থানকুনি পাতার পনেরোটি গুণাগুণ ও উপকারিতা
বড় থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica (Linn.) urban. আর ছোট থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella japonica. দুটিরই পরিবার Apiaceae. দেখতে অনেকটা থানকুনির মতো। আরও পড়ুন
বড় থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella asiatica (Linn.) urban. আর ছোট থানকুনির বৈজ্ঞানিক নাম Centella japonica. দুটিরই পরিবার Apiaceae. দেখতে অনেকটা থানকুনির মতো। আরও পড়ুন
নিম এশিয়ার একটি ঔষধি বৃক্ষ। এর দ্বিপদ নাম Azadirachta indica. এটি বাংলাদেশ ভারতের সর্বত্র জন্মে এবং এই গাছের ফুল, ফল, পাতা ভেষজ কাজে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন
শ্বেত, নীল, কৃষ্ণ, লোহিত এবং পীত পুষ্পের ধুতরা দেখা যায়। এই সব ধরণের ফুলের কাজ সমান হলেও কালো ধুতরা ফুল বেশি কার্যকর। আরো পড়ুন
পরিচিতি: দূর্বা একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ঘাস। এদের বৈজ্ঞানিক নাম: Cynodon dactylon, (L.) Pers এবং এরা পোয়াসি পরিবারের ঘাস। এই ঘাসটির ঔষধি ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন দূর্বা ঘাসের উপকারিতা ও গুণাগুণ চাষাবাদ: বর্ষার আগেই বৈশাখের প্রথম বৃষ্টি পেয়ে প্রতিটি গিট থেকে শেকড় বেরিয়ে মাটি আঁকড়ে দূর্বার ডগা এগিয়ে যায়। দূর্বা দীর্ঘকাল ধরে প্রতিকুল পরিবেশে লড়াই … Read more
প্যারাবন বা বাদাবন মূলত বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশের বনাঞ্চলকে বলা হয়। এটি দক্ষিণ পশ্চিম অংশে সমুদ্রের কোল ঘেঁসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। স্থানীয়রা একে বাদাবন বা বাদা বলে। এই অঞ্চল ঝড়ঝঞ্ঝা আর জলোচ্ছ্বাসকে প্রতিরোধ করে। এই অঞ্চলের গাছগুলো একটানা আরো পড়ুন
কুরচি (বৈজ্ঞানিক নাম: Holarrhena pubescens) মূলত একটি গণের নাম। কুরচি বলতে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানে মূলত দুটি গণের প্রায় ৭-৮টি প্রজাতির বৃক্ষকে উল্লেখ করা হয়। আরো পড়ুন
পরিচয়: শতাবরী বা শতমূলী (বোটানিকাল নাম Asparagus racemosus Willd.,) লিলিয়াসি পরিবারের অ্যাসপারাগাস গণের একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। শতমূলী লতাটির প্রকৃতি স্বাভাবিক ভাবেই লতানো। তবে বলা যায় এটি বৃক্ষাশ্রয়ী এবং শাখাপ্রশাখা বিস্তার করে। পাতাগুলি দেখলে মনে হয় যেন সবুজ সুতোর ঝিলিমিলি মালা গাঁথা, এইজন্য বহু সৌখীন লোক বাড়ীর উদ্যানের শোভাবর্ধন করার জন্য এটি রোপণ করেন। আর … Read more
শৃঙ্গাটকের ভাষানাম পানিফল। পানিতেই ফল হয় বলে এর নাম পানিফল; যদিও দক্ষিণ ভারত ছাড়া সব ভারতীয় ভাষানাম প্রায় একই, তবে অনেকটা সংস্কৃত-নির্ভর শিঙ্গাড়াও বলে আরো পড়ুন
মূর্ছার ক্ষেত্রে বা আক্রমণের সময় যদি এর মূল, গাছ ও পাতা থেতো করে, ছেকে ১ চা চামচ আন্দাজ রস কোনো রকমে খাইয়ে দেওয়া যায়, তৎক্ষণাৎ ওটা ছেড়ে যাবে। আরো পড়ুন