ছাতিদণ্ডী উপকারী ভেষজ গুল্ম

বৃহৎ প্যাচানো গুল্ম। কাণ্ড ও শাখা সরু, পাতলাভাবে রোমশ। পত্র সংকীর্ণভাবে দীর্ঘায়িত, বল্লমাকার, দীর্ঘাগ্র, পত্রফলক ৭-৯ x ০.৮-১০ সেমি, উপরিভাগ রোমশ, মধ্যশিরা ও প্রান্ত ব্যতীত অঙ্কীয় পৃষ্ঠ মসৃণ। পুষ্পবিন্যাস স্বল্প-পুষ্পী সাইম, পাতলাভাবে রোমশ, পুষ্পদন্ড ২-৩ সেমি লম্বা, পুষ্পবৃত্তিকা ০.৮-১.২ সেমি লম্বা। বৃতি খন্ড ৫-৭ মিমি লম্বা, রৈখিক-বল্লমাকার, সূক্ষ্মাগ্র, কচি অবস্থায় মসৃণ বা পাতলাভাবে রোমশ।আরো পড়ুন

কারোয়া একধরণের মসলা জাতীয় বিরুৎ

কারোয়া দেখতে গাজর পরিবারের অন্যান্য প্রজাতির মতো। সূক্ষ্মভাবে বিভক্ত, পালকযুক্ত পাতাগুলি সুতার মতো বিভাজনসহ ২০-৩০ সেমি (৮-১২ ইঞ্চি) কান্ডে বৃদ্ধি পায়। প্রধান ফুলের কান্ড ৩০-৬০ সেমি (১২-২৪ ইঞ্চি) লম্বা, ছোট সাদা বা গোলাপী ফুল যৌগিক ছাতার মধ্যে ৫-১৬ অসম রশ্মি ১-৬ সেমি লম্বা। কারোয়া ফল মসৃণ, অর্ধচন্দ্রাকার, পার্শ্বীয়ভাবে সংকুচিত, প্রায় ৩ মিমি (১⁄৮ ইঞ্চি) লম্বা, পাঁচটি ফ্যাকাশে শিলা আছে এবং চূর্ণ করার সময় সুগন্ধ হয়।আরো পড়ুন

নারকাটা সপুষ্পক আরোহী লতা

নারকাটা একটি কাষ্ঠল আরোহী লতা। এর শাখাগুলি ঘন গ্রন্থিযুক্ত ও লোমযুক্ত এবং কাঁটাযুক্ত। লতার পাতা ২২ থেকে ৩৬ সেমি লম্বা হয় এবং দ্বিগুণ যৌগিক। পাতা পাশাপাশি থাকে, একটি শিরায় ১৩ থেকে ২৩ জোড়া থাকে, এটি প্রায় ৩.৫ সেমি লম্বা। ঝিরিঝিরি পাতাগুলো বিপরীতমুখী, ৭ থেকে ১৪ জোড়া, আয়তাকার, প্রায় ৯ × ৪ মিমি, সরল, ব্রাশের মতো দেখতে।আরো পড়ুন

কুকুরমুতা বা তাম্রচূড়া ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

কুকুরমুত্রা বা কুকুরশোঁকা হল একটি তীব্র গন্ধযুক্ত একটি বর্ষজীবী ভেষজ গুল্ম। এটি ১-২ ফুট লম্বা হতে পারে। এদের কাণ্ড রোমশ, খাড়া, সরল বা শাখাযুক্ত। এটি সরল, তবে পাতা ও কাণ্ডের সংযোগস্থল থেকে ছোট ছোট শাখাও বের হয়। পাতা পাতা অগোছালো, ডিম্বাকার; ৫ থেকে ১২ সেমি লম্বা, ২-৬ সেমি চওড়া, উপরের দিকে ছোট, ডাঁটাযুক্ত, এবং দাঁতযুক্ত। কিন্তু বোঁটার দিকটা ক্রমশঃ সরু, কিনারা ঢেউ খেলানো, সক্ষম রোমশ, মনে হয় যেন পশম দিয়ে তৈরী।আরো পড়ুন

ডোরা বট দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উদ্ভিদ

মূলারোহী লতা, শাখা-প্রশাখাসমূহ রোমশ, মসৃণবৎ, শুষ্ক অবস্থায় বাদামী। পল্লব অণুকুর্চ আবৃত থেকে অণুকন্টক রোমাবৃত থেকে অণুরোমাবৃত বা মসৃণ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র ১.০-১.৫ সেমি লম্বা, ডিম্বাকার ভল্লাকার, রোমশ, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-৩ সেমি লম্বা, বিক্ষিপ্ত রোমশ, ফলক ডিম্বাকার থেকে ডিম্বাকার উপবৃত্তাকার, ৭-১৮ × ৫-১০ সেমি, চর্মবৎ,আরো পড়ুন

প্যারাবোহা অরণ্যে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

এটি গুল্ম অথবা ছোট আকারের বৃক্ষ। এটি ৬ মিটার পর্যন্ত উঁচু, প্রায়শই অর্ধপরাশ্রয়ী, শাখা-প্রশাখাসমূহ ঝুলন্ত, উপশাখাসমূহ শুষ্ক অবস্থায় বাদামী থেকে হলুদাভ। পল্লব মসৃণ বা কিছুটা অণুখররোমাবৃত, সমতল অথবা কিঞ্চিৎ কর্কশ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র ০.৩-০.৮ সেমি লম্বা, মসৃণ, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ০.৩-১.৫ সেমি লম্বা, বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা খররোমাবৃত, ফলক দীর্ঘায়ত, উপবৃত্তাকার থেকে উপবিডিম্বাকার বা ভল্লাকার, ৪.০-১৬.৫ x ১.৫-৮.০ সেমি, চর্মবৎ, শীর্ষ আকস্মিক দীর্ঘাগ্র থেকে প্রায় পুচ্ছাকৃতি, আরো পড়ুন

পাকুড় বাংলাদেশে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

পাকুড় মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। এটি ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, উপশাখাসমূহ এবং তরুণ বিটপ মসৃণ, চুড়া অনিয়মিত আকারবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, বৃন্তক, বৃন্ত ৪-১০ সেমি লম্বা, ফলক স্থুল ডিম্বাকার, ১০-১৫ x ৬-১০ সেমি, নিম্নপ্রান্ত খাতাগ্র বা প্রায় হৃৎপিণ্ডাকার, কিনারা অখন্ড, শীর্ষ তীক্ষ্ণগ্রবিশিষ্ট, উভয়পৃষ্ঠ মসৃণ। আরো পড়ুন

খুসকা ডুমুর দক্ষিণ এশিয়ার অরণ্যে জন্মানো বৃক্ষ

এই প্রজাতি গুল্ম অথবা ছোট বৃক্ষ আকারের। ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পল্লব সাদাটে থেকে গাঢ় বাদামী অণুরোমাবৃত থেকে অণুকন্টক রোমাবৃত এবং ফ্যাকাশে বাদামী থেকে হলুদাভ অণুকন্টক রোমাবৃত থেকে প্রায় খররোমাবৃত বা গাঢ় বাদামী খররোমাবৃত।আরো পড়ুন

বুটি ডুমুর বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: বুটি ডুমুর (বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus lanceolata) ফিকাস গণের মরাসিয়া পরিবারের গুল্ম। এই প্রজাতিটি পাহাড়ি জায়গায় অযত্নে জন্মে। এটি অনেক ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বুটি ডুমুর-এর বর্ণনা: বহু-শাখান্বিত গুল্ম অথবা ছোট বৃক্ষ, প্রায় মসৃণ। পাতা সরল, অণুপর্ণী, উপপত্র ১ সেমি (প্রায়) লম্বা, ভল্লাকার, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১.০-২.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ভল্লাকার বা সরু ভল্লাকার, শীর্ষ … Read more

পরকাঠ ডুমুর দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো গুল্ম

আরোহী গুল্ম, কান্ড এবং শাখা-প্রশাখার পর্বমধ্যে বায়বীয় মূল বিদ্যমান, উপশাখাসমূহ কচি অবস্থায় রোমশ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র আশুপাতী, ডিম্বাকার, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, পত্রফলক উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকার-উপবৃত্তাকার, ৬-১১ X ৩-৫ সেমি, পুরু চর্মবৎ, কচি অবস্থায় রোমশ, শীর্ষ স্থূলাগ্র থেকে কখনও গোলাকার, নিম্নপ্রান্ত স্থুল কীলকাকার থেকে স্থুলাগ্র, কিনারা অখন্ড, পার্শ্বশিরা ৩-৫ জোড়া, অক্ষাভিগ পৃষ্ঠে সুস্পষ্ট,আরো পড়ুন

error: Content is protected !!