পান কর্পূর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ তাইওয়ান, ফিলিপাইন এবং নিউ গিনি। বাংলাদেশের সিলেট এবং চট্টগ্রাম জেলার বনাঞ্চল থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে।আরো পড়ুন
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ তাইওয়ান, ফিলিপাইন এবং নিউ গিনি। বাংলাদেশের সিলেট এবং চট্টগ্রাম জেলার বনাঞ্চল থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে।আরো পড়ুন
পত্র ৬.৫-১৯.০ x ২-৮ সেমি, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, দীর্ঘা, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার বা অর্ধকর্তিতা, গোলাকার দপ্তর করাত দপ্তর, ঝিল্লিময়, উপরিভাগ গাঢ় সবুজ, প্রায় ধূসর-সবুজ ছোপযুক্ত, নিম্নভাগ গাঢ় লাল। আরো পড়ুন
বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী, কুঞ্চিত নরম এবং পাকানো। কান্ডবিশিষ্ট, খন্ডিত আকর্ষী চ্যাপ্টা চাকতিযুক্ত। পত্র সরল, ৪-১৩ x ২-১১ সেমি, ডিম্বাকার-বর্তুলাকার বা তরঙ্গায়িত, হৃৎপিন্ডাকার, দীর্ঘাগ্র, গোলাকার দন্তুর, দন্তুরআরো পড়ুন
বৃহৎ রোমহীন বীরুৎসদৃশ আরোহী। দেখতে চারকোণাকার কান্ডবিশিষ্ট। কান্ড স্থূল রসালো যা সাদা মরিচাযুক্ত। পত্র সরল, ঝিল্লিময়, ডিম্বাকার, হৃৎপিন্ডাকার, সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ্র, ৫-১২ x ৩-৭ সেমি, প্রান্ত হালকা গোলাকার করাত দপ্তর,আরো পড়ুন
বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ১০ম খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) ধেমনা, চেমনা প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, বনের ঝোপ জঙ্গল পরিস্কার এবং পোড়ানোর কারণে বাংলাদেশে এটি সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত।আরো পড়ুন
বৃহৎ কাষ্ঠল আরোহী যা কোণাকার লালাভ দাগযুক্ত কান্ড বিশিষ্ট এবং সরল আকর্ষী বহনকারী। পত্র সরল, ৭-২০ x ৪-১৪ সেমি, ঝিল্লিময়, ডিম্বাকার-বর্তুলাকার, হৃৎপিন্ডাকার, হঠাৎ দীর্ঘা, শক্ত করাত দপ্তর, শিরা উপরিভাগে স্পষ্ট,আরো পড়ুন
ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং নিউগিনি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, ঢাকা, ফরিদপুর, রাজশাহী এবং সিলেট জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত।আরো পড়ুন
উদ্ভিদটি বমোন্দ্রেককর, বলকারক এবং ঘর্মকারক, এর কাণ্ড এবং পাতা স্কাভিনাশক, শেকড় পেট ফাপায় আভ্যন্তরীণভাবে এবং বহির্ভাগে ঘা ও ব্রনে ব্যবহৃত হয়। এর বীজে শতকরা ২১.৯ ভাগ চর্বিযুক্ত তেল আছে। আরো পড়ুন
মিশ্র পত্রঝরা ও উষ্ণমণ্ডলীয় চিরহরিৎ অরণ্য, সাধারণত নদীর কিনারা বরাবর। ফুল ও ফল ধারণ সময় জানুয়ারি-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও কলমের দ্বারা।আরো পড়ুন
বীজের চূর্ণ মধু বা চিনির সাথে মিশ্রিত করে শিশুদের আমাশয় ও সর্দি-কাশিতে ব্যবহার করা হয় এবং অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশিয়ে জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Kirtikar et al.. 1935) । কাষ্ঠ, কড়ি কাঠ ও তক্তা তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন