পরিচিতি: শন গাছের আঁশ থেকে উৎকৃষ্ট মানের দড়ি তৈরি হয় এবং ভাল সবুজ সার হয়। এর “নাইট্রোজেন ফিক্সিং এবিলিটি” ধঞ্চে গাছের মতো, যে কারণে কৃষকদের খুব প্রিয়। একটু বেড়ে উঠলে অনেক সময় মোয়িং করে দেয়া হয়। আর ক্ষেত শেষ হয়ে গাছ মরে গেলে ন্যাচারাল ফিক্সিং হতে থাকে।
ব্যবহার: এটা আমাদের উপমহাদেশের গাছ, প্রাচীন কাল থেকে এর বেশ কিছু ভেষজ ব্যবহার আছে যার সবকিছু উল্লেখ করাও কঠিন কাজ। তবে কয়েকটি ব্যবহার খুব সাধারণ যেমন, বিয়ে বাড়িতে প্রচুর খাবার পর হাঁসফাঁস অবস্থা খাদকের। তখন বমনের জন্যে কিছু বীজ পাটায় বেটে পানি দিয়ে খেয়ে ফেললে অবধারিত বমি হবে, এবং একটু পরেই। এটা উৎকৃষ্ট বমন কারক, কিন্তু ঘরে এর বীজ থাকা চাই।
অনেক সময় সারা গায়ে যেখানে সেখানে ফোড়া ওঠে। এটা হয় মূলত রক্তদুষ্টির জন্যে। তখন এর বীজের ক্বাথ খেতে দেয়া হয়। বিজ বেটে পানিতে ফুটিয়ে অর্ধেক করে সকালে খেতে হয় খালি পেটে।
ছুলি রোগ সহজে যায় না কিন্তু এর বীজ বেঁটে পেস্ট করে দুচারদিন লাগালেই চামড়ার রঙ স্বাভাবিক হয়ে যায়। মেয়েদের জন্যে শ্বেতপ্রদর এবং রজঃরোগে এর ব্যবহার আছে, সঙ্গে গর্ভপাতেরও। এর ফুল দিয়েও কিছু চিকিৎসা হয়, যা আমার অজ্ঞাত।
বি. দ্র: উদ্ভিদের ঔষধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও চিন্তাবিদ। তাঁর প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১৭টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি ১৬ জুন, ১৯৭৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।