সুরিঞ্জান-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

কলচিসিন অল্প মাত্রায় পরিবর্তক, বায়ুনাশক, বিরেচক, পিত্তনিঃসারক, বেদনানাশক, স্বেদজনক, অবসাদক, মূত্রকারক ও কামোদ্দীপক। তাছাড়া বাতের ব্যথায় (প্রথমাবস্থায়) প্লীহা ও যকৃতের, নানাবিধ রোগে ব্যবহার্য। কন্দ বেটে লাগালে ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। বর্তমানে গাছের প্রজনন বৃদ্ধির কাজে কলচিসিন প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। কন্দ মস্তিষ্কের স্নিগ্ধতাকারক এবং পুরাতন অর্শে লাগালে ব্যথা ও ঘা দুই-ই কমে।

কলচিকাম-এর নানা প্রজাতির বিবরণ

Liliaceae পরিবারের অন্তর্গত Colchicum গণভুক্ত প্রায় ৮৫টি প্রজাতি এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন অংশে জন্মে। তন্মধ্যে মাত্র কয়েকটি ঔষধার্থে ব্যবহৃত হয়ে। এগুলির মধ্যে মাত্র ২টি প্রজাতি ভারতের পশ্চিম হিমালয়ের বিভিন্ন স্থানে ২-৯ হাজার ফুট উচ্চতায় জন্মে।আরো পড়ুন

চীনা ও আমেরিকান জিনসেং-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

চীনে এটিকে নিয়ে নানা উপকথাও প্রচলিত। তাঁরা এটিকে সর্বরোগের জন্য ভেষজ ব’লে মনে করেন এবং অনেকে ভাবেন যে, বাড়িতে যদি যত্ন ক’রে রাখা যায় তাহলে গৃহস্থের মঙ্গল হয় ও বাড়িতে কোনো রোগ ঢুকতে পারে না। আমাদের দেশে তুলসী গাছ নিয়ে যে ভাবা হয়, অনেকটা সেই রকম। কোরিয়াতে বেশ কয়েক হাজার বৎসর পূর্ব থেকে এর ব্যবহার চলে আসছে। তবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বৎসর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং-এর চাষ হচ্ছে।আরো পড়ুন

জিনসেং এশিয়ার উপকারী গুল্ম

এই প্রজাতিটি Araliaceae পরিবারের Panax গনের দু’টি প্রজাতি। চীন-জাপান-কোরিয়া এবং তৎসন্নিহিত অন্য দেশ সমূহে কম-বেশি যে Ginseng পাওয়া যায়, সেটির পরিচিতি Panax schinseng Nees (পূর্বে এটির নাম ছিল Panax ginseng Mey.) নামে, চলতি নাম Asiatic or Chinese ginseng, এক কাথায় জিনসেং। অন্য আর একটি প্রজাতি জন্মে আমেরিকা, কানাডা প্রভৃতি অঞ্চলে, তার নাম- Panax quinquefolium Linn., এটি American ginseng নামে পরিচিত।আরো পড়ুন

কুমোরপাড়ার চাঁদ ও বাঁশিওয়ালা

কুমোরপাড়ায় চাঁদ ছিলো সেদিন/ মাটির পটগুলোতে নকশার আঁকিবুঁকি চলছিলো,/ আবহাওয়া মোহনীয় ছিলো
আঁধার ছিলো না কোনো গলিতে।/ ময়ূরাক্ষীর মতো কিশোর-কিশোরীদের চোখজোড়া/ খড়কুটো নিয়ে খেলছিলো,আরো পড়ুন

একটি মোমের আলো ও হেমাঙ্গের গান

শহর জুড়ে আজ লোডশেডিং/ জানালার কাচ ঠেলে মোমের আলো উঁকি দেয়,/ তাই আমাদের ঘরে ফুলকি হয়ে খেলছে/ একটি মোমবাতি ও হেমাঙ্গের গানে। আরো পড়ুন

কাওয়াটুটি বাংলাদেশের পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

কাওয়াটুটি প্রায় ১২ মিটার উঁচু বৃক্ষ এবং প্রধান অক্ষ সুস্পষ্ট। পত্র প্রতিমুখ, বৃহৎ, একপক্ষল, সচূড় পক্ষল, পত্রক ৫-৭টি, বৃহৎ, প্রশস্ত, উপবৃত্তাকার। পুষ্পবিন্যাস বৃহৎ প্যানিকেল বা মিশ্র প্যানিকেল, শীর্ষ কোমল রোমশ। পুষ্প সম্পূর্ণ, উভলিঙ্গ, অধিগর্ভ, সামান্য এক প্রতিসম। বৃতি ৫ টি যুক্ত বৃত্যংশ নিয়ে গঠিত, মুক্তাবস্থায় ৩-৫ টি অসম খন্ডে বিভক্ত, প্রান্ত-আচ্ছাদী।আরো পড়ুন

চারচারা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো গুল্ম

চারচারা কাষ্ঠল ও ত্রিকোণাকার শাখা সমেত উঁচু গুল্ম। এটি দৃঢ় শুষ্ক ঝিল্লিময়। পত্রক ১০-১৫ সেমি লম্বা, আয়তাকার, অর্ধ- চর্মবৎ, উভয় প্রান্তে ক্রমশঃ সরু, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ ও রোমহীন, নিচের পৃষ্ঠে শিরার উপর কেবল অল্প ছোট অস্পষ্ট রোম বিদ্যমান, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, ত্রিকোণাকার, গভীরভাবে খাঁজযুক্ত, পক্ষযুক্ত নয়। আরো পড়ুন

সিম বুসাক এশিয়ায় জন্মানো উপকারী গুল্ম

সিম বুসাক খাড়া ও অধিক শাখান্বিত গুল্ম। এটি ১.২-৩.০ মিটার উঁচু হয়। এর শাখা-প্রশাখা গোলাকার, অগ্রভাগে রোমশ। পাতা একফলক, পত্রক ডিম্বাকার-আয়তাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, সূক্ষ্মভাবে গ্রন্থিল, সূক্ষ্মাগ্র, সবুজ, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ অথবা প্রায় মসৃণ, নিচের পৃষ্ঠের শিরার উপরিভাগ ফ্যাকাশে এবং কমবেশী রেশমী ক্ষুদ্র নরম রোমাবৃত, গোড়া গোলাকার বা কর্তিতা, প্রধান শিরা ৮-১০ জোড়া, নিম্নপৃষ্ঠে অত্যন্ত সুস্পষ্ট আরো পড়ুন

ফেরুলা ফটুডা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

Ferula foetida এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতির ইরান থেকে মধ্য এশিয়া এবং পশ্চিম পাকিস্তানের স্থানীয়। এটি বহুবর্ষজীবী এবং প্রধানত নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে বৃদ্ধি পায়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!