সাহিত্য
সাহিত্য হচ্ছে সমাজের দর্পন। সামাজের বিভিন্ন বিষয়কে উপজীব্য করে সাহিত্য রচিত হয়। সাহিত্যের নানা ভাগ আছে। প্রতিটি দেশ, অঞ্চলের ভাষা সংস্কৃতির ভিন্নতার জন্য সাহিত্যে ভিন্নতা আছে। সাহিত্যের ইতিহাস শুধু ইতিহাসও নয়, সাহিত্যের স্বশাসিত এলাকায় সৃষ্টি-প্রেরণার ও সৃষ্টি-ঐতিহ্যেরও প্রকাশ ও বিকাশ, সাহিত্যেরও আপন ক্ষেত্রে স্বরাজ লাভ।
স্মৃতিচারণ
কত কাল ভুলে ছিলাম জানিনা, চকচকে পথ ধরে
আধো নগরায়নে গড়ে ওঠা আমার শহর,
রেলের ধুসর পাথরের পাশ ঘেঁষে নীরবে ঘুমিয়ে আছে আরো পড়ুন
আগমনীর পত্র
আনমনে পথ চলা নিয়ে আসে আবছায়ায় পর্দার কাছে
নিখোঁজ কিছু মিলে যায় আড়ালের দৃষ্টিতে,
বহুদূর জুড়ে দেখা যায় নিশানার রেখা,
মনকে ভুলিয়ে দেয়া কলমিলতার ফুল। আরো পড়ুন
নাগমতির সুর
অন্ধকার গ্রহে ধীরে ধীরে আশার বিন্দু হয়ে জেগে ওঠে
তৃণ জড়ানো আধো বালুময় নতুন দ্বীপ নাগমতি নদীর বুকে,
সোনালী আলোর ছটায় চারদিকে জ্বল জ্বল করে হলুদ নাক ফুল; আরো পড়ুন<
চৈত্রের দুপুরে দুই শ্রমিক ও আমার প্রেমিক
কচি কলাপাতারঙ নবীন গাছের পাশে ঘুমাচ্ছিলএক মাঝ বয়সী পার্থিব ভ্যানচালকহঠাত ঘুম ভাঙলো স্বাপ্নিক উত্তেজনায়,দুর্বার চেঁচালো ‘আমি তোকে খুন করব’নাক মুখ দিয়ে মিনিট খানেক ট্রাক-ইঞ্জিনের মতো গোঁ গোঁ শব্দ,তারপর চোখ খুলে এদিক ওদিক তাকিয়ে আবার ঘুমালো অন্ধ কুঠুরিতে; চৈত্রের দুপরে ভ্যানের উপরে শুয়ে আছে, এক মরা লাশ যেনদক্ষিণে মাথা, দখিনা বাতাস, আউলা আকাশগায়ে ছিটের শার্ট, সস্তা … Read more
চে, এক রক্তমাখা আলো
নিপীড়িত মানুষের বিদ্রোহের ভিত্তিমূলে গান থাকে, কথা থাকে, হাহাকারের পরে ঘুরে দাঁড়ানো থাকে,আগমন ও প্রস্থান থাকে। মহাকালের ভেতরে ছোট ছোট মুহূর্তগুলো হারালেও অন্যায়ের টুঁটি চেপে কিছু মানুষ মাথাকে উঁচু করে বের হয়, সমতার কমিউনগুলো দৈনন্দিন ব্যস্ততায় গড়ে ওঠে। যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ন্যায়যুদ্ধ শুরু হলে যেখানেই জয়ের খবর আসে, আরো এক কদম এগোলো সমাজ, শ্রমিকেরা বোঝেন একদিন পশ্চাদপসরণ মানে সাময়িক বিরতি। আরো পড়ুন