গিলা লতা ফাবাসি পরিবারের বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় লতানো উদ্ভিদ

ভূমিকা: গিলা লতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Entada scandens) ফেবাসি পরিবারের এন্টাডা গণের একটি কাষ্ঠল গুল্ম। গিলা লতা-এর বিবরণ: গিলা লতা কাষ্ঠল গুল্ম (shrub) আরোহী লতা জাতীয় চিরসবুজ উদ্ভিদ, উচ্চতায় প্রায় ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এরা সুন্দরী, বাইন, গেওয়া, পশুর, আমুর ইত্যাদি আশ্রয়ী গাছের কান্ড আঁকড়ে ধরে বেড়ে ওঠে। গিলা লতা গাছ ছায়াযুক্ত স্থানে জন্মায় এবং ধীরে … Read more

আবশ্যিক রাষ্ট্রভাষার প্রয়োজন আছে কি?

প্রতিক্রিয়াশীলদের থেকে উদারপন্থীদের পার্থক্য এই যে, স্থানীয় ভাষায় শিক্ষণের অধিকার তারা মানে — অন্তত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। কিন্তু, আবশ্যিক রাষ্ট্রভাষা যে প্রয়োজন, এবিষয়ে তারা প্রতিক্রিয়াশীলদের সঙ্গে সম্পূর্ণত একমত। আবশ্যিক রাষ্ট্রভাষার অর্থ কী? কার্যক্ষেত্রে এর অর্থ হলো, রাশিয়ার জনসমষ্টির যারা সংখ্যালঘু অংশ সেই বড়-রুশীদের ভাষা চাপানো হবে রাশিয়ার জনসমষ্টির বাদবাকি সমস্ত মানুষের উপর। আরো পড়ুন

শিউলি বা শেফালী বাংলাদেশ ভারতের আলংকারিক সুগন্ধি ফুল

শিউলি

ভুমিকা: শিউলি (বৈজ্ঞানিক নাম: Nyctanthes arbor-tristis ইংরেজি: night-flowering jasmine বা parijat) হচ্ছে অলিয়াসি পরিবারের নেকটানথি গণের বৃক্ষ। বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফুলের তালিকায় শিউলি আছে। বিবরণ: শেফালি বা শিউলি ক্ষুদ্র বৃক্ষ। কচিশাখা রোমশ, চতুষ্কোণী। পত্র ডিম্বাকৃতি, সূক্ষ্মকোণী, বর্ধিত-শীর্ষ, প্রায় ৪ ইঞ্চি দীর্ঘ। পত্রবিন্যাস বিপ্রতীপ। মঞ্জরি নিয়ত, স্বল্পপৌষ্পিক, কাক্ষিক ও প্রান্তিক। ফুল ক্ষুদ্র, অবৃন্তুক চ্যুতদল। পাপড়ি যুক্ত, ৫-৮ অংশে বিভক্ত, সুগন্ধি, নিম্নাংশ নলাকৃতি ইঞ্চির এক চতুর্থাংশ, গাঢ়-কমলা, উর্ধ্বাংশ প্রসারিত, শ্বেত, কোমল আধা ইঞ্চি প্রশস্ত। ফল চ্যাপ্টা, পৌনে এক ইঞ্চি, বিতাম্বুলাকৃতি, দ্বিবীজীয়, ধূসর, শুষ্ক। আরো পড়ুন

সফেদা বা সবেদা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের সুস্বাদু ফল

সফেদা মধ্যম আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ। এদের দুধসদৃশ আঠাযুক্তকষ আছে যা চিকল নামে পরিচিত। পত্র সরল, একান্তর, বৃন্তক, শাখাপ্রশাখার শেষ প্রান্তে সমাকীর্ণ, ডিম্বাকার-উপবৃত্তাকার থেকে উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, ৭-১২ x ২.৫-৩.৫ সেমি বা ৩ থেকে ৬ ইঞ্চি , অধচর্মবৎ, অখন্ডিত, গোড়া প্রশস্ত, শীর্ষ স্থূলাগ্র, রোমহীন। এদের পত্রবৃন্ত আধ থেকে এক ইঞ্চি দীর্ঘ। আরো পড়ুন

ইউজিন পতিয়ের বা ওজেন পোতিয়ে, তাঁর মৃত্যুর ২৫তম বার্ষিকী

ইউজিন পতিয়ে

বিখ্যাত প্রলেতারীয় গান ‘আন্তর্জাতিকের’ (ওঠো জাগো অনশনবন্দী’, ইত্যাদি) রচয়িতা ফরাসী শ্রমিক-কবি ইউজিন পতিয়েরের মত্যুর পর থেকে পঁচিশ বছর পুরেছিল গত বছর ১৯১২ সালের নভেম্বর মাসে। সমস্ত ইউরোপীয় এবং অন্যান্য ভাষায় গানটির তরজমা হয়েছে। কোনো শ্রেণিসচেতন শ্রমিক যেকোনো দেশে গিয়ে পড়ুন, নিয়তি তাকে যেখানেই ফেলুক না কেন, নিজেকে তার যতই ভিনদেশী আরো পড়ুন

জনজীবনের রূপকার শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী

জয়নুল আবেদীন (২৯ ডিসেম্বর, ১৯১৪ – ২৮ মে, ১৯৭৬) ছিলেন বাংলাদেশের জনজীবনের রূপকার এক বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনি ‘শিল্পাচার্য’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে-দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি। ১৯৬৯ সালে গ্রাম বাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন আরো পড়ুন

ল. ন. তলস্তয় এবং সমসাময়িক শ্রমিক আন্দোলন

রাশিয়ার প্রায় সমস্ত বড় শহরের শ্রমিক ল. ন. তলস্তয়ের জীবনাবসান প্রসঙ্গে ইতোমধ্যে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে এবং কোনো-না-কোনোভাবে এই লেখকের প্রতি মনোভাব জানিয়েছে, এই যে-লেখক এমন কতকগুলি শিল্পকর্ম সৃষ্টি করেছেন যাতে তাঁর স্থান হয়েছে পৃথিবীর মহালেখকদের মধ্যে, তারা মনোভাব জানিয়েছে এই চিন্তাবীরের প্রতি, যিনি সমসাময়িক রাজনীতিক ব্যবস্থা আর সমাজব্যবস্থার বুনিয়াদী উপাদানগুলো আরো পড়ুন

প্রত্যাহারপন্থার অনুগামী আর রক্ষকদের ‘কর্মপন্থা’

একজন প্রাবন্ধিকের মন্তব্যলিপি [থেকে] প্রত্যাহারপন্থার অনুগামী আর রক্ষকদের ‘কর্মপন্থা’ বর্তমান আন্তঃবিপ্লব কালপর্যায়টাকে নিছক আপতিক বলে ব্যাখ্যা দেওয়া চলে না। স্বৈরতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে, বুর্জোয়া রাজতন্ত্র, বুর্জোয়া কৃষ্ণ-শতক [১] পার্লামেন্ট প্রথা আর গ্রামাঞ্চলে জারতন্ত্রের বুর্জোয়া কর্মনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে আমরা একটা বিশেষ পর্বের মুখোমুখি এসে পড়েছি, আরো পড়ুন

পাটি সংগঠন ও পার্টি সাহিত্য

সাহিত্য

রাশিয়ায় অক্টোবর বিপ্লবের পর (১) সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক ক্রিয়াকলাপের যে-নতুন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে, তাতে পার্টি সাহিত্যের প্রশ্নটি সামনে এসেছে। অবৈধ ও বৈধ সংবাদপত্রের মধ্যে পার্থক্য, ভূমিদাসভিত্তিক স্বৈরতন্ত্রী রাশিয়ার যে-যুগ তার শোকাবহ এই দায়ভাগটা অন্তর্ধান করতে শুরু করেছে। এখনও তা মরে যায় নি, মোটেই মরে নি। আমাদের প্রধান মন্ত্রীর ভণ্ড সরকার এখনও এতই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে যে, আরো পড়ুন

লেভ তলস্তয় এবং তাঁর যুগ

লেভ তলস্তয় যে-যুগের মানুষ, যে-যুগ এমন বলিষ্ঠ রেখায়-রেখায় ফুটে উঠেছে তাঁর দেদীপ্যমান সাহিত্যিক রচনাবলিতেও এবং তাঁর মতবাদেও, সেটা ১৮৬১ সালের পরে শুরু হয়ে চলেছিল ১৯০৫ সাল অবধি। তলস্তয়ের সাহিত্যিক কর্মজীবন শুরু হয়েছিল আরও আগে, সেটা শেষ হয়েছিল আরও পরে, তা ঠিক, কিন্তু এই যে-কালপর্যায়ের উত্তরণকালীন প্রকৃতি তলস্তয়ের রচনাবলি এবং তলস্তয়বাদের সমস্ত বৈশিষ্ট্যসূচক উপাদানের উদ্ভব ঘটিয়েছিল আরো পড়ুন

error: Content is protected !!