চাকুন্দা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম
এটিকে বৃক্ষ বলা হয় না। চাকুন্দা মূলত ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ অর্থাৎ কালমেঘের মতো ছোট ঝোপ গাছ। এই গুল্ম বর্ষজীবী। এর পাতার আকৃতি প্রায় গোল আরো পড়ুন
এটিকে বৃক্ষ বলা হয় না। চাকুন্দা মূলত ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ অর্থাৎ কালমেঘের মতো ছোট ঝোপ গাছ। এই গুল্ম বর্ষজীবী। এর পাতার আকৃতি প্রায় গোল আরো পড়ুন
সাধারণত বর্ষজীবী লতা হলেও কখনও কখনও বহুদিন বেঁচে থাকতে দেখা যায়। লতা ও পাতা অনেকটা সিম গাছের মতো লতানো হয়। যদিও পাতা ৮ থেকে ১২ সেন্টিমিটার হয় এবং সেটা মসৃণ ও লোম দ্বারা ঢাকা থাকে।[১] আরো পড়ুন
অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে মাঝারি আকারের। ৬ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। অশোক চিরসবুজ ও মাথা ছড়ান গাছ। এর কচি ডাল ও পাতা ঝুলন্ত এবং হালকা তামাটে রঙের হয় । এটি যৌগপত্র ও জোড়পক্ষ বিশিষ্ট্য। পাতা ২৫ থেকে ৩০ সেমি লম্বা হয়, পত্রিকা ৩ থেকে ৬ জোড়া থাকে এবং ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি চওড়া হয়। পাতা দেখতে মসৃণ। হলুদ ও কমলা রঙের ১০ থেকে ১৫ সেমি চওড়া হালকা সুগন্ধি ফুলের থোকা গাছের কাণ্ড ও ডাল ফুটে থাকে। এই ফুল বসন্ত থেকে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত ভরে থাকে। বৃতিনল ১ সেমি লম্বা হয়, মুখে থাকে ৪ থেকে ৬টি লতি, প্রথমে কমলা, পরে লাল রং ধারন করে। পাপড়ি নেই। বহির্গত পুংকেশর ৬ থেকে ৮টি। ফল চ্যাপ্টা হয়। ফলের আকার ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি প্রস্থ। আরো পড়ুন
সোনালু বা সোনারু বা বান্দর লাঠি একটি মাঝারি আকারের বৃক্ষ। এদের চমৎকার ফুল ফোটে এবং বর্তমানে এটি আলংকারিক বৃক্ষ হিসেবেও পরিচিত। এদের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cassia fistula. আরো পড়ুন
পুনর্নবা বা পূনর্ণভা বা গন্ধপূর্ণ বা পুনর্ণবা বা রক্ত পুনর্ণবা (বৈজ্ঞানিক নাম: Boerhaavia diffusa) নিকটাগনিয়াসি পরিবারের বোয়েরহাভিয়া গণের বহুবর্ষজীবী লতানো বা আরোহী বীরুৎ।[১] এদের পাতা ও ডাঁটা লালচে, এমনকি ফলও লালচে হয়। আরো পড়ুন
গ্রামের অনেকের কাছে পরিচিত একটি গাছ চাকুন্দা। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Senna Tora. আগাছা হিসাবে পরিচিত হলেও এই গাছের ফুল, পাতা, ফল দিয়ে বাচ্চারা খেলে থাকে। এটি একধরনের গুল্ম। এর নানা ঔষধি গুণ আছে। আরো পড়ুন
সেন্দ বা মনসা বা সেন্দ মনসা বা সেহুন্দ মনসা (বৈজ্ঞানিক নাম: Euphorbia neriifolia) হচ্ছে ইউফরবিয়া গণের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। ঐতিহ্যবাহী চিকিতসায় মনসা গাছের ঔষধি গুণাগুণ, ব্যবহার এবং উপকারিতা আছে। বিভিন্ন রোগ প্রতিকারে এই গাছের ভূমিকা সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হলো। আরো পড়ুন
সরিষা বা সর্ষে আমাদের পরিচিত একটি তেল উৎপাদনকারী ফসলি উদ্ভিদ। আমাদের রান্নায় প্রধানত সর্ষের তেলই ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে মাছ রান্নায়, আলু ভর্তা, বেগুন পোড়া মাখায়, আমের আচারে সর্ষের তেল সুস্বাদ আনে। আরো পড়ুন
পারিজাত বা মান্দার বা মাদার হচ্ছে কাঁটাযুক্ত একটি উদ্ভিদ। এদের বসন্তে লাল ফুল ফোটে। গ্রামাঞ্চলে কৃষকগণ বেড়ার কাজে মান্দার গাছ ব্যবহার করেন। আরো পড়ুন