গোর্কির বহিষ্কার সম্বন্ধে বুর্জোয়া পত্র-পত্রিকার গালগল্প

কয়েক দিন হলো বিভিন্ন বুর্জোয়া পত্র-পত্রিকা — ফ্রান্সের ‘ল্য’একলের’, ‘ল্য’রাদিকাল’, জার্মানির ‘বার্লিনের তাগেব্লাৎ’, আর রাশিয়ার ‘উত্রো রসিই’, ‘রেচ’, ‘রুস্কোয়ে স্লোভো’, ‘নোভয়ে ভ্রেমিয়া’ ঠোঁটে চুমকুড়ি কাটছে অতীব চাঞ্চল্যকর একটা খবর নিয়ে: সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে গোর্কির বহিষ্কার। এই বাজে রিপোর্টটাকে খণ্ডন করে ‘ফরভাৎর্স’এ[১] ইতিমধ্যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আরো পড়ুন

ভি. আই. লেনিনের প্রবন্ধ সংকলন সাহিত্য প্রসঙ্গে’র সূচিপত্র

* পার্টি সংগঠন ও পার্টি সাহিত্য, * লেভ তলস্তয় – রুশ বিপ্লবের দর্পণ, * গোর্কির বহিষ্কার সম্বন্ধে বুর্জোয়া পত্র-পত্রিকার গালগল্প, * ‘একজন প্রাবন্ধিকের মন্তব্যলিপি প্রবন্ধ থেকে, * ১. প্রত্যাহারপন্থার অনুগামী আর রক্ষকদের কর্মপন্থা, * ল. ন. তলস্তয়, * ল. ন. তলস্তয় এবং সমসাময়িক শ্রমিক আন্দোলন আরো পড়ুন

তলস্তয় এবং প্রলেতারীয় সংগ্রাম

শাসক শ্রেণিগুলির বিরুদ্ধে তলস্তয়ের অভিযোগ প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং অকৃত্রিম; গির্জা, আইন-আদালত, সমরবাদ, ‘আইনগত’ বিবাহবন্ধন, বুর্জোয়া বিজ্ঞান, ইত্যাদি যেসব প্রতিষ্ঠানাদি দিয়ে আধুনিক সমাজ বজায় থাকে সেগুলোর ভিতরকার মিথ্যাচার তিনি একেবারে স্পষ্ট করে খুলে ধরেছেন। কিন্তু, আধুনিক সমাজব্যবস্থার কবরখনক প্রলেতারিয়েতের জীবন, কর্ম এবং সংগ্রামের একেবারে বিরুদ্ধ প্রতিপন্ন হয়েছে তাঁর মতবাদ। আরো পড়ুন

আর্ট ফিল্ম ও কমার্শিয়াল ফিল্ম প্রসঙ্গে–সন্দীপন চক্রবর্তী

কমার্শিয়াল ফিল্ম

বিজ্ঞানের এক মজার আবিষ্কার হিসেবেই চলচ্চিত্রের জন্ম। বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তার ব্যবহার শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তা জনপ্রিয় ও বাজারসফল হয়ে ওঠে। এরপর ক্রমে তা এক স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং পূর্বোক্ত ধারার ছবিগুলোর থেকে শিল্পিত ছবিগুলোকে আলাদা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। আরো পড়ুন

কেও বা কেঁউ গাছ: প্রকৃতিতে এক দৃষ্টিনন্দন ভেষজ ভাণ্ডার ও তার বহুমুখী ব্যবহার

কেও বা কেঁউ (বৈজ্ঞানিক নাম: Cheilocostus speciosus) মূলত একটি বহুবর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। চমৎকার এই গাছটি সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অনেক এলাকায় চাষ করা হলেও কোথাও কোথাও এটি ‘আগ্রাসী প্রজাতি’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। এর গঠন বেশ ঝোপালো; সরাসরি শিকড় থেকে অসংখ্য ডালপালা বেরিয়ে দ্রুত একটি ঘন ঝোপের সৃষ্টি করে। একটি পূর্ণবয়স্ক কেঁউ ঝোপ সাধারণত ৫-৬ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এই … Read more

সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে ভয় পেলে এগোনো সম্ভব কি?

আসন্ন বিপর্যয় এবং তা প্রতিহত করার উপায় পুস্তিকা থেকে এতক্ষণ যা বলা হলো তার থেকে, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশানারি এবং মেনশেভিকদের চলতি সুবিধাবাদী ধ্যান-ধারণায় লালিত পাঠকের পক্ষ থেকে সহজেই এই আপত্তি উঠতে পারে: এখানে বর্ণিত ব্যবস্থাগুলির বেশির ভাগ বস্তুত সমাজতান্ত্রিকই, গণতান্ত্রিক নয়! (কোনো-না-কোনো আকারে) সাধারণত বুর্জোয়া, সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশনারি এবং মেনশেভিক পত্রপত্রিকাগুলিতে উত্থাপিত এই চলতি আপত্তিটা হলো অনগ্রসর পুঁজিবাদের প্রতিক্রিয়াশীল পক্ষসমর্থন, স্ত্রুভীয় সাজে সজ্জিত সমর্থন। আরো পড়ুন

মিশ্রিদানা বা চিনিপাতা বাংলাদেশের সুলভ ঔষধি উদ্ভিদ

এটি ভারতে ডায়াবেটিস রোগে এবং তাইওয়ানে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনে ব্যবহার করা হয়। এটি ব্রাজিলে নানা রোগে ব্যবহৃত হয় যেমন অর্শরোগ এবং ক্ষতে। আরো পড়ুন

পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি গ্রন্থের প্রথম সংস্করণের ভূমিকা

নিচের অনুচ্ছেদগুলি এক দিক দিয়ে একটি অর্পিত দায়িত্ব পালনেরই ফলশ্রুতি। পরিকল্পনাটি ছিল স্বয়ং কার্ল মার্কসের, আর কারও নয়; তিনি তার নিজের — বলা যেতে পারে আমাদের দুজনের পর্যালোচিত ইতিহাসের বস্তুবাদী শিক্ষার অনুষঙ্গে মর্গানের গবেষণার ফলগুলি বিবত করতে এবং এভাবে তার সামগ্রিক তাৎপর্য ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কারণ, মর্গান তাঁর নিজস্ব পদ্ধতিতে আমেরিকায় আরো পড়ুন

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস রচিত ‘এ্যান্টি-ডুরিং’ গ্রন্থের প্রথম সংস্করণের ভূমিকা

যে রচনাটি আমরা এই সঙ্গে প্রকাশ করছি তা আমার কোনো ‘অন্তর্বেগের’ ব্যাপার নয়। বরঞ্চ বিষয়টি এর বিপরীত। তিন বছর আগের কথা। তিন বছর আগে হের ডুরিং যখন আচম্বিতে নিজেকে শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ এবং সমাজতন্ত্রের এক সংস্কারক হিসাবে জনসমক্ষে পেশ করলেন তখন জার্মানি থেকে সুহৃদগণ আমাকে বারবার বলতে লাগলেন, আমি যেন সোশ্যাল ডিমোক্রাটিক পার্টির তৎকালীন কেন্দ্রীয় মুখপত্র ‘ভোকসট্যাট’-এ হের ডুরিং-এর এই নব সমাজবাদীতত্ত্বের একটি সমালোচনা পেশ করি। আরো পড়ুন

বস্তুপূজা হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর আরাধনা

বস্তুপূজা (ইংরেজি: Fetishism) হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর পূজা বা আরাধনা। বস্তুপূজা আদিম সমাজের ধর্মের অঙ্গীভূত ছিল। প্রাকৃতিক জগতের বিভিন্ন বস্তুর রহস্য মানুষের তখনো অজানা ছিল। পাহাড়, পর্বত, ঝড়ঝঞা, মেঘ, বিদ্যুৎ যাবতীয় শক্তিশালী বস্তুরই কৃপার পাত্র ছিল মানুষ। ফলে আরাধনা ও পূজা দ্বারা এই সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করে প্রাকৃতিক বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মানুষ মনে করত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!