এবং ধারাবাহিকতাবাদী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রীতিমাফিক কাজ করে।[১] আলাদাভাবে বললে সমাজ-গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হচ্ছে এমন এক নীতির প্রশাসনপদ্ধতি যা পুঁজিবাদী অর্থনীতির কাঠামোর ভেতরে একটি বৈশ্বিক কল্যাণ রাষ্ট্র এবং যৌথ দরকষাকষির বিন্যাস। আরো পড়ুন

জ্ঞান হচ্ছে কারও বা কোনো কিছু সম্পর্কে একটি পরিচিতি, সচেতনতা বা উপলব্ধি

জ্ঞান অনুসরণ

জ্ঞান হচ্ছে অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরিকাঠামো আবার এই জ্ঞান ভিত্তিকে প্রভাবিত করে এবং বদলেও ফেলে। জ্ঞান অর্থনৈতিক শোষণের একটি বাইপ্রোডাক্ট। যারা শোষণ তৈরি করতে পারেনি, তারা সভ্য হতে পারেনি, আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজে থেকে গেছে। গত ১০০০ বছরে শহরগুলো কেন শোষণের কেন্দ্র হয়েছে, কেন শহরগুলোর চেয়ে রাষ্ট্র বেশি শক্তিশালী হয়েছে, এই প্রশ্নের দিকে তাকালেই আমরা আরো পড়ুন

প্রলেতারিয়েত অষ্টাদশ শতক পরবর্তীকালের শ্রমশক্তি বিক্রিকারী শ্রমিক শ্রেণি

প্রলেতারিয়েত (ইংরেজিতে Proletariat) হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজের অন্যতম প্রধান শ্রেণি। প্রলেতারিয়েত হচ্ছে উৎপাদনের উপায় থেকে বঞ্চিত মজুরি শ্রমিকের শ্রেণি, যারা নিজ শ্রমশক্তি বিক্রয় করে জীবনধারণ করে এবং বুর্জোয়াদের দ্বারা শোষিত হয় সাম্যবাদী ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টির নেতৃত্বে সামাজিক প্রগতি ও শান্তির লক্ষ্যে প্রলেতারিয়েত পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সকল নিপীড়িত ও শোষিত জনগণের সংগ্রাম পরিচালনা করে।আরো পড়ুন

রাজনৈতিক দল কী, কাকে বলে ও কেন প্রয়োজন

কোনো শ্রেণি বা তার স্তরের সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও সংগঠিত অংশ হচ্ছে দল বা পার্টি বা রাজনৈতিক দল (ইংরেজিতে Political Party)। রাজনৈতিক দলগুলোর অস্তিত্ব জড়িত সমাজের শ্রেণিবিভক্তি ও এইসব শ্রেণির বহুবিভাগের সংগে, শ্রেণিসমূহের এবং তার অঙ্গদলগুলোর স্বার্থের পার্থক্যের সংগে।আরো পড়ুন

মৈত্রী হচ্ছে প্রেম ও সংহতির ভিত্তিতে জনগণের ভেতর এক ধরনের নৈতিক সম্পর্ক

সামাজিক শ্রেণির ভেতরের মানুষগুলো যখন নানা উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, সংগঠন গড়ে তোলে, চিন্তার আদান-প্রদান করে, সংগঠনের কর্মসূচি প্রণয়ন করে তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব, ঐক্য, সংহতি ইত্যাদি গড়ে ওঠে। দর্শনের আলোচনায় মৈত্রী (Fraternity) হচ্ছে প্রেম আর সংহতির ভিত্তিতে জনগণের ভেতর এক ধরনের নৈতিক এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক। শিল্প, সংস্কৃতি, নৈতিকতা, দান, দক্ষতা ইত্যাদিকে কেন্দ্র … Read more

error: Content is protected !!