বউলাগোটা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
বউলাগোটা অতি গুরুত্বপূর্ণ সর্বার্থসাধক বৃক্ষ, এই বৃক্ষ থেকে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও কাষ্ঠ পাওয়া যায়। ফল ও বীজের শাস খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়, শাঁস দাদ নিরাময়ে খুব উপকারীআরো পড়ুন
বউলাগোটা অতি গুরুত্বপূর্ণ সর্বার্থসাধক বৃক্ষ, এই বৃক্ষ থেকে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও কাষ্ঠ পাওয়া যায়। ফল ও বীজের শাস খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়, শাঁস দাদ নিরাময়ে খুব উপকারীআরো পড়ুন
মিশ্র পত্রঝরা ও উষ্ণমণ্ডলীয় চিরহরিৎ অরণ্য, সাধারণত নদীর কিনারা বরাবর। ফুল ও ফল ধারণ সময় জানুয়ারি-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও কলমের দ্বারা।আরো পড়ুন
সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে বিভিন্ন উচ্চতা ও আবহাওয়ায় বিশেষ করে শুষ্ক ভূখন্ডে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল ফেব্রুয়ারি-নভেম্বর। বীজে বংশ বিস্তার হয়।আরো পড়ুন
ইহা উষ্ণবীর্য, কটু ও তিক্ত রসযুক্ত। বাত, পক্ষাঘাত রক্তদুষ্টি, আমাশয়, অর্শ, উদরাময়, অজীর্ণ, ব্রণ প্রভৃতি নাশক। কুচিলার ব্যবহার্য অংশ সমগ্র উদ্ভিদ অর্থাৎ মূল, বাকল, পাতা, কাঠ এবং বীজ।আরো পড়ুন
পর্ণমোচী বৃক্ষ, প্রায় ৩৬ মিটার উঁচু, বাকল গাঢ় বাদামী, শাখা ঝুলন্ত, তরুণ শাখা কন্টক যুক্ত। পত্র উপবৃত্তাকার থেকে ভল্লাকার, ৩.০-৮.৫ x ০.৮-৩.৭ সেমি, দীর্ঘাঘ্র, মূলীয় অংশ কীলকাকার, অখন্ড, শিরা ৫-৮টি, ধনুকাকার, স্বল্প রোমশ, বৃন্ত ১-৪ মিমি লম্বা, রোমশ।আরো পড়ুন
বাকলের অল্টারেটিভ ও কোষ্ঠ বর্ধক গুণাবলী রয়েছে। মূল জোলাপ এবং ফল ডায়রিয়ার প্রতিরোধক, বাকলের রস চুলকানি বা উত্তেজক প্রশমনকরী। বাহ্যিকভাবে এটি কুষ্ঠ, গোলকৃমি, পায়ের কড়া ও দুর্দমনীয় আলসারে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন
মাঝারি ধরণের চিরহরিৎ বৃক্ষ, সকল অঙ্গই মসৃণ। পত্র চর্মবৎ, প্রতিমুখ বা প্রায় প্রতিমুখ, কদাচিৎ একান্তর, ডিম্বাকার, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, অর্ধ-সূক্ষ্মাগ্র বা খাটো দীর্ঘা, উপরে পৃষ্ঠ উজ্জ্বল, নিম্নপৃষ্ঠ সামান্য ফ্যাকাশে, গোড়া সূক্ষ্মাগ্র বা গোলাকার…আরো পড়ুন
চোকলা হচ্ছে মালভেসি পরিবারের হেরিটিয়েরা গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতির নাম। চোকলা ক্ষুদ্র হতে মাঝারী-আকৃতির বৃক্ষ, ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কচি শাখা তারকাকার-ঘন ক্ষুদ্র কোমল রােমাবৃত। এদের পাতা একান্তর, একফলক, ৪-১৬ x ৩-৭ সেমি, বল্লমাকার, বিবল্লমাকার অথবা আয়তাকার হতে উপবৃত্তীয়, গােড়া স্থূলাগ্র। আরো পড়ুন
ভূমিকা: সিভিট (Swintonia floribunda) এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের সুইনটোনিয়া গণের একটি বিশালাকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। গাছটি বাংলাদেশে সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত এবং বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। সিভিট-এর বিবরণ: সিভিট ৭ মিটার বা ততোধিক উচ্চতা সম্পন্ন, প্রশস্ত গুঁড়ি বিশিষ্ট, মসৃণ, অতি উচ্চ চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাকল উজ্জ্বল গোলাপি, অগভীর উলম্ব ফাটল বিশিষ্ট, … Read more
আশ-শেওড়া বা মটকিলা বা বনজামির বা দাঁতমাজন (বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis pentaphylla) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের গ্লাইকসমিস গণের ছোট বৃক্ষ। জঙ্গলে অযত্নে এই প্রজাতিটি দেখা যায়।আরো পড়ুন