সর্দি সারানোর দশটি সহজ ঘরোয়া উপায়

সর্দি একটি সংক্রামক অসুখ। বাচ্চারা সাধারণত স্কুলে অন্য বাচ্চার কাছ থেকে সংক্রামিত হয়ে থাকে। ভাইরাস নাকে ঢোকার দু’একদিন বাদে প্রদাহের সৃষ্টি করে ও সর্দির লক্ষণ দেখা যায়। হাঁচি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও নাক দিয়ে পানিপড়া হল এই রোগে লক্ষণ। আরো পড়ুন

মাথার যন্ত্রণা দূর করা বা কমানোর ঘরোয়া সহজ দশটি উপায়

মাথার যন্ত্রণা

মাথার যন্ত্রণা বা মাথা ব্যথা (ইংরেজি: Headache) নানা কারণে হতে পারে এবং এই মাথা ব্যথা খুব সহজে দূর করা যেতে পারে। সর্দি বসে গিয়ে বা ঠাণ্ডা লেগে মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। ব্যথা তীব্র বা হালকা যাই হোক না কেনো সেটা শারীরিকভাবে অসুস্থতা তৈরি করে। এই যন্ত্রণা থেকে নিস্তার পেতে কিছু ঘরোয়া ও ভেষজ ঔষধের মাধ্যমে নিস্তার পাওয়া যাবে।আরো পড়ুন

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ উদ্ভিদ

সাদা শালপানি

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী (বৈজ্ঞানিক নাম: Desmodium laxiflorum) এক প্রকারের সপুষ্পক ভেষজ গুল্ম। এদেরকে শোভা বর্ধনের জন্য লাগানো হয়।আরো পড়ুন

বেগুনি শালপানি বা শালপর্ণী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ছোট গুল্ম, ৬০-১২০ সেমি উঁচু। কাণ্ড কাষ্ঠল, সামান্য কোণাকার, উপরের দিক খর্বকার ধূসর লোম দ্বারা আবৃত। পত্র ১-ফলক, পত্রক আয়তাকার, সাধারণত ৩-৬টি, গোড়া গোলাকার, একটি সূক্ষ্মাগ্র বিন্দুতে ক্রমে চিকন, নিচের পৃষ্ঠ ধূসর রোম দ্বারা হালকাভাবে আবৃত, পত্রবৃন্ত ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন

কালিলতা বা পান লতা পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

পাহাড়ী বন, ম্যানগ্রোভ বন এবং কর্দমাক্ত সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল মার্চ-জুন। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, উত্তর অস্ট্রেলিয়া এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে ইহা সুন্দরবন এবং চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাতাহীন ডেনড্রোবিয়াম বা ফাসিয়া মাছ অর্কিড জাতীয় প্রজাতি

পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা আদিবাসীরা বিকৃত মাথা বিশিষ্ট সদ্যজাত শিশুর চিকিৎসায় এই প্রজাতির পাতা ব্যবহার করে থাকে। প্রথমে তারা সঠিত ভাবে পাতার পেষ্ট তৈরি করে এবং তারপর মাথার অস্বাভাবিক বা বিকৃত অংশে ঐ পেষ্ট ব্যবহার করে। এই চিকিৎসা দীর্ঘদিন ধরে চালাতে হয় (Huda, 2000).আরো পড়ুন

জানগানিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

ভারত, হিমালয়ের পূর্ব দিক, মায়ানমার এবং চীন। বাংলাদেশে ইহা ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

মাকরিগিলা পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো আরোহী উদ্ভিদ

রোমহীন, সুদৃশ্য আরোহী। পত্র ১৫-২০ সেমি লম্বা, পত্রক ৫টি, মধ্যম দৃঢ়, উপরিভাগ কিছুটা চকচকে, শীর্ষ আংশিক পুচ্ছযুক্ত, শিরা সামান্য প্রকাশিত। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকল, পত্রের সমান লম্বা, কিছুসংখ্যক ছড়ানো সরু হালকা পুষ্পের শাখাবিশিষ্ট, প্যানিকল সাধারণত একল। বৃতি প্রসারিত অবস্থায় লম্বার তুলনায়।আরো পড়ুন

বন সাবাইম এশিয়ার চিরহরিৎ বনে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

পত্রঝরা বৃক্ষ, ২৭ মিটার পর্যন্ত উঁচু, শাখাপ্রশাখা ছড়ানো, ক্ষুদ্র শাখা রোমশ, বাকল গাঢ় বাদামি, পাতলা যা উল্লম্ব সন্ধিযুক্ত, পুরাতন বৃক্ষে একটির উপর অন্যটি স্তরে উন্মুক্ত। পত্র সচূড় পক্ষল, একান্তর, ১৪.৫-৫.৫ x ২-৩ সেমি, আয়তাকার-উপবৃত্তাকার, কদাচিৎ প্রায় বর্তুলাকার,আরো পড়ুন

বাগরাজ বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো বৃক্ষ

চিরহরিৎ বৃক্ষ। পত্র প্রায় আবর্তকারে সজ্জিত, ১৫২৫ x ৩-৬ সেমি, উপবৃত্তাকার, দীর্ঘাগ্র বা স্থূলভাবে দীর্ঘা, কীলকাকার বা হীরকাকার-বিডিম্বাকার, গোঁড়ায় অধিক সংকীর্ণ, নিম্নপৃষ্ঠ চকচকে বা চকচকে নয়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!