এন্টিডেসমা ক্রান্তিয় অঞ্চলের ফলজ ও ভেষজ প্রজাতির গণের নাম

ভিন্নবাসী গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, সরল রোমাবৃত। পত্র সরল, একান্তর, খাটো বৃন্তযুক্ত, অখন্ড, সোপপত্রিক, পক্ষ শিরাল। পুষ্পবিন্যাস অক্ষীয়, পত্রের প্রতিমুখ, শীর্ষীয় বা কান্ডজ স্পাইকেট বা অর্ধরেসিমোস, কখনও পেনিকেল।আরো পড়ুন

বনশিয়াল বুকা বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

বনশিয়াল বুকা (বৈজ্ঞানিক নাম: Antidesma bunius) হচ্ছে এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশের ভেষজ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এই গাছ জন্মে। ফল হিসাবে খাওয়া যায়।আরো পড়ুন

গোয়ালিয়া লতার পরিচিতি, ঔষধি গুণাগুণ ও ব্যবহার: জঙ্গল গ্রেপ ভাইন-এর অবিশ্বাস্য উপকারিতা

গোয়ালিয়া লতার সবুজ পাতা

গোয়ালিয়া লতা একধরনের বৃহৎ লতানো বীরুৎ সদৃশ আরোহী। বহুবর্ষজীবী, মৌল কান্ডবিশিষ্ট। তবে কান্ড ফাঁপা, রেখাযুক্ত, রোমহীন। পত্র প্রশস্ত বর্তুলাকার-হৃৎপিন্ডাকার, অগভীরভাবে খন্ডিত, ৬-২০ × ৪-১৫ সেমি, গোলাকার দপ্তর করাতদস্তুর, ঝিল্লিময়, রোমহীন, ৫-৭ শিরাযুক্ত, পত্রবৃন্ত ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা, বেলনাকার, রোমহীন।আরো পড়ুন

গোয়ালে লতা উদ্ভিদের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

গোয়ালে লতা বা গোয়ালী লতা একটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড ও পাতা উভয়ই নরম। তবে পাতা এতটাই নরম যে টিপলেই ভেঙে যায়। এই লতার অনেক ভেষজ গুণ আছে। উদ্ভিদটি ঝোপ-ঝাড়, পতিত জায়গা, রাস্তার পাশে জন্মায়।আরো পড়ুন

গগণ শিরিষ হচ্ছে উদ্যানের শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ

ইহা একটি অতি সুপরিচিত বিদেশী উদ্ভিদ এবং পাতার বাহার ও দ্ব্যগ্রশাখাযুক্ত বৈশিষ্টের জন্য রাস্তার পাশে, বাগানে ও নগরোদ্যাণে রাজপথ বীথি হিসেবে লাগানো হয়। ইহার তলায় আংশিক ছায়াযুক্ত স্থানে ঘাস ও অন্যান্য ছোট উদ্ভিদ বেড়ে উঠতে পারে (Benthall, 1933). বাংলাদেশের বরিশাল জেলায় ইহার কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি হয় (Das and Alam, 2001).আরো পড়ুন

আলবিজিয়া হচ্ছে ফেবিয়াসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

শিরিষ

এই গণে মোট ১৬০ প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে ৮টি প্রজাতি জন্মে। এই কয়েকটি প্রজাতির জন্য পাহাড়ি অরণ্যে বা পত্রঝরা বনই উপযুক্ত স্থান। এছাড়া প্রতিষ্ঠান, উদ্যান, অফিস, রাস্তার পাশে, বাড়ির বাগানেও লাগানো যায়। গাছের বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

কালা কড়ই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভেষজ গুণসম্পন্ন চিরহরিৎ বৃক্ষ

কালা-কড়ই

কেন্দ্রীয় হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শ্রীলংকা, আসাম, মায়ানমার, সিকিম, মালাক্কা এবং গ্রীষ্ম প্রধান ও অর্ধ গ্রীষ্ম প্রধান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বিস্তৃত। বাংলাদেশে উদ্ভিদটি প্রবর্তিত এবং সিলেট জেলা ও অন্যান্য অঞ্চলের চা-বাগানে ছায়া প্রদানকারী হিসেবে লাগানো হয়।আরো পড়ুন

তেঁতুলে কড়ই বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

চিরহরিৎ অরণ্য থেকে শুষ্ক পত্রঝরা অরণ্য, সচরাচর বনের প্রান্তে, উপদ্রত মৃত্তিকা, বালিকাময় নদীর তীর এবং সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ের চূড়ায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল এপ্রিল-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ এবং শাখা কলমের সাহায্যে।আরো পড়ুন

গোলাপী শিরিষ উষ্ণ-নাতিশীতোষ্ণ দেশের শোভাবর্ধক ও ভেষজ বৃক্ষ

মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। গাছটি ১৫ মিটার উঁচু ও ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল রুক্ষ, গাঢ় বাদামী অথবা প্রায় কালো, ফাটলবিশিষ্ট, ক্ষুদ্র ও অনিয়তাকার কাষ্ঠল খন্ডে উঠে যায়। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী হলুদাভ রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

লতাকস্তুরীর অবিশ্বাস্য ওষুধি গুণাগুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

লতাকস্তুরী

লতাকস্তুরী একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। তবে এ গাছের পরিপক্ব টাটকা বীজ হাতে নিয়ে একটু ঘষা দিলেই চমৎকার ঘ্রাণ ভেসে আসে। হয়তো সেজন্যই কস্তুরী নামকরণ হয়েছে। দেখতে ঢেঁড়সের চেয়ে অনেক শক্ত এবং ঋজু। তবে ছায়াচ্ছন্ন স্থানে জন্মালে এর এই ঋজু ভাবটা আমূল পাল্টে গিয়ে গাছটি প্রচুর শাখাবিশিষ্ট প্রায় লতানো হয়ে আসে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!