মুরায়া হচ্ছে রুটেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম
মুরায়া হচ্ছে রুটেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। এই গণের প্রজাতি সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। বাংলাদেশের এই গণের ২টি প্রজাতি আছে কারিপাতা বা বারসুঙ্গার, কামিনী। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
মুরায়া হচ্ছে রুটেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। এই গণের প্রজাতি সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। বাংলাদেশের এই গণের ২টি প্রজাতি আছে কারিপাতা বা বারসুঙ্গার, কামিনী। আরো পড়ুন
সিঙ্গাপুরি কাঠগোলাপ, গুরু-চম্পা, চম্পা, গুলাচীন (বৈজ্ঞানিক নাম: Plumeria obtusa, ইংরেজি নাম: Pagoda Tree, Singapore Plumeria, Frangipani) হচ্ছে এ্যাসপারাগাসি পরিবারের প্লুমেরিয়া গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ। সাদাটে- হলদে রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। আরো পড়ুন
পাতি কাঠগোলাপ, গুরু-চম্পা, চম্পা, গুলাচীন (বৈজ্ঞানিক নাম: Plumeria rubra, ইংরেজি নাম: Temple Tree, Frangipani) হচ্ছে এ্যাসপারাগাসি পরিবারের প্লুমেরিয়া গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ। সাদাটে- হলদে রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। আরো পড়ুন
ভূমিকা: ছোট কাঠগোলাপ, গুরু-চম্পা, চম্পা, গুলাচীন (বৈজ্ঞানিক নাম: Plumeria alba, ইংরেজি নাম: Pagoda Tree, White Frangipani, Noseay Tree) হচ্ছে এ্যাসপারাগাসি পরিবারের প্লুমেরিয়া গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ। সাদাটে-হলদে রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। বর্নণা: কাঠগোলাপ ছোট বৃক্ষ। এর পত্র সরল, বৃহৎ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠে রোমশ, পুষ্পবৃন্ত অনূর্ধ্ব ৫.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ২৫-৩০ X ৬৮ সেমি, রৈখিক-আয়তাকার, … Read more
প্লুমেরিয়া হলো এ্যাসপারাগাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। বাংলাদেশে এই গণের ৩টি প্রজাতি পাওয়া যায় ছোট কাঠগোলাপ, সিঙ্গাপুরি কাঠগোলাপ, পাতি কাঠগোলাপ। বিবরণ: তরুক্ষীরবাহী গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। কাণ্ড সাধারণত প্রশস্ত মজ্জা বিশিষ্ট ফাঁপা, কর্কবৎ। পত্র একান্তর বা সর্পিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাখার শীর্ষে গুচ্ছিত, কক্ষে গ্রন্থিল, সবৃন্তক বা অর্ধ-বৃন্তক। সাইম কাক্ষিক বা প্রান্তীয়, দ্ব্যাগ্র শাখাবিন্যাস, সমভূমঞ্জরী বা থায়ারসিফর্ম। আরো পড়ুন
ভূমিকা: রজনীগন্ধা (বৈজ্ঞানিক নাম: Polianthes tuberosa, ইংরেজি নাম: টিউব রোজ) Polianthes গণের একটি প্রজাতি। গণটি ভূনিম্নস্থ কন্দাল অংশ সমন্বিত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। নিম্নের পাতা উত্তম বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, শীর্ষের পাতা খর্ব । পুষ্পবিন্যাস সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত শীর্ষীয় মঞ্জরী। পুষ্পপুট ধুতুরাকার, স্থায়ী। পুংকেশর ৬ টি, অন্তর্ভূত। গর্ভাশয় ৩-প্রকোষ্ঠীয়, গর্ভমুণ্ড ৩। ফল ও বীজ কুঞ্চিত। আরো পড়ুন
একেক ঋতুতে বিচিত্র ফুল (Flower) ফোটে। ফুল তার রং, গন্ধ, আকৃতির কারনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মানুষের কাছে। ফুল থেকে উদ্ভিদের ফল হয় আর সেই ফল থেকে নতুন উদ্ভিদ। কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা শীর্ষে অথবা পাতার কক্ষে ফুল জন্মায়। ফুল হলও একটি উদ্ভিদের সবচেয়ে দৃষ্টি নন্দন অংশ। সমস্ত সপুষ্পক উদ্ভিদেরই ফুল ফোটে এবং এরা উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। ফুলের মিষ্টি গন্ধ মানুষের মনযোগ আকর্ষন করে। জুঁই, বেলি, গন্ধরাজসহ বিভিন্ন সুগন্ধি ফুল আছে যা আমরা সুগন্ধির জন্য শখ করে লাগিয়ে থাকি। আরো পড়ুন
বকফুল ছোট আকৃতির দ্রুত বর্ধনশীল পত্রঝরা বৃক্ষ। এই গাছের কাঠ কোমল। উচ্চতায় ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের বাকল হালকা থেকে গাঢ় বাদামি বর্ণের হয়; তবে পুরাতন বৃক্ষ দেখতে বিদীর্ণ। গাছের পাতা অচূড় পক্ষল। পাতার দৈর্ঘ্য ১৩-৩০ সেমি, পত্রক ২০-৬০টি, আয়তাকার, রোমহীন, উপপত্রিকা ক্ষণস্থায়ী, ক্ষুদ্র, ১.৫-২.৮ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন
গোল মরিচ বা কালো গোল মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Piper nigrum) একটি লতানো উদ্ভিদ। এটি মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই এদের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার দেখা যায়। মরিচ প্রধানত কাজ করে রসবহস্রোতে এবং অগ্ন্যাশয়ে বা পচ্যমানাশয়ে। প্রতিদিনের রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করা হয়। কাজে কাজেই এর তীক্ষ্ণ স্বাদের কথা সকলেরই জানা আছে। আরো পড়ুন
পিপুল বা দেশি পিপুল বা পিপলা বা পিপলা-মূল বা পিপুল মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: piper-longum) হচ্ছে পিপারাসি পরিবারের পিপার গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের প্রধান গুণ হচ্ছে এরা শ্বাসকষ্ট উপশম করে। পিপুলের ব্যবহার রান্নায় কম হলেও নামটা অনেকেরই জানা। পিপুলকে ঔষধি হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। পিপুল দীপন বা উদ্দীপিত করে, তীক্ষ্ণ, উষ্ণ, রুক্ষ, পিত্তকারক ও মলাবেগ করায়। কফ, বায়ু, উদর রোগ, গ্যাস, লিভারের অসুখ, গুল্ম, কৃমি, শ্বাস রোগ উপশম করে। ক্ষয় রোধ করে। মস্তিষ্কের দুর্বলতা, উগ, বাত প্রকোপ, সূতিকা রোগ, ঋতুস্রাব পরিস্কার না হওয়া, নিদ্রাহীনতা কফ, শ্বাস প্রভৃতি শারিরীক অসুবিধেতে প্রাচীন কাল থেকে ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে পিপুল ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আরো পড়ুন