পদ্ম হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের পরিচিত জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদ

পদ্ম ফুল

মিঠা পানির পুকুর, হ্রদ এবং বিল ইত্যাদি স্থানে জন্মে। তবে অনেকেই শখের বসে বাড়ির ছাদের পদ্ম চাষ করে থাকে। এছাড়া বাড়ির বাগানেও ছোট জলাশয়েও পদ্ম জন্মমে। ফুল ও ফল ধারণ এপ্রিল-অক্টোবর। পদ্মের বংশ বিস্তার হয় রাইজোম দ্বারা।আরো পড়ুন

পটল উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ

বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। কান্ড সরু শাখান্বিত, অতিরিক্ত আরোহী। আকর্ষ সরু, খাটো, ২-৪ খন্ডিত। পত্র তাম্বুলাকার, দীর্ঘায়ত বা ডিম্বাকার, ৫-১০ x ৪-৮ সেমি, সূক্ষ্মাগ্র, দপ্তর, দৃঢ়, আরো পড়ুন

বীজতাড়ক লতা দক্ষিন এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি

বীজতাড়ক

বৃহৎ বল্লী, দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর যুক্ত, নিম্নাংশ কাষ্ঠল। ঘন সাদা বা হলুদ রোমশ বা ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। এ পত্র ৮-১৭ X ৭-১৭ সেমি, ডিম্বাকার থেকে বর্তুলাকার, মূলীয় অংশ হৎপিণ্ডাকার, স্থুলাগ্র থেকে সূক্ষ্মাগ্র,আরো পড়ুন

বীজতাড়ক লতার ভেষজ গুণাগুণ ও ব্যবহার বিধি

বীজতাড়ক

বীজতাড়ক একটি বৃক্ষাশ্রয়ী বহুবর্ষজীবী এবং বহুদূর ব্যাপী বিস্তৃত লতা। কাণ্ড শক্ত, সাদা পশমের মতো নরম রোমাকৃত। প্রশাখা মোটা, শ্বেতবর্ণ এবং শক্ত লোমাবৃত। পাতা ডিম্বাকৃতি, দেখতে প্রশস্ত পানের মতো, দৈর্ঘ্যের চেয়ে বিস্তারে।আরো পড়ুন

বড় নল বা মহানল ঘাসের ভেষজ গুণ ও প্রয়োগবিধি

বড়-নল-বা-মহানলের পাতা

বড়নল বা মহানল অত্যধিক মধুর, বীর্যবর্ধক ও অল্প কষায় রসযুক্ত। বড়নল নল অপেক্ষা অধিক বীর্যশালী এবং পারদ সংস্কারের কাজে লাগে।মূলের ক্বাথ- ঘর্মস্রাবক, মূত্রকারক; আর্তবজনন, শোথহর এবং স্তনহ্রসকারক। আরো পড়ুন

কাঁঠাল-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও এর বিবিধ ব্যবহার

জাতীয় ফল কাঁঠাল

কাঁঠাল শুধু ফল হিসাবে নয়, সুপ্রাচীন আয়ুর্বেদের সেই স্বর্ণময় যুগে এর ওষুধি গুণাগুণ সে সময়ের প্রেক্ষিতে মূল্যায়িত হয়েছিল। সেই সুপ্রাচীন কালের পর্যবেক্ষণ-বিশ্লেষণ আজও আমরা সঠিক বলেই দেখে থাকি। প্রায় সবক্ষেত্রেই কাঁঠালের ফলের মধ্যে ওষুধি গুণাগুণ খোঁজা হয়েছে।আরো পড়ুন

ডেউয়া গাছ-এর পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ ও বিবিধ ব্যবহার

পাকা ডেউয়া ফল

বৃহৎ পাতাঝরা বৃক্ষ ২০ মিটারের মতো উঁচু হতে পারে। ডেউয়া গাছ-এর গুড়ি বড়, সোজা এবং মাথার দিকে পল্লব ছড়ানো। বাকল ধূসর, খসখসে। ছোট ছোট গোলাকৃতি টুকরা ছাল ওঠে, যার ভিতর দিক লালচে। সমগ্র গাছেই শ্বেতকষ আছে।আরো পড়ুন

আগর বা অগুরু গাছের ভেষজ গুণাগুণ ও বিবিধ ব্যবহার

আগর

অগুরু উষ্ণবীর্য, কুটরস, তিক্ত, ত্বকের উপকারী, তীক্ষ্ণ, পিত্তবর্ধক, লঘু, কর্ণ এবং চোখের রোগনাশক, শীতনিবারক এবং কফ বাতনাশক। চরক সংহিতার চিকিৎসাস্থানের ২১ অধ্যায়ে উল্লেখ রয়েছে হিক্কা রোগীকে মধুর সঙ্গে কৃষ্ণ আগর (কৃষ্ণাগুরু) চূর্ণ সেবন করানোর বিধান।আরো পড়ুন

রয়না বা পিতরাজ দক্ষিণ এশিয়ার চিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

পিতরাজ-বা-রয়না

রয়না বা পিতরাজ মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উচু, ঘন, ছড়ানো এবং ছাতার আকৃতির চুড়াবিশিষ্ট, বাকল লালচে-বাদামী, মধুময় গ্রন্থি সম্বলিত, ভেতরের বাকল লালচে, প্রায়শ:ই দুগ্ধবৎ তরুক্ষীরবিশিষ্ট। পল্লব বায়ুরন্ধবিশিষ্ট, প্রায় মসৃণ থেকে হলুদ বর্ণের সূক্ষ্ম রোম সম্বলিত।আরো পড়ুন

পিতরাজ বা রয়না-র কয়েকটি ভেষজ গুণ ও ব্যবহার

পিতরাজ-বা-রয়না

বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফমুলারি ১৯৯২-তে দুটি ওষুধে রোহিতক ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে রোহিতকারিষ্ট-তে রয়নার ছাল ব্যবহার করা হয় এবং ওষুধটি প্লীহা, যকৃৎ, উদর, অষ্ঠিলা, গ্রহণী, কামলা, শোথ ও অরুচি প্রশমক বলে উল্লেখিত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!