হাসি-মুখোশী ডেনড্রোবিয়াম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অর্কিড
আবাসস্থল ও চাষাবাদ: বৃক্ষের উপরে পরাশ্রয়ীর মতো হয়ে থাকে। মূলাকার কান্ডসহ কান্ড পৃথকীকরণের মাধ্যমে প্রজাতির বিস্তার লাভ করে। গৃহের শোভাবর্ধের জন্য চাষ করা হয়। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
আবাসস্থল ও চাষাবাদ: বৃক্ষের উপরে পরাশ্রয়ীর মতো হয়ে থাকে। মূলাকার কান্ডসহ কান্ড পৃথকীকরণের মাধ্যমে প্রজাতির বিস্তার লাভ করে। গৃহের শোভাবর্ধের জন্য চাষ করা হয়। আরো পড়ুন
পরিচিতি: শন গাছের আঁশ থেকে উৎকৃষ্ট মানের দড়ি তৈরি হয় এবং ভাল সবুজ সার হয়। এর “নাইট্রোজেন ফিক্সিং এবিলিটি” ধঞ্চে গাছের মতো, যে কারণে কৃষকদের খুব প্রিয়। একটু বেড়ে উঠলে অনেক সময় মোয়িং করে দেয়া হয়। আর ক্ষেত শেষ হয়ে গাছ মরে গেলে ন্যাচারাল ফিক্সিং হতে থাকে। ব্যবহার: এটা আমাদের উপমহাদেশের গাছ, প্রাচীন কাল থেকে … Read more
মাঠে মসলা শস্য হিসেবে আবাদ করা হয় অথবা কখনও কখনও বসতবাড়িতে লাগালো হয়। ভালো ফলন পেতে হলে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। মরিচ গাছের গোঁড়ায় পানি জমে থাকলে গাছ মারা যায়। মরিচের বীজ থেকে চারা হয়। আরো পড়ুন
মাঠে মসলা শস্য হিসেবে আবাদ করা হয় অথবা কখনও কখনও বসতবাড়িতে লাগালো হয়। ভালো ফলন পেতে হলে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। মরিচ গাছের গোঁড়ায় পানি জমে থাকলে গাছ মারা যায়। মরিচের বীজ থেকে চারা হয়। আরো পড়ুন
এই গণে বিভিন্ন প্রজাতির মরিচ অন্তর্গত। বাংলাদেশে এই গণে কাঁচা মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Capsicum annuum) এবং আকাশি মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Capsicum frutescens) পাওয়া যায়। আরো পড়ুন
ভূমিকা: কদবেল বা কৎ বেল বা কয়েথবেল (বৈজ্ঞানিক নাম: Limonia acidissima ইংরেজি: Wood Apple, Elephant Apple, Curd Fruit, Monkey Fruit) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের লিমোনিয়া গণের বৃক্ষ। ফল হিসেবে অনেকের কাছে প্রিয়। আরো পড়ুন
ফল সবজিরূপেও খাওয়া হয়। পাকা কলা চোলাই করে ব্যানানা ওয়াইন, ব্রান্ডি, বিয়ার ভিনেগার ইত্যাদি তৈরি করা হয়। ফলের খোসায় অতিরিক্ত পটাশ থাকায়, খোসা থেকে সাবান তৈরি হয়। বায়বীয় কান্ড আহার্য শ্বেতস্বারের উৎস (Begum, 1987)। আরো পড়ুন
মুসাসি পরিবারে ৩টি গণ ও প্রায় ৯১টি প্রজাতি আছে। পূর্ব গোলার্ধের গ্রীষ্ম ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এরা বিস্তৃত। বাংলাদেশের এর ১ টি মাত্র গণ ও ৩ টি প্রজাতি আছে। কাঁচ কলা, রাম কলা ও পাহাড়ি কলা। আরো পড়ুন